Dhurandhar 2

ধুরন্ধর-২ নিয়ে ক্রুদ্ধ ডি কোম্পানি! দাউদ ইব্রাহিম গোষ্ঠী কোন উদ্দেশ্যে আবার সক্রিয়তা বাড়িয়েছে মুম্বইয়ে?

ডি কোম্পানির দু’নম্বরে রয়েছেন ছোটা শাকিল। এ ছাড়া দাউদের ভাই আনিস ইব্রাহিম ওরফে ছোটা আনিস এবং জাভেদ পটেল ওরফে জাভেদ চিকনা এবং ইব্রাহিম মোশতাক আব্দুল রজ্জাক মেমন ওরফে টাইগার মেমন সক্রিয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ১৬:৫২
Why Dhurandhar-2 angered D-Company of Dawood Ibrahim

(বাঁদিকে) ধুরন্ধর ছবিতে রণবীর সিংহ এবং দাউদ ইব্রাহিম (ডানদিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পাকিস্তানে মৃত্যুশয্যায় শুয়েও ভারতবিরোধী নাশকতার মদত দিতে কোনও ক্লান্তি নেই তাঁর! বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর-২: রিভেঞ্জ’-এ এমনই এক চরিত্র হিসাবে উঠে এসেছেন ‘বড়সাহেব’। আর তা নিয়েই নাকি ছবির পরিচালক আদিত্য ধর আর তাঁর টিমের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছে ডি কোম্পানি।

Advertisement

কারণ, চেহারা আর বাচনভঙ্গিতে নাকি পাকিস্তানের আশ্রয় নেওয়া মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে মিল রয়েছে ‘বাড়সাহেব’-এর! গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, বক্স অফিসে ধুরন্ধর-২ সাফল্য পাওয়ার পরে ডি কোম্পানি নতুন করে মুম্বইয়ে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে আবার নিজেদের ‘উপস্থিতি’ প্রমাণ করা। তারা চাইছে দাউদ যে এখনও সুস্থ এবং সক্রিয়, তা প্রমাণ করতে।

১৯৯৩ সালের মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, অস্ত্র ও জাল নোট সরবরাহ-সহ একাধিক নাশকতায় যুক্ত দাউদ দীর্ঘ দিন ধরেই বাণিজ্যনগরী করাচির বাসিন্দা বলে দাবি করে আসছে দিল্লি। করাচিতে দাউদের ঠিকানার কথা ২০২০ সালে পাকিস্তানও কবুল করে। সেই ঠিকানা তার কয়েক বছর আগেই ইসলামাবাদের হাতে তুলে দিয়েছিল ভারত। তাতে বলা হয়েছিল, পাক সেনাবাহিনী এবং প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নাকের ডগাতেই বাস করছেন দাউদ। দীর্ঘ দিন ধরে তাঁকে নিরাপত্তা দিচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। যদিও ইসলামাবাদের দাবি, দাউদ এখন পাকিস্তানে নেই।

ডি কোম্পানির দু’নম্বরে রয়েছেন শাকিল শেখ ওরফে ছোটা শাকিল (২০ লক্ষ)। পাকিস্তান এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশে তাঁর নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বলে গোয়েন্দা রিপোর্ট জানাচ্ছে। এ ছাড়া দাউদের ভাই আনিস ইব্রাহিম ওরফে ছোটা আনিস এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ দুই সঙ্গী, জাভেদ পটেল ওরফে জাভেদ চিকনা এবং ইব্রাহিম মোশতাক আব্দুল রজ্জাক মেমন ওরফে টাইগার মেমনের নাম রয়েছে দাউদ বাহিনীতে সক্রিয়দের তালিকায়। মুম্বইয়ে তাদের গ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক সক্রিয় করার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার নেপথ্যে নতুন সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে ওই গোয়েন্দা রিপোর্টে। বলা হয়েছে, ডি কোম্পানি প্রাথমিক ভাবে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরির দায়িত্ব পেয়েছেন দাউদের বিশ্বাসভাজন শার্প শুটার মুন্না জিঙ্গাদা।

Advertisement
আরও পড়ুন