Jackie Shroff’s Parenting Advice

ছেলেমেয়েরা অবাধ্য হবে না, মুখে মুখে তর্কও করবে না, অভিভাবকদের সহজ কৌশল শেখালেন জ্যাকি শ্রফ

এখনকার দিনে ছেলেমেয়েরা কথা শুনতে চায় না, এমন অভিযোগ অনেক বাবা-মায়েরই। তারা নিজের মর্জিমতো চলতে পছন্দ করে, মুখে মুখে তর্কও করে। সন্তান যদি অবাধ্য হয়ে ওঠে, তা হলে সহবত কী ভাবে শেখাবেন, তার সহজ টোটকা বলে দিলেন অভিনেতা জ্যাকি শ্রফ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ১৭:১৭
Want Your Child to listen, Jackie Shroff Shares the Ultimate Parenting Trick

সন্তান কথা শুনবে, সব কথা মেনেও চলবে, জ্যাকি শেখালেন সহজ টোটকা। ফাইল চিত্র।

সন্তান সব কথা শুনবে। আপনার কথা মেনেও চলবে। অবাধ্য হবে না একেবারেই। কী ভাবে তা সম্ভব, সে কৌশল শিখিয়ে দিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা জ্যাকি শ্রফ।

Advertisement

সন্তান খুব জেদি-একগুঁয়ে হয়ে যাচ্ছে, কোনও কথাই শুনতে চাইছে না, এমন অভিযোগ অনেক বাবা-মায়েরই। তবে সন্তান কেন জেদি হচ্ছে, তার নেপথ্যের কারণ খোঁজা সবচেয়ে আগে জরুরি। সাম্প্রতিক নানা গবেষণা দেখিয়েছে, বাবা-মা যদি খুব বেশি শাসনে রাখেন, সারাক্ষণ সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তা হলেই মুশকিলটা হয়। তাই সন্তানকে সহবত শেখাতে হলে, সবচেয়ে আগে অভিভাবকদের সংযত হতে শিখতে হবে, এমনই মত জ্যাকির। তাঁর পরামর্শ, সন্তান তখনই আপনার কথা শুনবে, যখন আপনি তার কথায় গুরুত্ব দেবেন। ধৈর্য ধরে তার সব কথা শুনতে হবে, শাসনের বোঝা চাপিয়ে দিলে হবে না। তা হলেই সন্তান বাবা-মায়ের মধ্যে ভরসার জায়গা খুঁজে পাবে। এই বিশ্বাস তৈরি হলেই তখন সে বাবা-মায়ের সব কথা শুনে চলবে। ব্যক্তিগত সমস্যার কথাও খোলাখুলি বলতে পারবে।

জ্যাকি জানিয়েছেন, সন্তানকে সুস্থ পরিবেশে বড় করে তোলাই আসল কথা। সে জন্য বাড়ির ভিতরে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। ছোটদের কথা মন দিয়ে শুনতে হবে। তা হলেই তারা বড়দের কথায় গুরুত্ব দেবে। না হলে ঘরের কথা বাইরে বলা শুরু করবে। অন্যের পরামর্শ নিয়ে চলতে গিয়ে খারাপ পথে পা বাড়াবে।

জ্যাকি শ্রফের বক্তব্যকে সঠিক বলে মনে করেছেন অনেক মনোবিদই। তাঁরা জানাচ্ছেন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করতে শিখতে হবে বাবা-মায়েদের। বাবা-মায়েদের অনেক সময়েই মনে হয়, সন্তান যা বলছে তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাস্তব চিত্র বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে শিশু মানসিক চাপে ভুগছে বা যৌন নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছে, সে সবচেয়ে আগে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার উপরে বাবা-মায়ের অবিশ্বাস তাকে আরও অন্ধকারে ঠেলে দেয়। ছোট থেকেই খুব কড়া শাসনে রাখলে, শিশু কথা তো শুনতেই চাইবে না, বরং বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হবে। অনেক বেশি জেদি ও একগুঁয়ে হয়ে উঠবে শিশু। মনোবিদদের পরামর্শ, শিশুর সব কথায় বা কাজে ‘না’ বলা ঠিক নয়। তাকে তার মতো কাজ করতে দিন। তবে সতর্ক নজর রাখুন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিন। তা হলেই দেখবেন নিজের ঠিক বা ভুলগুলি থেকে নিজেই শিখে যাবে।

Advertisement
আরও পড়ুন