সারা তেন্ডুলকরের রূপচর্চা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
স্রোতে গা ভাসাননি সারা তেন্ডুলকর। এখন ত্বকচর্চা মানেই কোথাও ১০ ধাপের রুটিন, কোথাও আবার একের পর এক সিরাম, মাস্ক বা নতুন নতুন উপাদান ব্যবহার। অনেকেই ভাবেন, ত্বক ভাল রাখতে হলে খুব জটিল এবং দীর্ঘ রুটিনই দরকার। কিন্তু সচিন তেন্ডুলকরের কন্যা নিজের ত্বকের প্রয়োজন সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। এই বিষয়ে পড়াশোনা করে তবেই আলোচনার পক্ষপাতী তিনি। সারার মতে, ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে হাজারো পণ্যের প্রয়োজন নেই। বরং কয়েকটি মৌলিক বিষয় নিয়মিত মেনে চলাই আসল।
সচিন-কন্যার সৌন্দর্যচর্চা। ছবি: সংগৃহীত
বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন সারা। এখন পিলাটিজ় শরীরচর্চার অনুশীলন কেন্দ্র খুলেছেন তিনি। পাশাপাশি, পুষ্টিতত্ত্ব নিয়ে কাজ করছেন সচিন-কন্যা। ছোটবেলায় পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (পিসিওএস)-এ ভুগেছিলেন সারা, তাই ত্বকে ব্রণের সমস্যা লেগেই থাকত। প্রচণ্ড তৈলাক্ত ছিল তাঁর ত্বক। তাই খুব তাড়াতাড়ি সারা বুঝে গিয়েছিলেন, ত্বকের সঙ্গে শরীরের ভিতরের যোগ রয়েছে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, ‘‘ভাল খাওয়াদাওয়া করা, দেহের শক্তিবৃদ্ধি করা, সহজ ও সরল ত্বকচর্চা করার উপরই ভরসা রেখেছি আমি। তা ছাড়া চর্মরোগ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েছি। তুড়ি দিয়ে ত্বকের সমস্যা মেটানোর চেয়ে আমার ত্বকের ঠিক কী প্রয়োজন, সেটা বোঝার চেষ্টা করেছি।’’
সারা সাধারণত কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিসেই ভরসা রাখেন— মৃদু ক্লিনজ়ার, একটি ভাল ময়েশ্চারাইজ়ার এবং সানস্ক্রিন। এই কয়েকটি ধাপ নিয়মিত মেনে চলাই তাঁর রোজের ত্বকচর্চার মূল ভিত্তি।
সারার মতে, ত্বক ভাল রাখতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, ত্বককে নিস্তেজ করে দিতে পারে এবং অকাল বার্ধক্যের লক্ষণও বাড়াতে পারে। এই শিক্ষা ছোটবেলায় তাঁর মা অঞ্জলি তেন্ডুলকরের থেকেই পেয়েছেন সারা।