ইরান যুদ্ধে ‘লেজে-গোবরে’ আমেরিকা! রণক্ষেত্র ছেড়ে ‘পালাতে’ মধ্যস্থতার হিসাব কষছে ওয়াশিংটন। কিন্তু, দমতে রাজি নয় ইজ়রায়েল। তেহরানে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ করে যাচ্ছে ইহুদি বিমানবাহিনী। সাবেক পারস্যের যাবতীয় রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতৃত্বকে খতম করাই যে তাঁদের মূল লক্ষ্য, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এ-হেন পরিস্থিতিতে খবরের শিরোনামে একটাই নাম। পশ্চিম এশিয়ার লড়াইয়ে যাবতীয় ‘লাভের গুড়’ নাকি জমা পড়ছে তাঁরই অ্যাকাউন্টে!
তিনি, ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বে়ঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইহুদি রাষ্ট্রে ‘বিবি’ নামে (ডাকনাম) যাঁর সর্বাধিক পরিচিতি। বিশ্লেষকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট যুদ্ধে ঘরে-বাইরে মিলিয়ে তিন দিক থেকে লাভবান হচ্ছেন তিনি। প্রথমত, লড়াইয়ের জেরে প্রবল জাতীয়তাবাদের বাতাসে ভর করে নিজের রাজনৈতিক ছবি পুরোপুরি শুধরে নিয়েছেন নেতানিয়াহু। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় দিতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। ফলে ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে তুলনা শুরু হয়েছে তাঁর।
চলতি বছরের ২৩ মার্চ রক্ষণশীল সাংবাদিক চার্লস মুরের লেখা ‘নেতানিয়াহু আমাদের যুগের মহান যোদ্ধা-নেতা’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করে ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য টেলিগ্রাফ’। সেখানে ‘বিবি’র ভূয়সী প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। পাশাপাশি, এ ব্যাপারে চার্চিলের প্রসঙ্গ টেনেছেন তিনি। মুর মনে করেন, বছর ৭৭-এর নেতানিয়াহুর হাত ধরেই অন্য দিকে বাঁক নিতে চলেছে পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলির রাজনীতি, যা আগামিদিনে ইহুদিদের জীবনকে বদলে দেবে।
১৯৭৯-’৯০ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট হিন্ডা থ্যাচার। তাঁর আমলে ১০ সপ্তাহের অঘোষিত যুদ্ধে ইংরেজ ফৌজের হাতে পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয় আর্জেন্টিনা। ফলে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির থেকে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হন তিনি। আজও তা রয়েছে লন্ডনের দখলে। এ-হেন থ্যাচারকে ‘লৌহমানবী’ বলতেন সোভিয়েত সাংবাদিকেরা। মুর হলেন তাঁর জীবনীকার। এর জেরে নেতানিয়াহুকে নিয়ে করা তাঁর মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
রক্ষণশীল ব্রিটিশ সাংবাদিক মুর মনে করেন, ‘বিবি’র নেতৃত্বে নতুন করে ‘বৃহত্তর ইজ়রায়েল’-এর (পড়ুন গ্রেটার ইজ়রায়েল) স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ইহুদিরা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, কয়েক কোটি ডলারের ঘুষগ্রহণ, জালিয়াতি এবং বিশ্বাসভঙ্গের মতো বেশ কিছু মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় হয়তো আর কখনওই আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে না তাঁকে। এক কথায়, পরবর্তী নির্বাচনে ইরান যুদ্ধের ‘লভ্যাংশ’ ভাল ভাবে ঘরে তুলতে পারবেন তিনি ও তাঁর দল ‘লিকুদ পার্টি’।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজ়া উপত্যকা থেকে ইজ়রায়েলে ঢুকে মারাত্মক হামলা চালায় প্যালেস্টাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১,২০০ নিরীহ ইহুদিকে খুন করে তারা। তাদের হাতে পণবন্দি হয় নারী ও শিশু মিলিয়ে ৮৫০-র বেশি অসামরিক নাগরিক। ওই ঘটনার পর কালবিলম্ব না করে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেন নেতানিয়াহু। এর জেরে গোড়ার দিকে মোট সাতটি ফ্রন্টে লড়াইয়ের মুখে পড়ে ইহুদি ফৌজ। কঠিন পরিস্থিতিতে চার্চিলের কায়দায় ‘বিবি’ দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেই মনে করেন মুর।
গাজ়া যুদ্ধে হামাসের পাশে দাঁড়িয়ে ইজ়রায়েলে হামলা চালায় লেবাননের হিজ়বুল্লা এবং ইয়েমেনের হুথি। এ ছাড়া পর্দার আড়ালে থেকে তাঁদের হাতিয়ার, গোলা-বারুদ এবং গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছিল ইরান। এই পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-’৪৫) সময় লন্ডনে নাজ়ি জার্মানির আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করেছেন মুর। ১৯৪০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ফ্যুয়েরার আডল্ফ হিটলারের নির্দেশে যা শুরু করে তাঁর সাধের ‘লুফটওয়াফে’ বিমানবাহিনী।
বিশ্বযুদ্ধের সময় ধারে ও ভারে ব্রিটেনের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল জার্মান বায়ুসেনা। কিন্তু, তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের যোগ্য নেতৃত্বে তাঁদের আটকে দেয় ইংরেজ বিমানবাহিনী। পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যেই ‘লুফটওয়াফে’ ১,৭৩৩ থেকে ২,৬৯২টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে ইংরেজদের ‘রয়্যাল এয়ারফোর্স’ (আরএএফ)। এর জেরে শেষ পর্যন্ত পতন হয় হিটলারের। সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে ব্রিটিশদের এই ‘সিংহবিক্রমের’ কারণ চার্চিলের বেশ কিছু জ্বালাময়ী বক্তৃতা।
সামরিক বিশ্লেষকদের দাবি, হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়া ইস্তক সেই রাস্তাই নিয়েছেন নেতানিয়াহু। পাশাপাশি, চার্চিলের মতোই ঘন ঘন সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তিনি। কোন ফ্রন্টে কতটা এগোনো গেল, সে দিকে সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে তাঁর। তা ছাড়া ‘বিবি’র কূটনৈতিক চালকে অস্বীকার করার উপায় নেই। ‘ছলে-বলে-কৌশলে’ ইরান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘সুপার পাওয়ার’কে রণাঙ্গনে টেনে আনতে সক্ষম হয়েছেন এই ইহুদি প্রধানমন্ত্রী।
সম্প্রতি, সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে একটি সমীক্ষা করেছে ইজ়রায়েলের ‘ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ়’ (আইএনএসএস)। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের উপর হামলাকে সমর্থন জানিয়েছে ৮১ শতাংশ ইহুদি জনতা। তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলুক, চাইছেন ৬৩ শতাংশ ইজ়রায়েলি নাগরিক। পাশাপাশি, নেতানিয়াহুর কট্টর সমালোচক ‘চ্যানেল-১২ নিউজ়’ তাদের লোগোয় একটি স্লোগান যুক্ত করেছে। সেটা হল, ‘একসঙ্গে সর্বদা’।
নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কথা বলতে গিয়ে আরও একটা উদাহরণ দিচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের একাংশ। এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড এবং বিরোধী দলনেতা নাফতালি বেনেটের মতো রাজনৈতিক নেতারা তাঁর হয়ে বিশ্বমঞ্চে ইজ়রায়েলের পক্ষ নিচ্ছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে তাঁদের প্রবন্ধ। এর একটি হল ‘ইরানে সামরিক অভিযানে সরকারের পক্ষে আছি’। লড়াইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে এটি লিখেছিলেন ল্যাপিড।
নেতানিয়াহু কী ভাবে আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জড়িয়েছে, তার ব্যাখ্যা আবার দিয়েছেন মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা ‘সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি’র (সিআইএ) অবসরপ্রাপ্ত অফিসার জন কিরিয়াকু। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘যখন কাজে যোগ দিই তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। সেই সময় থেকে ইরানকে আক্রমণে ইজ়রায়েলকে উস্কানি দিতে দেখেছি। কিন্তু, কাউকেই বাগে আনতে পারেনি ইহুদিরা। ক্ষমতায় এসে যাবতীয় হিসাব উল্টে দেন ‘বিবি’।”
কিরিয়াকুর দাবি, সুচতুর নেতানিয়াহু জানতেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া অন্য কেউ প্রেসিডেন্ট হলে ভেস্তে যাবে তাঁর পরিকল্পনা। তাই দ্বিতীয় বারের জন্য বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতাকে জেতাতে সক্রিয় হয় ইহুদিদের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) জানুয়ারিতে ট্রাম্প কুর্সিতে বসার পর ইরান যুদ্ধের জন্য হোয়াইট হাউসে ক্রমাগত লবিং করতে থাকে তাঁরা। ডিসেম্বরে এই সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আলোচনাও করেন ‘বিবি’।
সামরিক বিশ্লেষকদের কথায়, ২০২৩ সাল থেকে চলা লড়াইয়ে প্রতি ক্ষেত্রে মেপে পা ফেলেছেন নেতানিয়াহু। গোড়ায় গাজ়া উপত্যকায় হামাসের কোমর ভাঙেন তিনি। ইহুদি ফৌজের নিখুঁত আক্রমণে মৃত্যু হয় প্যালেস্টাইনপন্থী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও ইসমাইল হানিয়ের। দ্বিতীয় ধাপে লেবাননে হিজ়বুল্লার শীর্ষনেতা হাসান নাসরুল্লাহকে উড়িয়ে দেয় ইজ়রায়েলি বিমানবাহিনী। ফলে মারাত্মক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে ইরান মদতপুষ্ট ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) অগস্টে ইহুদি বায়ুসেনার বোমাবর্ষণে কেঁপে ওঠে ইয়েমেনের রাজধানী সানা। ওই আক্রমণে এক ঝটকায় ইরান মদতপুষ্ট হুথিদের শীর্ষ নেতৃত্বকে খতম করে ফেলেন নেতানিয়াহু। ওই দিন প্রাণ হারান বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির প্রধানমন্ত্রী আহমেদ গালিব আল-রাহাবি। মৃত্যু হয় তাদের মন্ত্রিসভার আরও ১১ সদস্যের। এই ঘটনার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিলেও এখনও তা করতে পারেনি হুথিরা। বর্তমানে তাঁদের অবস্থা বেশ ছন্নছাড়া বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এর পর ২০২৫ সালের ১৩-২৪ জুনের মধ্যে ইরানের বিভিন্ন পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে নিশানা করে ‘বিবি’র বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, ১২ দিনের ওই সংশ্লিষ্ট লড়াইয়ে তেহরানের শক্তির একটা আন্দাজ পেয়ে যান নেতানিয়াহু। সে বারই অবশ্য শেষ লগ্নে ইজ়রায়েলের হয়ে আসরে নামতে বাধ্য হয় আমেরিকা। সাবেক পারস্যের আণবিক কেন্দ্রগুলিতে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা (পোশাকি নাম জিবিইউ-৫৭) ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের বায়ুসেনা। পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ শ্রেণির ‘বি-২ স্পিরিট’ বোমারু বিমানে যা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান যুদ্ধে নামেন নেতানিয়াহু। লড়াইয়ের প্রথম দিনই যৌথ আক্রমণে নিহত হন তেহরানের শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এ ছাড়া সাবেক পারস্যের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজ়াদা, বাসিজ রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানি এবং ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’-এর (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে তেল আভিভ।
তবে যুদ্ধের চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছে দু’টি দিক থেকে নেতানিয়াহুর উপর বাড়ছে চাপ। প্রথমত পাকিস্তান, তুরস্ক বা মিশরের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সংঘাতের একটা রফাসূত্র বার করার চেষ্টা চালাচ্ছে আমেরিকা। সে ক্ষেত্রে রণক্ষেত্র থেকে পিছু হটতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তখন তেহরানের ‘হাইপারসনিক’ (শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিশীল) ক্ষেপণাস্ত্র এবং কামিকাজ়ে (আত্মঘাতী) ড্রোনের আঘাত একাই সহ্য করতে হবে ‘বিবি’কে।
দ্বিতীয়ত, মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ১০-এর মধ্যে ছ’জন আমেরিকাবাসী ইরান যুদ্ধের বিপক্ষে। রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যেও এ ব্যাপারে বেশ মতপার্থক্য রয়েছে। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের ৭৭ শতাংশ সংঘাত জিইয়ে রাখতে চান। বিরোধী ডেমোক্র্যাটিকদের মধ্যে সেই সংখ্যা মাত্র ১৮ শতাংশ। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী’ (মিড টার্ম) নির্বাচনে যার প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।
এ-হেন পরিস্থিতিতেও হাল ছাড়ছেন না নেতানিয়াহু। ক্রমাগত প্রশংসায় ট্রাম্পকে ভরিয়ে দিচ্ছেন তিনি। ইরান-হামাস-হিজ়বুল্লা-হুথিদের জোটকে ‘শয়তানের অক্ষ’ নাম দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সংশ্লিষ্ট লড়াইয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে তাঁর। এ বছরের অক্টোবরে ইজ়রায়েলে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সব কিছু সামলে গেলে ‘বিবি’ ভোট এগিয়ে আনবেন বলেও বাড়ছে জল্পনা।
সব ছবি: সংগৃহীত।