sexual violence in conflict zones

‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যৌন হিংসায় জড়িত ইজ়রায়েল এবং রাশিয়ার সেনা’! কালো তালিকাভুক্ত করে বলল রাষ্ট্রপুঞ্জ

রিপোর্ট প্রকাশের পরেই ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার পত্রপাট প্রত্যাঘাতের পথে হেঁটেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের দফতরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছে তারা!

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১২:৫০
রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস।

রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইউক্রেন এবং গাজ়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যৌন হিংসায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে রাশিয়া ও ইজ়রায়েলি সেনার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব তাঁর দফতরের এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সেনাকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করার কথাও ঘোষণা করেছেন।

Advertisement

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারের তরফে এখনও রাষ্ট্রপুঞ্জের পদক্ষেপের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। কিন্তু ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার পত্রপাঠ প্রত্যাঘাতের পথে হেঁটেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছে তারা! রাষ্ট্রপুঞ্জে ইজ়রায়েলের দূত ড্যানি ড্যানন সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিয়োয় বলেন, “আমরা মহাসচিবের দফতরের ওই রিপোর্টের নিন্দা করছি এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি!’’ গুতেরেস যত দিন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব থাকবেন, তত দিন তাঁর দফতরের সঙ্গে তেল আভিভ কোনও যোগাযোগ রাখবে না বলেও জানান ড্যানন।

প্রসঙ্গত, সংঘাতকালীন পরিস্থিতিতে যৌন হিংসা নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের দফতর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। গত বছরের অগস্টে এক প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপুঞ্জ সতর্ক করেছিল যে ইজ়রায়েলকেও এই তালিকায় রাখা হতে পারে। ড্যানন বলেন, ‘‘ইজ়রায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করা এবং আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে যৌন হিংসার অভিযোগকে ব্যবহারের অভিযোগ একটি জঘন্য সিদ্ধান্ত। ইজ়রায়েল এবং হামাসকে (প্যালেস্টাইনি সশস্ত্র গোষ্ঠী) একই তালিকায় রাখা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’’

Advertisement
আরও পড়ুন