গরমে চুল তেলচিটে হয়ে যাচ্ছে? কী ভাবে চুলের যত্ন নেবেন? ছবি:সংগৃহীত।
গরম কালে সকলে সানস্ক্রিন, ত্বকের কালচে হয়ে যাওয়া নিয়ে মাথা ঘামালেও, মাথার ত্বক নিয়ে তেমন ভাবনাচিন্তা করেন না। গরম মানে শুধু ঠা-ঠা রোদ নয়, বরং বাড়তি ঘামও। বিশেষত যে সব জায়গায় আর্দ্রতার মাত্রা বেশি, সেখানে সমস্যাও বেশি। কয়েক ঘণ্টা রোদে ঘোরাঘুরি করলেই চুল যেন তেলতেলে হয়ে যায়। মাথার ত্বকে ঘাম বসতে শুরু করে। শুরু হয় চুলকানি। ঝরতে থাকে চুলও। কেশচর্চা শিল্পীরা বলছেন, এমন পরিবেশে চুল ভাল রাখতে হলে, কী ভাবে চুল ধোয়া দরকার বা পরিচর্যা করা প্রয়োজন সেই কৌশল জেনে রাখা দরকার। কারণ, এই সময়ে মাথার ত্বকে সেবাম বা তৈল নিঃসরণ বেড়ে যায়। সেই কারণ, মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড এবং টি-ট্রি অয়েল সেবাম নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
প্রথম ধাপ: প্রতি দিন চুল ভিজিয়েই স্নান করতে হবে এমনটা নয়। তবে স্নান করার সময়ে মাথার ত্বক ভাল করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। যাতে তেল, ধুলো এবং ময়লা না থাকে। শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করতে হলে হালকা মাসাজ় করে নেওয়া ভাল।
দ্বিতীয় ধাপ: মাথার ত্বককে শ্বাস নিতে দেওয়া জরুরি। চুল খুব টেনে বাঁধলে মাথার ভিতরে ঘাম বসতে পারে। তার চেয়ে ভাল আলগা খোঁপা বা পনিটেল। গরমের সঙ্গে আর্দ্রতা বেশি থাকলে টুপি পরলেও ঘাম বেশি হবে। ফলে চুলে হাওয়া খেলতে দেওয়াই ভাল।
তৃতীয় ধাপ: গরম জলে চুল শুষ্ক হয়ে যায়। তাই ঈষদুষ্ণ জল বা ঠান্ডা জল চুলের জন্য ভাল। তবে জল যেন ঘরের তাপমাত্রায় থাকে। খুব ঠান্ডা জলও চুলের জন্য ভাল নয়।
চতুর্থ ধাপ: কেশসজ্জার জন্য নানা রকম স্প্রে, ক্রিম, সিরামের ব্যবহার হয়। কিন্তু যে কোনও প্রসাধনীরই অতিরিক্ত ব্যবহার চুলের ক্ষতি করতে পারে। চুল চিটচিটে করে তুলতে পারে। তাই যতটা প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই দেওয়া ভাল।
পঞ্চম ধাপ: আর্দ্র আবহাওয়ায় যেমন ঘামের জন্য চুল তেলচিটে হয়ে যায়, তেমনই চুলের আর্দ্রতার অভাব হতে পারে জল কম খেলে বা তরল খাবার খাদ্যতালিকায় কম থাকলে। টাটকা ফল, সব্জি, মাছ, ডিম চুলের জন্য ভাল।