ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
‘বাস্তু’ শব্দটি এসেছে বস্তু থেকে। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে যদি সঠিক দিকনির্দেশ মেনে চলা না হয়, সে ক্ষেত্রে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির প্রবেশে বাধা তৈরি হতে পারে বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। এর ফলে শান্তি ও উন্নতির ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। বাস্তুমতে, বাড়ির অবস্থান এবং প্রতিটি দিকের স্বতন্ত্র গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, পুরাণ অনুসারে প্রতিটি দিকের উপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কোনও না কোনও দেবতার। কেবল একটি দিকই ব্যতিক্রম, বলা হয়ে থাকে সে দিকে অধিষ্ঠান করে এক রাক্ষস। জেনে নিন কোন দিক সেটি—
নৈঋত, অর্থাৎ দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ। প্রচলিত বিশ্বাস মতে, এই দিকের অধিপতি হল নিঋতি নামের এক রাক্ষস। এর প্রতিনিধি গ্রহ রাহু। বাস্তুশাস্ত্রে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক বা নৈঋত কোণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত হয়। বাস্তুবিদেরা জানাচ্ছেন, এই দিকটি গৃহস্বামী এবং বাড়ির সদস্যদের স্বাস্থ্য এবং ভাগ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
শোয়ার ঘরটি বাড়ির এই দিকে করার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুবিদেরা। এ ছাড়া, টাকা এবং মূল্যবান নথি রাখেন যে সিন্দুকে সেটিও এই দিকে রাখতে পারেন। পুরনো ভারী আসবাবও রাখতে পারেন এই দিকে। ছাদের এই কোণে জলের ট্যাঙ্কি বসানোও শুভ বলে মনে করা হয়। অফিস বা দোকানের ক্ষেত্রে এই দিকে টাকার বাক্স রাখা যেতে পারে।
এই কোণে কোনও ঝরনা বা নদীর ছবি অথবা কৃত্রিম ফোয়ারা রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দিতে পারে। বাড়ির কোনও সদস্য দীর্ঘ অসুস্থতারও শিকার হতে পারেন বলে সাবধান করছেন বাস্তুবিদেরা।