চুল উঠে মাথা ফাঁকা হয়ে গিয়েছে? নতুন চুল গজানোর জন্য কী করতে পারেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
যে চুল সৌন্দর্যের চাবিকাঠি, কখনও কখনও বিড়ম্বনায় ফেলে সেই চুলই। গোছা গোছা চুল উঠলে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। তার উপর উপযাজক হয়ে জ্ঞানও দিয়ে যান অনেকে। কেউ বলেন, এটা মাখলেই কাজ হবে। কেউ বলেন, এমন পন্থা ভুল। অনেকের চুল ঝরা বন্ধ হলেও, পুরনো চুলের গোছ আর ফেরে না। বেশি বয়স হলে, চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করা কঠিন হতে পারে। তবে যদি তা না হয়, থাইরয়েড বা হরমোনের ভারসাম্য ঠিক থাকে তা হলে কাজে আসতে পারে ৫ কৌশল।
মাথার ত্বক: চুল পরিষ্কারের দিকেই নজর থাকে সকলের। তবে চুল ভাল রাখতে হলে মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। চুলের ফলিকল দুর্বল থাকলে চুল ঝরবেই। ফলিকল মজবুত হলে নতুন চুল গজাবে। নিয়ম করে মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং মাসাজ়ের মাধ্যমে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করা জরুরি।
তেল: ভিটামিন এবং খনিজে ভরপুর তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে তেল মাখারও কৌশল আছে। মাথায় শ্যাম্পু করার পরে চুল কিছুটা শুকোতে দিন। তার পরে মাথার ত্বকে ঈষদুষ্ণ তেল মালিশ করুন। আধ ঘণ্টা বা ১৫ মিনিট তেল রাখলেই হবে। তার পরে আবার স্নান করে নিন। সপ্তাহে ২-৩ দিন তেল মালিশ করলে, চুলের রুক্ষ ভাব দূর হবে। মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে, যা চুলের গোড়া মজবুত রাখার জন্য জরুরি।
পুষ্টি: চুলের সঙ্গে পু্ষ্টির গুরুতর সম্পর্ক রয়েছে। প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা এবং ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। মাছ, ডিম, পনির, ডাল, টাটকা সব্জি, শাক, বাদাম, বীজের মতো স্বাস্থ্যকর খাবার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় জুড়তে হবে।
রাসায়নিক এবং তাপের ব্যবহার: কেশসজ্জার জন্য নানা ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার হচ্ছে। তা ছাড়া চুল সোজা করতে কিংবা কোঁকড়া করতে বৈদ্যুতিক স্ট্রেটনার, কার্লার, টং যন্ত্রের ব্যবহারও বেড়েছে। এই ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে অতিরিক্ত তাপ দিয়ে চুলে পছন্দমতো কায়দা করা যায়। তবে যত বেশি তা ব্যবহার হবে ততই চুলের ক্ষতি। স্থায়ী ভাবে চুল মসৃণ, সোজা বা কোঁকড়া করালেও চুলের ক্ষতি হয়। ফলে চুল ঝরতে পারে।
ঘরোয়া টোটকা: চুলের যত্নে ঘরোয়া টোটকাও অনেক সময় খুব কাজ আসে। মেথি, কারিপাতা চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। তেলে এই দুই উপকরণ ফুটিয়ে মাথা যায়। এ ছাড়া ডিম, দই, অলিভ অয়েলের প্যাক ব্যবহার করলেও চুল ভাল থাকবে। মাখা যায় কলা, অলিভ অয়েলের প্যাকও।