Skin Care Advice

রাসায়নিক শুধু বিজ্ঞানীর নয়, রূপচর্চারও দ্বিধাহীন সঙ্গী! ত্বকের সত্যি বন্ধু কি রেটিনল, স্যালিসাইলিক

জীবনচক্রের নিয়ম মেনে শৈশব থেকে কৈশোর, তার পর যৌবন হয়ে শেষে বৃদ্ধাবস্থায় পৌঁছোয় মানুষ। কিন্তু সেই স্বাভাবিক জৈবিক নিয়মকে কি সহজে মানতে পারেন সকলে? বয়স ত্রিশের কোঠা পেরোতে না পেরোতেই মাথায় শুধু একটাই চিন্তা— ‘আমাকে বুড়োটে দেখাচ্ছে না তো?’

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৩
Using retinol and salicylic acid without expert guidance can lead to skin damage

রেটিনল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড কি সত্যিই ত্বকের বয়স কমাতে পারে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বয়স কেবলই একটা সংখ্যামাত্র। কিন্তু, মনে ষোলো আনা দীর্ঘজীবী হওয়ার ইচ্ছে থাকলেও, তাতে বয়সের ছাপ মনে ফেলা চলবে না। এ তো গেল মন। কিন্তু আরও একটা সমস্যা রয়েছে। ‌টানটান উজ্জ্বল মুখ আয়নায় দেখতে কে না পছন্দ করে! তাই শরীরেও বয়সের ছাপ পড়তে দেওয়া যাবে না। জীবনচক্রের নিয়ম মেনে শৈশব থেকে কৈশোর, তার পর যৌবন হয়ে শেষে বৃদ্ধাবস্থায় পৌঁছোয় মানুষ। কিন্তু সেই স্বাভাবিক জৈবিক নিয়মকে কি সহজে মানতে পারেন সকলে? বয়স ত্রিশের কোঠা পেরোতে না পেরোতেই মাথায় শুধু একটাই চিন্তা— ‘আমাকে বুড়োটে দেখাচ্ছে না তো?’ আর সেই চিন্তা থেকেই বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দেওয়া শুরু। কার্যত ঠিক কবে থেকে বার্ধক্যের আরম্ভ, তা বলা দুষ্কর। আজ থেকে তিরিশ বছর আগেও পঞ্চাশের কোঠায় পা রেখে বাঙালি নারী সাদা শাড়িকেই আপন করে নিতেন। বাঙালি পুরুষ চল্লিশের পর থেকেই ‘যৌবন যায়, যৌবনবেদনা যে যায় না’-গোছের এক দার্শনিকতার দোটানায় ভুগতেন। কিন্তু বাজার অর্থনীতির কমলি নেহি ছোড়তি। যৌবনকে প্রলম্বিত করার হাজারটা উপকরণ সে সামনে তুলে ধরে।

Advertisement

সমাজমাধ্যম বা টেলিভিশন চ্যানেল খুললেই চোখে পড়ে বয়স কমানোর হাজারটা প্রসাধনীর বিজ্ঞাপন। ইদানীং যৌবন ধরে রাখার জন্য যে দু’টি উপকরণের ব্যবহার বেড়েছে, তাদের নাম রেটিনল আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিড। অ্যাসিড তো নয়, এ যেন দুধ, বেসন, দই, মধুর মতো হেঁশেলের একেবারে সাধারণ উপকরণ। বিজ্ঞাপন দেখেই রেটিনল আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিড মুখে মাখতে শুরু করে দিচ্ছেন অনেকেই। উদ্দেশ্য একটাই, ত্বক যেন একেবারে টানটান থাকে, জেল্লা যেন হয় ঠিক বড়পর্দার অভিনেত্রীদের মতো। আর সেই ফাঁকে এই দুই রাসায়নিক হয়ে উঠছে পারিবারিক সদস্যের সমতুল।

Using retinol and salicylic acid without expert guidance can lead to skin damage

বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই রেটিনল আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিড মুখে মাখতে শুরু করে দিচ্ছেন । সঠিক পদ্ধতি না জানলে উল্টো ফল হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত।

কার্যত, ৩০ পেরিয়ে যাওয়া মহিলাদের বুড়িয়ে যাওয়ার আতঙ্ককেই মূলধন করছে নামীদামি প্রসাধনী সংস্থাগুলি। ক্রিম, লোশন, সিরাম, ফেসওয়াশ— সবেতেই মেশানো হচ্ছে রেটিনল আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিডের মতো উপকরণ। এগুলি নাকি যৌবন ধরে রাখার দাওয়াই, ব্যবহার না করলেই চামড়া কুঁচকে যাবে, জেল্লাও হারিয়ে যাবে। সেই ফাঁদেই পা দিচ্ছেন মহিলারা। চড়া দাম দিয়ে রেটিনল আর স্যালিসাইলিক অ্যাসিড যুক্ত ক্রিম, সিরাম কিনে মাখতে শুরু করছেন। তবে মুখে অ্যাসিড মাখার আগে এক বারও ভেবে দেখছেন কি?

স্যালিসাইলিক অ্যাসিড হল বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (বিএইচএ), যা পাওয়া যায় উইলো-সহ একাধিক গাছের ছাল থেকে। এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে তেল জমে থাকা রন্ধ্র পরিষ্কার করে, মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকও নিয়ন্ত্রণ করতে এই অ্যাসিড উপকারী। অন্য দিকে, রেটিনল কিন্তু সরাসরি অ্যাসিড নয়। রেটিনলের মূল উপাদান হল ভিটামিন এ। এটি ত্বকে মিশে গিয়ে জারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রেটিনোয়িক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। বলিরেখা কমাতে এটি সাহায্য করে। ত্বকের স্বার্থে দু’টি উপাদানই উপকারী। তা হলে ক্ষতিটা কোথায়? চর্মরোগ চিকিৎসক কৌশিক লাহিড়ী বলেন, ‘‘সমাজমাধ্যম দেখে নিজের চিকিৎসা নিজে করা কিন্তু বড় বিপদের ব্যাপার। রেটিনল ত্বকের বলিরেখা দূর করতে, ত্বক মসৃণ করতে, দাগছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তবে সেটি কখন ব্যবহার করা উচিত বা কারা ব্যবহার করবেন না, তা না জেনেই রেটিনলযুক্ত ক্রিম, সিরাম ব্যবহার করে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময়েই রেটিনল মাখার পর মুখে লালচে ছোপ পড়ে যায়। কারণ, সবার ত্বকের জন্য রেটিনল ভাল নয়। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের ক্ষেত্রেও রেটিনল মাখতে বারণ করা হয়, কারণ এতে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। তা ছাড়া বয়স এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী রেটিনলের মাত্রা কেমন হবে, তা নির্ধারণ করতে পারেন একমাত্র চিকিৎসকেরাই। ৫০ বছর বয়সি কোনও মহিলা যদি রেটিনল মেখে ভাবেন, তাঁর ২৫-এর তরুণীর মতো চামড়া হয়ে যাবে, তা হলে প্রথমেই বলে দিই, সেটা মোটেও সম্ভব নয়। ঠিক একই ভাবে স্যালিসাইলিক অ্যাসি়ডও ব্রণ সারাতে ভীষণ উপকারী। তবে শুষ্ক কিংবা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই অ্যাসিড মোটেও ভাল বিকল্প নয়। তাই কোনটা আপনার ত্বকের জন্য ভাল, সেটা বিজ্ঞাপন দেখে ঠিক না করে চিকিৎসকদের উপরে ভরসা রাখাই কিন্তু ভাল।’’

Using retinol and salicylic acid without expert guidance can lead to skin damage

কী করে বুঝবেন আপনার ত্বক অনুযায়ী রেটিনল বা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড কতটা দরকারি? ছবি: সংগৃহীত।

যে কোনও কেমিক্যাল মুখে মেখে নিলেই হল না, কোন সময় মাখবেন আর কারাই বা মাখবেন, সেটা জানাও ভীষণ জরুরি। রেটিনলের ক্ষেত্রে সময়ের হেরফেরে বিপদ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এস্থেটিক স্পেশ্যালিস্ট সার্জন নৃপেন্দ্র গুহের মতে, ‘‘রেটিনল সকালে মাখার ক্রিম নয়, এই তথ্যটা অনেকে না জেনেই ব্যবহার করতে শুরু করেন। আমরা সাধারণত স্যান্ডউইচ পদ্ধতিতে রেটিনল ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকি। অর্থাৎ, আগে ময়শ্চারাইজ়ার, তার পর রেটিনল এবং শেষে আবার ময়শ্চারাইজ়ার। রেটিনল মেখে রোদে বেরিয়ে পড়লে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। রেটিনলের সঙ্গে সানস্ক্রিন কিন্তু মাস্ট। তাই রাতে রেটিনল মাখার পর ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিলেও সানস্ক্রিন না মেখে বাইরে যাওয়া চলবে না।’’ সবার ত্বকের জন্য কিন্তু সব কেমিক্যাল নয়। অনেকের ত্বকেই স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সহ্য হয় না। নৃপেন্দ্রর কথায়, ‘‘যাঁদের ত্বক অ্যাসিড সহ্য করতে পারে না, তাঁদের ক্ষেত্রে আমরা প্রেপটাইড ব্যবহার করি। এটা অ্যাসিডের মতো প্রভাব ফেলে না ত্বকে। তবে কাদের ত্বকে অ্যাক্টিভ অ্যাসিড ব্যবহার করা যাবে আর কাদের ক্ষেত্রে প্রেপটাইডে কাজ হবে, সেটা কিন্তু একজন চিকিৎসকই বলতে পারবেন। তাই ত্বকে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড মাখার মতো ভুল করার আগে নিজের ত্বকের ধরনটা বোঝা দরকার। আর সেটার জন্য চাই ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা।’’ নৃপেন্দ্রের মতে, বাজারে যে যে প্রসাধনীতে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড বা রেটিনলের মতো উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলিতে এত কম মাত্রায় এই উপকরণগুলি থাকে যে তাতে কোনও রকম লাভ হয় না। উল্টে যাঁর ত্বকে ক্ষতি হওয়ার, সেই ক্ষতিটা হয়ে যায় মারাত্মক।

রেটিনল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিডের মতো যৌগগুলি সঠিক ভাবে ত্বকে প্রয়োগ করলে উপকার অনেক। তবে সমস্যাটা হল প্রয়োগের সঠিক উপায় না জেনেই সেগুলির দেদার ব্যবহার। ভারতীয় বাজারে যে যে প্রসাধনীতে রেটিনল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিডের মতো উপকরণ মেশানো হচ্ছে, সেগুলির বাক্সে কোথাও উল্লেখ থাকে না যে, ঠিক কত মাত্রায় তাতে উপকরণগুলি মেশানো হচ্ছে। লেখা থাকে না, কারা সেটি ব্যবহার করবেন আর কারা ব্যবহার করবেন না। স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ এখন কোনও প্যাকেটজাত খাবার কেনার আগে প্যাকেটের পিছনে লেখা উপকরণগুলি দেখে তবেই কিনছেন। তবে মুখে কিছু মাখার আগে সেই তৎপরতাটা চোখে পড়ছে না এখনও। বরং বিজ্ঞাপনের প্রচারের স্রোতে মানুষ গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন অবলীলায়। চর্মরোগ চিকিৎসক সন্দীপন ধর বলেন, ‘‘ভারতে কোন ওষুধকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণ করে ডিসিজিআই (ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া) আর সিডিএসসিও (সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অরগানাইজ়েশন) নামক দুই সংস্থা। তবে দুঃখের বিষয় হল, কসমেটিক বা প্রসাধনী সামগ্রীর ক্ষেত্রে এমন কোনও সংস্থার নজরদারি থাকে না ভারতে। ইউরোপের ফ্রান্স, ইটালির মতো বেশ কিছু দেশে এমন সংস্থা আছে, যারা কসমেটিক আর বিউটি প্রোডাক্টের গুণগত মান যাচাই করে তার পর সেগুলি বাজারে নিয়ে আসার ছাড়পত্র দেয়। বেশির ভাগ বিদেশি প্রসাধনীর প্যাকেটের পিছনে সেই নির্দিষ্ট প্রসাধনীতে কী কী উপকরণ ব্যবহার করা হয়, তার কম্পোজিশন আর পারসেন্টেজ লেখা থাকে। ভারতীয় কসমেটিক আর বিউটি প্রোডাক্টগুলির বাক্সের গায়ে কিন্তু এ রকম কোনও উল্লেখই থাকে না। ওষুধের মতো কসমেটিক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রেও সেই ছাঁকনিটা থাকা ভীষণ জরুরি। আমাদের দেশেও যত শীঘ্র সম্ভব প্রসাধনীগুলির গুণমাণ পরীক্ষা করে দেখার মতো সংস্থা গঠন করাটা ‘মাস্ট’।’’

রোজের ত্বক পরিচর্যায় রেটিনল, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড কতটা দরকারি?

দীপিকা পাড়ুকোন ১০ ধাপে ত্বকের পরিচর্যা করেন, কৃতি শ্যানন মুখে মাখেন বাহারি প্রসাধনী— সমাজমাধ্যম খুললেই এমন নানা খবর চোখে পড়ে। পড়বে না-ই বা কেন, তাঁদের প্রত্যেকের নিজস্ব প্রসাধনী সংস্থা আছে, তাঁরা তো প্রচার করবেনই। এ ছাড়া প্রসাধনী সংস্থাগুলির জন্য প্রচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তাই আয়ের স্বার্থে নিজেদের প্রসাধনী সংস্থার প্রশংসা তো করতেই হবে তাঁদের। তবে এর মাঝে বিপাকে পড়ছে আমজনতা। প্রিয় নায়ক-নায়িকার আশ্বাসে অন্ধ হয়ে তাঁরা অজান্তেই রেটিনল, স্যালিস্যাইলিক অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলি মুখে মেখে নিচ্ছেন, আর তাতেই বাড়ছে সমস্যা। চিকিৎসকদের মতে, রেটিনল, স্যালিস্যাইলিক অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলি রোজের ব্যবহারের জন্য একেবারেই নয়। কোনও নির্দিষ্ট ত্বকের সমস্যায় সেগুলিকে ত্বকে প্রয়োগ করা যেতে পারে, সমস্যা মিটে গেলে তাদের কাজ শেষ। তবে সেই খবর ক’জন আর রাখেন! দিনের পর দিন ধরে মুখে মেখে চলেছেন রেটিনল, স্যালিস্যাইলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্রিম, সিরাম। ভাবছেন বুঝি, ত্বকের দারুণ উপকার হচ্ছে। আদতে কিন্তু সময় আর অর্থের অপচয় ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। লাভের আশায় ত্বকের ক্ষতি করে ফেলছেন নিজের হাতেই। চর্মরোগ চিকিৎসক কৌশিক লাহিড়ী বলেন, ‘‘ত্বকে কোনও রকম সমস্যা না থাকলে কেবল মাত্র তিনটি উপকরণ দিয়েই সেরে ফেলতে পারেন ত্বকের পরিচর্যা। ময়েশ্চারাইজ়ার, মাইল্ড ফেসওয়াশ আর সানস্ক্রিন। ব্যস, তাতেই হবে। আর যদি কোনও রকম সমস্যা লক্ষ করেন, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই মেডিকেটেড ক্রিম, লোশন ব্যবহার করুন। জেনে নিতে হবে, সেগুলি প্রয়োগ করার সঠিক সময় আর কৌশল।’’

বিজ্ঞাপনে নায়িকাদের কোমল, জেল্লাদার, টানটানে ত্বক দেখে ভাবছেন বুঝি তাঁরা রেটিনল, স্যালিস্যাইলিক অ্যাসিডের মতো উপাদান মেখেই যৌবন ধরে রেখেছেন। বিষয়টি খুব ভুল না হলেও তাঁরা কিন্তু চিকিৎসকের ক্লিনিকে গিয়ে বিউটি ট্রিটমেন্ট করাচ্ছেন। প্রসাধনী মেখে রাতারাতি তাঁদের ভোল পাল্টে ফেলেননি। তাই রূপচর্চার জন্য বিনিয়োগ করতে হলেই চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সমস্যার কথা জানিয়ে ট্রিটমেন্ট করানো যেতে পারে। তবে যে সব প্রসাধনী সংস্থা গায়ের রং ফর্সা করার, যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় বড় দাবি করছে, তাদের ফাঁদে না পড়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

Advertisement
আরও পড়ুন