Reasons of Body Acne

কেবল মুখে নয়, অন্যত্রও দেখা দিতে পারে ব্রণ! নেপথ্যে রয়েছে সাধারণ এক অভ্যাস, সতর্ক হোন দ্রুত

পরিবেশের ধুলোবালি ও ঘামের কারণে দেহের নানা অংশের ব্রণ ভোগান্তির কারণ হয়ে ওঠে। চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, সমস্যার বড় অংশই লুকিয়ে রয়েছে রোজের অভ্যাসে। সে ক্ষেত্রে কী করলে শরীরের ব্রণ থেকে মুক্তি মিলবে?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৩:০৪
শরীরভর্তি ব্রণ থাকলে কী ভাবে মুক্তি পাবেন?

শরীরভর্তি ব্রণ থাকলে কী ভাবে মুক্তি পাবেন? ছবি: সংগৃহীত।

মুখে ব্রণের সমস্যা নিয়ে কম-বেশি সকলেই সচেতন। এ দিকে শরীরের অন্যান্য অংশে হওয়া ব্রণ অনেক সময়ে অবহেলার পাত্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে গরমের সময়ে এই সমস্যা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। পিঠে, কাঁধে বা বুকের উপর ছোট ছোট ব্রণ দেখা দিতে পারে এ সময়ে। মুখের ত্বকচর্চার জন্য হাজারো রুটিন থাকলেও, শরীরের ত্বক ততটা গুরুত্ব পায় না। অথচ পরিবেশের ধুলোবালি ও ঘামের কারণে দেহের নানা অংশের ব্রণ ভোগান্তির কারণ হয়ে ওঠে।

Advertisement

চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, সমস্যার বড় অংশই লুকিয়ে রোজের অভ্যাসে। বিশেষত, জিমে বা বাড়িতে শরীরচর্চার পর ঘামে ভেজা জামা পরে বসে থাকা। তায় যদি পরনে থাকে আঁটোসাঁটো পোশাক বা সিন্থেটিক কাপড়, তা হলে সমস্যা আরও বাড়ে। এই কাপড়গুলি ত্বকের উপর তাপ সৃষ্টি করে, ঘাম আটকে রাখে এবং ত্বক নিঃশ্বাস নিতে পারে না। ফলে তৈরি হয় ঘর্ষণজনিত ব্রণ, যাকে বলা হয় ‘অ্যাকনে মেকানিকা’। ঘাম যখন ত্বকের তেল, মৃত কোষ আর ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে মিশে যায়, তখন তা রোমকূপ বন্ধ করে দেয়। সেখান থেকেও তৈরি হয় ব্রণ।

ব্রণ হতে পারে সারা গায়েই।

ব্রণ হতে পারে সারা গায়েই। ছবি: সংগৃহীত

জিম থেকে ফিরে বা বাইরে থেকে ঘেমে এসে অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে জামা বদলান না। এই অভ্যাসই সবচেয়ে ক্ষতিকর। ঘাম, তেল আর ময়লা ত্বকের উপর জমে থাকে, কাপড় সেই আর্দ্রতা আটকে রাখে, এমন পরিবেশে ব্যাক্টেরিয়া দ্রুত বাড়তে শুরু করে— এই পরিস্থিতি ব্রণ হওয়ার জন্য একেবারে আদর্শ। তা ছাড়া ভারী বা তৈলাক্ত বডি লোশন ব্যবহার করে করে রোমকূপ বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায় এই গরমে। এমন অবস্থায় বার বার ঘাম মুছতে গিয়ে ত্বক ঘর্ষণের শিকার হয়। এতে জ্বালা ও সংক্রমণ বাড়ে।

রোদে পোড়া, ঘাম আর দূষণের সংস্পর্শে আসা শরীরের ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর। তা সত্ত্বেও উপযুক্ত ত্বকচর্চার অভাবে এর প্রাকৃতিক সুরক্ষার স্তর দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু অভ্যাস বদলালে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়—

· শরীরচর্চার পর বা অন্য কোনও কারণে ঘাম হওয়ার পর দ্রুত স্নান করুন।

· ঘামে ভেজা জামা সঙ্গে সঙ্গে বদলে ফেলুন।

· ঢিলেঢিলা ও বাতাস চলাচল করে এমন কাপড় পরুন।

· হালকা, নন-কমেডোজেনিক প্রসাধন ব্যবহার করুন, এগুলি ত্বকের রোমকূপ বন্ধ না করেই যত্ন নেয়।

· ত্বক পরিষ্কার রাখুন, কিন্তু অতিরিক্ত ঘষাঘষি করবেন না ত্বকের উপর।

Advertisement
আরও পড়ুন