Ram Mandir Donation Case

মেয়াদ বাড়ল সিটের

অযোধ্যার রামমন্দিরে অনুদানের অর্থ চুরি মামলায় ইতিমধ্যেই আট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকার কাছাকাছি নগদ উদ্ধার হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৭:৫৯

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তদন্তে যাতে কোনও ফাঁক না থাকে তা নিশ্চিত করতে রামমন্দিরে অনুদানের অর্থ চুরির তদন্তের দায়িত্বে থাকা বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসন। সূত্রের মতে, টাকার লেনদেন খুঁজে বার করতে আগামী দিনে ইডি-র দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছে সিট।

অযোধ্যার রামমন্দিরে অনুদানের অর্থ চুরি মামলায় ইতিমধ্যেই আট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকার কাছাকাছি নগদ উদ্ধার হয়েছে। যদিও আজ এসপি নেতা রামগোপাল যাদব দাবি করেছেন, সব মিলিয়ে প্রায় কুড়ি হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর দাবি, অনেক বড় মাথা এই চুরিতে জড়িত রয়েছে। তাদের বাঁচাতে নিচুতলার কর্মীদের লোক দেখানো গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রের মতে, এই ঘটনায় রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর সহসভাপতি চম্পত রাইয়ের সম্পত্তি এখন আতশকাচের তলায়।

২০২৫ সালের কুম্ভমেলার সময় বিপুল ভক্তসমাগম ও অনুদানের সুযোগ নিয়ে একাধিক বার বড় অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। ধৃতদের মধ্যে দুই আত্মীয় লবকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র সব থেকে বেশি অর্থ সরিয়েছিলেন এবং সেই টাকা দিয়ে একাধিক সম্পত্তিও কিনেছিলেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওই টাকার ভাগ কারা পেয়েছিল, ওই টাকা কোথায় পাচার করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনে ইডি-র সাহায্য নিতে চলেছে সিট। এই চুরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর মতো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও কেন নীরব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তিনি বলেন, ‘‘গত আড়াই বছরে অমিত শাহ নিজের বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারে ৪২ বার রামমন্দিরের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এক বারও মন্দিরে আসেননি।’’

আরও পড়ুন