রাজীব খন্ডেলবালের রূপচর্চা। ছবি: সংগৃহীত।
প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করেন বলিউড অভিনেতা রাজীব খণ্ডেলবাল। খাওয়াদাওয়া থেকে রূপচর্চা, কেশচর্চা, সবেতেই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের অভ্যাস তাঁর। এমন যাপন কিন্তু নতুন আমদানি নয় বা সমাজমাধ্যমের অনুপ্রেরণায় তৈরি নয়। বরং, শৈশব থেকে এ ভাবেই বড় হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের সৌন্দর্যচর্চার অভ্যাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বলি তারকা। একই ভাবে তাঁর রুটিনে দামি প্রসাধনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ঘরোয়া আর জৈব উপাদান।
সহজ এক পন্থা মেনে চলেন ‘আমির’ ছবির নায়ক। রাজীব জানিয়েছেন, তিনি ত্বকের জন্য খুব বেশি রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করতে পছন্দ করেন না। বরং যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক জিনিসের উপরেই ভরসা রাখেন। তাঁর মতে, শরীরের যত্ন ভিতর থেকে শুরু হয়। তাই শুধু বাহ্যিক যত্নে রূপ ধরে রাখা যায় না বলেই বিশ্বাস রাজীবের। খাবার আর যাপনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
অভিনেতা রাজীব খণ্ডেলবাল। ছবি: সংগৃহীত
তবে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন নেই রাজীবের। কারণ, বিশেষ এক পন্থা মেনে রূপচর্চা করে নেন তিনি। আর তা হল, খেতে খেতে পরিচর্যা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘আমার বাড়িতে যা যা জিনিস রয়েছে, তার সবই মোটামুটি প্রাক়ৃতিক। যেমন, মুলতানি মাটি রয়েছে আমার ঘরে। তা ছাড়া আমি যা যা খাই, সেগুলিই মুখে মেখে নিই। ধরুন, শসা খাচ্ছি, তা মুখেও মেখে নিলাম, বা টম্যাটো খাচ্ছি, সেটিও ত্বকে প্রয়োগ করে নিলাম।’’ অর্থাৎ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রূপচর্চা সারা হয়ে যায়।
ত্বকের যত্নে তিনি নিয়মিত ব্যবহার করেন ঘরোয়া উপাদান। রাজীব মস্করা করে জানিয়েছেন, তিনি সব কিছু নিয়ে এত পরীক্ষানিরীক্ষা করেন যে, তাঁর স্ত্রী নাকি বেশ বিরক্ত হয়ে যান। কিন্তু নিজের পন্থায় অনড় রয়েছেন বলিউড তারকা। ঠিক যে ভাবে ছোটবেলায় তাঁর খাবারের তালিকায় ছিল অঙ্কুরিত ডাল আর আমলকি। তখন হয়তো এগুলি ‘সুপারফুড’ বলে মনে হয়নি, কিন্তু এখন এই ধরনের খাবারই দীর্ঘ মেয়াদে শরীরকে ভিতর থেকে পোক্ত করে। জাঙ্ক ফুড খাওয়া কোনও দিনও শেখেননি রাজীব, আর সম্ভবত সে কারণেই তাঁর ত্বক আজও এত ভাল রয়েছে।