ব্যাগ গুছিয়ে ফেলুন নিয়ম মেনে। ছবি: সংগৃহীত।
বেড়াতে যেতে ভালবাসলেও স্যুটকেস গোছানোর কথা ভাবলেই যেন গায়ে জ্বর আসে অনেকের। ব্যাগে কী ভরবেন আর কী ভরবেন না, বোঝা দায়। দেশীয় সফরের বিমানে মাথাপিছু মালপত্রের ওজন ১৫ কিলো ছাড়ালেই দিতে হয় বাড়তি টাকা। আগে থেকে স্যুটকেস ভর্তি করে নিলে, যেখানে বেড়াতে যাচ্ছেন, সেখান থেকে কেনাকাটা করতেও সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত মালপত্রের জন্য বাড়তি টাকা দিতে বড্ড গায়ে লাগে! কী ভাবে ব্যাগ গোছালে ছোট স্যুটকেসেও অনেকটা জামাকাপড় ভরে ফেলতে পারেন, রইল হদিস
১) স্যুটকেস গোছানোর সময় জামাকাপড় মুড়িয়ে রাখুন। ব্যাগে সঠিক ভাবে মুড়িয়ে জামাকাপড় রাখতে পারলে আপনার জায়গাও বাঁচবে আর ভাঁজও পড়বে না।
২) প্যাকিং কিউবও ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের কিউব জিনিসপত্র জায়গায় রাখার জন্য সুবিধেজনক। এই প্রকার প্যাকিং কিউব ব্যবহার করলে অল্প জায়গায়তেও অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে নিতে পারেন।
৩) পোশাক সরাসরি একটির উপর অন্যটি না চাপিয়ে পলিথিনের ব্যাগে রাখুন, এক-একটি স্তরের মাঝেমাঝে। তার পর ভ্যাকিউম ক্লিনারের সাহায্য পলিব্যাগের ভিতরের সমস্ত বায়ু বার করে নিন। অনেকটা জায়গা বাঁচবে।
৪) একটি একটি অরগানাইজ়ারে এক এক ধরনের জামা-কাপড় ভরে রাখুন। জামাকাপড় সরাসরি ব্যাগে না ভরে অরগানাইজ়ারে ভরে নিলে হাতের কাছে সব জিনিস গোছানো থাকবে আর ব্যাগে জায়গাও বাঁচবে।
৫) একটি অতিরিক্ত ফোল্ডিং ব্যাগ রাখুন সঙ্গে। মনে রাখবেন, ব্যাগটি যেন অবশ্যই হালকা হয়, যাতে গুটিয়ে মূল ব্যাগের সঙ্গে নিয়ে নেওয়া যায়। অনেক সময় বাইরে ঘুরতে গেলে টুকিটাকি কেনাকাটা করতেই হয়। সেই সব বাড়তি জিনিসপত্রের জন্য আলাদা ব্যাগ নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। প্রয়োজনে ‘হ্যান্ড লাগেজ’ হিসেবেও ব্যাগটি নিয়ে আসতে পারেন।