ছবি : সংগৃহীত।
ওজন কমানোর ডায়েটে, ডিটক্স পানীয়ে, এমনকি, পছন্দের মিষ্টিতেও অনেক সময় জলে ভেজানো চিয়াবীজ খেয়েছেন। সেই চিয়াবীজ ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ব্যবহার করতে করে চিয়াবীজ। এতে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য যেমন বাড়বে, তেমনই ফিরবে তারুণ্যও।
চিয়া বীজে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন ই-তে ভরপুর, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করতে কাজ করে।
১. শুষ্ক ত্বকের জন্য
২ চামচ চিয়া বীজ আধা কাপ জলে বা অ্যালোভেরা জেলে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন যতক্ষণ না এটি জেলির মতো থকথকে হয়। এর সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা: চিয়া বীজ প্রচুর পরিমাণে জল ধরে রাখতে পারে, যা ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট বা আর্দ্র করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে কোমল ও উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের রুক্ষতা দূর করে।
২. মৃত কোষ দূর করতে
১ চামচ ভেজানো চিয়া বীজের সাথে ১ চামচ দই এবং সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিয়ে ২-৩ মিনিট হালকা হাতে বৃত্তাকারে মুখে ম্যাসাজ করুন। এরপর ১০ মিনিট রেখে সাধারণ জলে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা: চিয়া বীজের গঠন খুব সূক্ষ্ম হওয়ায় এটি স্ক্রাব হিসেবে খুব ভাল কাজ করে। এটি ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করে এবং রোদে পোড়া ভাব কমাতে সাহায্য করে।
৩. বয়সের ছাপ কমাতে
১ চামচ চিয়া বীজ ৩ চামচ কাঁচা দুধে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর এটি ব্লেন্ড করে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখে এবং গলায় লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পুরোপুরি শুকানোর আগে জল দিয়ে আলতো ঘষে ধুয়ে ফেলুন।
উপকারিতা: ত্বকের বলিরেখা দূর করতে এবং জেল্লা বৃদ্ধি করতে এই মাস্কটি খুবই কার্যকর। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং চিয়া বীজের অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক টানটান থাকে।