হরমুজ় প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ। — ফাইল চিত্র।
আরও দুই অপরিশোধিত তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ পার করবে হরমুজ় প্রণালী! এমনই খবর সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে। গত ২৪ ঘণ্টা ওই প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ পার হয়নি। তবে আবার হরমুজ় দিয়ে বিভিন্ন দেশের জাহাজ পার করবে। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের জাহাজও।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হামলা এবং তেহরানের প্রত্যাঘাতের আগে ভারতের অশোধিত তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি সৌদি আরব ও ইউএই-র মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আসত। তবে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলার পর ইরান ওই প্রণালীর উপর ‘দখল’ রেখেছে। হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, কোনও পণ্যবাহী জাহাজকে প্রণালী পার করতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি এগোনোর চেষ্টা করে, তবে পরিণতি ‘সাংঘাতিক’ হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। কয়েকটি জাহাজে হামলাও হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দেয় ইরান।
ইরানের ‘বাধা’ সরে যেতেই একে একে ভারতীয় জাহাজ পার হতে শুরু করেছে হরমুজ় প্রণালী। এখনও পর্যন্ত তিনটি জাহাজ হরমুজ় পেরিয়ে ভারতের বন্দরে নোঙর করেছে। সেই তালিকায় রয়েছে এলপিজি বোঝাই ট্যাঙ্কার ‘শিবালিক’ এবং ‘নন্দাদেবী’। ‘শিবালিক’ নোঙর করেছিল গুজরাতের দেবভূমি দ্বারকা জেলার ভাদিনার বন্দরে। আর ‘শিবালিক’ এসে পৌঁছোয় গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে। এ ছাড়া, অপরিশোধিত তেলবাহী ভারতীয় জাহাজ ‘জগ লাডকী’ এসেছে ভারতে। তার পরে আরও দুই জাহাজ হরমুজ় পেরনোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দিন দুয়েক আগে হরমুজ়ের পশ্চিম প্রান্তে আটকে থাকা ২২টি ভারতীয় জাহাজের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রক। এ ছাড়াও, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, হরমুজ় সংলগ্ন অঞ্চলে ভারতীয় নৌসেনা সক্রিয় রয়েছে। তারা জাহাজ পাহারা দিচ্ছে। ভারত সরকারের একাধিক উদ্যোগে নৌসেনা সহায়তা করছে।