Priyanka Chopra Skin Treatment XERF

ত্বকের ভিতরে তাপ! চামড়া ‌ঝুলে যাওয়া রোধ করতে নয়া ট্রিটমেন্ট করালেন প্রিয়ঙ্কা, কী এই জ়ার্ফ

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেন ও ইলাস্টিনের উৎপাদন কমতে থাকে। এই দু’টি উপাদানই ত্বকের দৃঢ়তা ও টানটান ভাব বজায় রাখতে পারে। এই দুই উপাদানের অভাবে ধীরে ধীরে চাম়়ড়া ঝুলে যেতে শুরু করে। তখন জ়ার্ফ ব্যবহার করা যেতে পারে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১৫:২৮
ত্বকে তারুণ্য ফেরাতে কী করালেন প্রিয়ঙ্কা?

ত্বকে তারুণ্য ফেরাতে কী করালেন প্রিয়ঙ্কা? ছবি: সংগৃহীত।

বয়স ৪৩ বছর। ধীরে ধীরে শরীরে ও ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ছে। চোখে-মুখে যে তারুণ্যের জেল্লা ছিল, তা ক্রমে উধাও হচ্ছে। আর এমন সময়েই নানা ধরনের ট্রিটমেন্টের দিকে ঝোঁকেন অনেকে। বলিউড ও হলিউড তারকা প্রিয়ঙ্কা চোপড়াই বা কেন ত্বকচর্চায় পিছিয়ে থাকবেন? সৌন্দর্যচর্চার জগতে নতুন কোনও পদ্ধতি এলেই তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। আর তাতে যদি কোনও তারকা সিলমোহর দিয়ে দেন, তা হলে তো কথাই নেই!

Advertisement

তেমনটাই হয়েছে জ়ার্ফ-এর ক্ষেত্রেও। ত্বক টানটান করার এক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিশ্ব জুড়ে সমাজমাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। বয়সের ছাপ কমানো, ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখা এবং অস্ত্রোপচার ছাড়াই মুখের গঠনে তারুণ্য ফিরিয়ে আনা হয়। সম্প্রতি প্রিয়ঙ্কাও জ়ার্ফের মাধ্যমে ত্বকচর্চা করালেন।

বলিউড ও হলিউড তারকা প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

বলিউড ও হলিউড তারকা প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেন ও ইলাস্টিনের উৎপাদন কমতে থাকে। এই দু’টি উপাদানই ত্বকের দৃঢ়তা ও টানটান ভাব বজায় রাখতে পারে। এই দুই উপাদানের অভাবে ধীরে ধীরে চাম়়ড়া ঝুলে যেতে শুরু করে। সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখা দেখা দিতে পারে মুখে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই অস্ত্রোপচারও করান। তবে জ়ার্ফ ঠিক তেমনটা নয়।

জ়ার্ফ ট্রিটমেন্ট আদপে কী?

চামড়া টানটান করার নতুন এক পদ্ধতি জ়ার্ফ। এতে কোনও কাটাছেঁড়া অর্থাৎ অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। এই পদ্ধতিতে একটি যন্ত্রের মাধ্যমে রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ত্বকের গভীর স্তরে মৃদু তাপ দেওয়া হয় এতে। এই তাপ ত্বকের ভিতরে কোলাজেন প্রোটিন তৈরি করে। ফলে চামড়া ঝুলে যাওয়ার প্রবণতা কমে। আবার টানটান, মসৃণ এবং তরুণ দেখায় চেহারা।

চামড়া টানটান করার নতুন এক পদ্ধতি জ়ার্ফ।

চামড়া টানটান করার নতুন এক পদ্ধতি জ়ার্ফ। ছবি: সংগৃহীত

যাঁদের ত্বকে বলিরেখা পড়ে গিয়েছে, চামড়া ঝুলে যাচ্ছে, চোয়ালের ধারালো ভাব কমে আসছে, টানটান ভাব কমে আসছে, তাঁদের জন্য এই ট্রিটমেন্ট কার্যকরী হতে পারে। তা ছাড়া অস্ত্রোপচারের দিকে যাঁরা পা বাড়াতে চান না, তাঁরা এটা প্রয়োগ করতে পারেন। এই ধরনের পদ্ধতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল ফল সঙ্গে সঙ্গে পুরোপুরি দেখা যায় না। কারণ শরীরকে নতুন কোলাজেন তৈরি করতে সময় লাগে। সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তন চোখে পড়তে পারে।

তবে এটি কোনও জাদুকরী সমাধান নয়। চামড়া অত্যধিক ঝুলে গেলে এই ট্রিটমেন্ট কাজ না-ও করতে পারে। আর সকলের ত্বক এক নয়, তা ছাড়া শারীরিক অবস্থার কথাও মাথায় রাখা জরুরি। তাই এই ট্রিটমেন্ট সব ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া জ়ার্ফের দিকে ঝোঁকা উচিত নয়।

Advertisement
আরও পড়ুন