Census 2027 in India

২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা, অনলাইনে কী ভাবে জনশুমারি? জানালেন মন্ত্রী

দেশে মোট দু’টি দফায় জনগণনা হবে। ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার সে কথা জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৪৪
২০২৭ সালে দেশ জুড়ে জনগণনার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের।

২০২৭ সালে দেশ জুড়ে জনগণনার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

২০২৭ সালের জনগণনার জন্য ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। মোট দু’টি দফায় জনগণনা হবে। সমগ্র প্রক্রিয়াটিই হবে অনলাইন মাধ্যমে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতিগণনার হিসাবও এতে যোগ করা হবে।

Advertisement

জনগণনাকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে উল্লেখ করেছেন অশ্বিনী। শেষ বার দেশে জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। তার পর ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড অতিমারির কারণে প্রক্রিয়াটি পিছিয়ে যায়। আগেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল, ২০২৭ সালে জনগণনা করা হবে। শুক্রবার তার জন্য অর্থও বরাদ্দ করে দেওয়া হল। ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে এই নতুন হিসাব কার্যকর হবে।

অশ্বিনী জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে। বাড়ি, জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে সরকার। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চলবে। সংশ্লিষ্ট সরকারের সুবিধা অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে এক-একটি জায়গায় গণনা সম্পন্ন করা হবে। এর পর দ্বিতীয় পর্যায়ে শুরু হবে জনগণনা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। অতিরিক্ত ঠান্ডা এবং তুষারপাতের কারণে কয়েকটি জায়গায় জনগণনা সেরে ফেলা হবে ২০২৬-এর সেপ্টেম্বরের মধ্যেই। সেই তালিকায় রয়েছে লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তরাখণ্ড।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করবে কেন্দ্র। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাপ সংস্কারের কাজ চলছে। প্রাথমিক ভাবে সকল গণনাকারীকে মোবাইলের মাধ্যমেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। কিন্তু যদি কোনও কারণে কেউ খাতায়কলমে তথ্য গ্রহণ করেন, তবে তাঁকে নির্দিষ্ট ওয়েব পোর্টালে সরাসরি তা নথিভুক্ত করতে হবে। এতে জটিলতা, ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমবে। এই প্রথম জনগণনার তথ্য ডিজিটালাইজ়ড হবে গণনাকারীদের স্তরেই। ফলে সময়মতো তথ্য পেতে অসুবিধা হবে না আর।

Advertisement
আরও পড়ুন