রান্নাঘর ততটাও গরম হবে না গরমকালে। কী ভাবে তা সম্ভব? ছবি:সংগৃহীত।
গরমে এমনিতেই গলদঘর্ম অবস্থা, তার উপরে রান্নাঘরে আগুনের তাতে রান্না! বিষয়টি যে কতটা কঠিন, তা জানা আছে অনেকেরই। গরম বলে তো রান্নার ছুটি হতে পারে না! তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। রান্নাঘর যদি ঠান্ডা রাখা যায়, হতে পারে মুশকিল আসান। কোন পন্থায় এই গরমে কষ্ট কমিয়ে রাঁধা যাবে, ততটাও তেতে উঠবে না হেঁশেল?
১। গ্যাস অভেনের বদলে রান্নার জন্য ব্যবহার করুন এয়ার ফ্রায়ার কিংবা মাইক্রোওয়েভ অভেন। তা হলে সরাসরি আগুনের সমানে দীর্ঘ ক্ষণ দাঁড়াতে হবে না। কিংবা রান্নার খানিকটা কাজ মাইক্রোওয়েভ অভেনের সাহায্যে করা যেতে পারে। তাতে আগুনের সামনে রান্না করার ঝক্কি খানিক কমবে। রান্নাঘরে গ্যাস অভেন কম জ্বললে, তাতবেও কম।
২। রান্না করে নিন সকাল বেলাতেই, বাইরে যখন রোদের তাপ অপেক্ষাকৃত কম থাকবে। বেলা বাড়লে, রোদ চড়বে, রান্নাঘরও গরম হয়ে যাবে। রান্নাঘরে বড় জানলা থাকলে, সেগুলি খুলে দিন। আলো-হাওয়া খেললে গুমোট বা ভ্যাপসা ভাব কাটবে।
৩। রান্নাঘরে রাখুন সবুজের ছোঁয়া। পোথোস, মানিপ্ল্যান্ট বা সাধারণ ছোটখাটো গাছ রান্নাঘরের অন্দরসজ্জায় ব্যবহার করতে পারেন। সবুজ যেমন চোখের আরাম দেয়, তেমনই রান্নাঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৪। মেনুতেও কিঞ্চিৎ বদল আনা যেতে পারে। ভাপা খাবার রান্না করুন। সে ক্ষেত্রে মশলা মাখিয়ে ভাপে বসিয়ে দিলেই হল। সর্ব ক্ষণ আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে কষিয়ে রান্নার দরকার হবে না। এ ছাড়া, স্যালাড বা সহজে রান্না হয়, এমন পদ তালিকায় রাখুন।
৫। রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন এবং ফাঁকা রাখলেও কাজ হবে। হেঁশেল যত জবরজং থাকে, এলোমেলো জিনিসপত্রে ভর্তি থাকবে, তত দ্রুত গরম হবে। রান্নাঘর যত ফাঁকা থাকবে, হাওয়া খেলবে বেশি। কাজ করতে সুবিধা হবে।