3 Wall Rule

ছবি, শিল্পকর্ম দিয়ে ঘর সাজাবেন? কাজে আসতে পারে অন্দরসজ্জার ‘৩ দেওয়াল নীতি’, কী এর অর্থ

ছবি, কাঠের প্যানেল, স্টাকোর কাজ বা মূর্ত-বিমূর্ত শিল্প দিয়ে দেওয়াল ভরালেই হয় না, তা দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠছে কি না, বোঝা জরুরি। সেই কাজটি সহজ করে দিতে পারে ‘তিন দেওয়াল নীতি’।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০৯

ছবি: এআই।

ঘর সাজানোর জন্য যেমন ভাস্কর্য, মূর্তি ব্যবহার হয়, তেমনই দেওয়ালসজ্জায় কখনও ব্যবহার হয় স্টাকোর কাজ, কখনও বা বিমূর্ত শিল্প। থাকে ছবিও। কিন্তু সুন্দর শিল্পকর্ম থাকা মানেই কি সুন্দর অন্দরসজ্জা?

Advertisement

এগুলি নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা বলছেন, ছবি, কাঠের প্যানেল, স্টাকোর কাজ বা মূর্ত-বিমূর্ত শিল্প দিয়ে দেওয়াল ভরালেই হয় না, তা দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠছে কি না, বোঝা জরুরি। কখনও কখনও রাখার ভুলেই কোনও শিল্পের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হয়ে যায়। কখনও দেওয়াল জুড়ে ছবির বা শিল্পের বিন্যাস বড় উচ্চকিত ঠেকে।

কিন্তু চোখের আরাম, শিল্পের সৌন্দর্য প্রকাশে কখনও কখনও শূন্যস্থানেরও প্রয়োজন হয়। বড় একটি শিল্পকর্ম বা ছবি— সেটি কোন দেওয়ালে রাখবেন, কী ভাবে রাখবেন, তার উপরেও নির্ভর করে অন্দরসজ্জা। সেটা বুঝতেই সাহায্য করে ৩ দেওয়াল নীতি।

অ্যাঙ্কর ওয়াল: দরজা দিয়ে ঢোকার পর যে দেওয়ালটিতে আগে চোখ যায়, সেখানেই রাখুন সবচেয়ে সুন্দর বড় শিল্পকর্মটি। দেওয়ালের মাঝ বরাবর তা রাখা দরকার, যাতে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু সেটিই হয়। সেই ছবির নীচে কোনও আসবাব বা সোফা থাকলেও, ছবির নীচে যেন অন্তত কয়েক ইঞ্চি ফাঁক থাকে। ছবির চারপাশে যথেষ্ট জায়গা থাকা দরকার।

দ্বিতীয় দেওয়াল: প্রথম দেওয়ালে চোখ যাওয়ার পর দৃষ্টি অন্য যে দেওয়ালের দিকে ঘুরতে পারে সেখানেও রাখতে পারেন কোনও কাঠের প্যানেল বা ছবি। তবে তা যেন প্রথম দেওয়ালের শিল্পকর্মের আকারের চেয়ে খানিক ছোট, তুলনামূলক কম উজ্জ্বল হয়।

তৃতীয় দেওয়াল: ঘরের তৃতীয় দেওয়ালে রাখতে হবে অপেক্ষাকৃত কম আকর্ষণীয়, একটু ছোট কোনও ছবি বা শিল্পকর্ম। যেখানে চোখ খানিক বিশ্রাম নিতে পারে।

চতুর্থ দেওয়ালটি হবে একেবারে ফাঁকা। এখানে জবরজং কোনও কিছুই রাখা যাবে না। কারণ, এই দেওয়ালটি ঘরের শিল্পসৌন্দর্য স্থাপনের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করবে। ঘরে যদি প্রতিটি শিল্পকর্ম বা ছবি ঢাউস আকারের হয়, তা হলে কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখবেন, তা নিয়ে প্রচ্ছন্ন প্রতিযোগিতা চলতে পারে। কিন্তু দৃষ্টিনান্দনিকতার ক্ষেত্রে চোখের আরাম বলেও একটাা ব্যাপার আছে। সেই নিয়ম না মানলে শিল্পও ক্লান্তিকর ঠেকতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন