চেন্নাইয়ে শপথগ্রহণ বিজয়ের। ছবি: পিটিআই।
শপথ নিলেন আনন্দ এবং ভেঙ্কটরামনন। আনন্দ টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক।
শপথ নিলেন টিভিকে-র মুখ্য সমন্বয়ক সেঙ্গোত্তাইয়ান।
বিজয়ের পরেই শপথ নিলেন আধব অর্জুন।
‘‘আমি শ্রী জোসেফ বিজয়’’, তামিল ভাষায় শপথ নিলেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। হাততালিতে ফেটে পড়ল স্টেডিয়াম।
চেন্নাইয়ের স্টেডিয়ামে বন্দে মাতরম। তার পরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পৌঁছে গিয়েছেন অভিনেত্রী তৃষাও।
কাল ট্রাউজ়ার, শাদা শার্ট, কালো ব্লেজ়ার গায়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজয়।
রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকরকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান স্থলে স্বাগত জানালেন বিজয়।
চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে শপথ নেবেন বিজয়। সেখানে ইতিমধ্যে জড়ো হয়েছেন বিজয়ের দলের কর্মী-সমর্থক থেকে ভক্তেরা।
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন বিজয়। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেবেন আরও ন’জন। মনে করা হচ্ছে, তাঁর মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন। সেই তালিকায় রয়েছে, কেএ সেনগোত্তাইয়ান। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এডিএমকে থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।
শপথ নিচ্ছেন বিজয়ের ভোটককুশলী আধব অর্জুন। তামিলাগা ভেত্রি কাজাখাম (টিভিকে)-র জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তিনি লটারি ব্যবসায়ী সান্টিয়াগো মার্টিনের জামাই।
শপথ নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন নির্মল কুমার। তিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকে-তে যোগ দিয়েছেন। মাদুরাইয়ের তিরুপারানকুন্দ্রম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক আনন্দও শপথ নেবেন। দলের সংগঠনের রাশ ছিল অনেকটাই তাঁর হাতে। চেন্নাইয়ের টিনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
সম্ভাব্য মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু।
শপথ নেবেন অরুণ রাজ। তিনি পেশায় চিকিৎসক। আইআরএসের চাকরি ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজয়ের দলে।
চেন্নাইয়ের মায়লাপুরের নতুন বিধায়ক পি ভেঙ্কটারামনন বিজয়ের সরকারের ‘ব্রাহ্মণ মুখ’ হতে চলেছেন।
যাঁরা শপথ নিচ্ছেন রবিবার, তাঁদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেন কীর্তন। বিরুধুনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি।
কংগ্রেস সমর্থন করেছে বিজয়কে। তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চেন্নাইয়ে পৌঁছোলেন রাহুল গান্ধী।
বিজয়কে সমর্থন করতে রাজি হয় কংগ্রেস। তামিলনাড়ুতে পাঁচটি আসনে তারা জিতেছে। পাঁচ কংগ্রেসি বিধায়কের সমর্থনে টিভিকে-র বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছোয় ১১৩-তে। সরকার গঠনের জন্য বিজয়ের দলের দরকার ছিল আরও ছ’জন বিধায়কের সমর্থন।
পরে বিজয়ের দলকে সমর্থন করতে রাজি হয় বাম দলগুলি। সিপিআই এবং সিপিএম তামিলনাড়ুতে দু’টি করে আসন পেয়েছে। মোট চারটি আসন নিয়ে তারা টিভিকে-কে সমর্থনে এগিয়ে আসে। বিজয়ের সমর্থনকারী বিধায়কসংখ্যা এ বার পৌঁছোয় ১১৭-তে।
শনিবার ভিসিকে এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) বিজয়ের দিকে সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেয়। অবশেষে সরকার গঠনের জাদুসংখ্যা ছুঁতে পারেন বিজয়। এই দুই দলের সম্মিলিত বিধায়ক সংখ্যাও চার। ফলে টিভিকে-র সমর্থনে চলে আসেন ১২০ জন বিধায়ক।
পাঁচ দিনে চার বার রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিজয়। অবশেষে শনিবার পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। কিন্তু বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জিতেছে। তার মধ্যে বিজয় নিজে দু’টি আসন থেকে লড়েছিলেন। ফলে তাঁকে একটি আসন এমনিই ছেড়ে দিতে হবে। তাই আরও অন্তত ১১ জন জয়ী প্রার্থীর সমর্থন দরকার ছিল বিজয়ের।
টানা পাঁচ দিনের জল্পনা, উত্তেজনা এবং নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন বিজয়। তাঁর দল টিভিকে এ বার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তবে একক সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জাদুসংখ্যা ছুঁতে পারেনি। তাই সর্বোচ্চ আসন পেলেও তাঁর সরকার গঠনে বাধা ছিল।