Israel And Russia Relationship

জন্মলগ্নের ‘বন্ধু’, স্বার্থে ঘা লাগায় ইতি মাখো মাখো প্রেমে! ইরান ব্যাকফুটে যেতেই ‘পুরনো বন্ধু’র দিকে ঝুঁকছে মস্কো?

১৯৪৮ সালে ইজ়রায়েলের জন্মের পর বিশ্বের একমাত্র ইহুদি দেশটিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে বিশ্বের প্রায় সমস্ত ইসলামিক রাষ্ট্র-সহ বেশির ভাগ দেশ। সেখানে ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন)। ১৯৪৭ সালে প্যালেস্টাইনকে বিভক্ত করে পৃথক ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার (জ়ায়নবাদ) রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিকল্পনাকে সমর্থন করার ঘোষণা করে বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিল তারা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৫:২১
০১ ২০
Israel And Russia relationship

পশ্চিম এশিয়ায় পাল্টাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েল সংঘাতের আবহে রাশিয়ার কূটনৈতিক কৌশলের পরিবর্তন নজর কেড়েছে বহু দেশের। অত্যন্ত জটিল ও কৌশলগত ভারসাম্য দিয়ে জল মাপছে মস্কো। পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরাসরি ইরানের পক্ষ নিতে দেখা যায়নি রাশিয়াকে। তবে মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা করেছে কড়া ভাষায়।

০২ ২০
Israel And Russia relationship

সম্প্রতি ইজ়রায়েলের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশ্যে ইজ়রায়েলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে মস্কো। আর তাতেই বেড়েছে জল্পনা। তবে কি ইরানকে ছেড়ে ইজ়রায়েলের সঙ্গে পুরনো বন্ধুত্ব ঝালিয়ে নিতে আগ্রহী মস্কো? ইহুদি রাষ্ট্রটির জন্মলগ্ন থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে ইজ়রায়েলের সম্পর্কের ‘রোলার কোস্টারের’ সাক্ষী থেকেছে পশ্চিম এশিয়া। ইজ়রায়েল তখন সদ্যোজাত রাষ্ট্র। তাদের দিকে সামরিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (অধুনা রাশিয়া)। সময়ের চাকা ঘুরতে স্বাভাবিক ভাবেই চিড় ধরে সেই সম্পর্কে। বিচ্ছেদের পাশাপাশি জন্ম হয় চরম বৈরিতার।

০৩ ২০
Israel And Russia relationship

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞেরা মনে করেন, বর্তমানে রাশিয়া ও ইজ়রায়েলের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বাধা হল ইরান। ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে ইরান ও ইজ়রায়েলের মধ্যে যে সরাসরি সংঘাত (ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা) দেখা দিয়েছে, তাতে রাশিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে ইজ়রায়েলের হামলার নিন্দা করেছে। তবে লক্ষণীয় যে, নিন্দা করলেও রাশিয়া ইরানকে সরাসরি কোনও বড় ধরনের সামরিক সহায়তা দেয়নি।

Advertisement
০৪ ২০
Israel And Russia relationship

১৯৪৮ সালে ইজ়রায়েলের জন্মের পর বিশ্বের একমাত্র ইহুদি দেশটিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে বিশ্বের প্রায় সমস্ত ইসলামিক রাষ্ট্র-সহ বেশির ভাগ দেশ। সেখানে ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তখন সবেমাত্র দানা বাঁধতে শুরু করেছে ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’। আরব দুনিয়ায় ইহুদি দেশটিকে স্থাপন করার নেপথ্যে সবচেয়ে বড় হাত ছিল ওয়াশিংটনের। অবাক করার মতো তথ্য হল, পশ্চিম এশিয়ায় ওয়াশিংটনের আধিপত্য কায়েম করার পদক্ষেপে বাধা দেয়নি সোভিয়েত ইউনিয়ন।

০৫ ২০
Israel And Russia relationship

১৯৪৭ সালে প্যালেস্টাইনকে বিভক্ত করে পৃথক ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার (জ়ায়নবাদ) রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিকল্পনাকে সমর্থন করার ঘোষণা করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। জ়ায়নবাদের প্রতি সোভিয়েত সরকারের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই সময়। কারণ ব্রিটিশ পুঁজিবাদকে ঝাড়েবংশে পশ্চিম এশিয়া থেকে উৎখাত করাই ছিল সোভিয়েত দেশের কমিউনিস্ট সরকারের মূল লক্ষ্য।

Advertisement
০৬ ২০
Israel And Russia relationship

ইজ়রায়েল স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর সোভিয়েত ইউনিয়নই ছিল প্রথম দেশ যারা এই দেশটিকে ‘ডি-জুরে’ (পুরোপুরি আইনি) স্বীকৃতি দেয়। অথচ আমেরিকা ইজ়রায়েলকে তখনও ‘ডি-ফ্যাক্টো’ বলেই স্বীকৃতি দিয়েছিল। প্যালেস্টাইনের উপর ইউরোপীয় আধিপত্য (ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স) খর্ব করতে সোভিয়েত দেশের কমিউনিস্ট সরকার ইজ়রায়েলকে শক্ত খুঁটি হিসাবে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিল।

০৭ ২০
Israel And Russia relationship

স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করার পরই ইজ়রায়েল জড়িয়ে পড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। ১৪ মে ইজ়রায়েল স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর দিনই পাঁচটি আরব দেশ (মিশর, জর্ডন, সিরিয়া, ইরাক ও লেবানন) আক্রমণ করে। আরব-ইজ়রায়েল যুদ্ধে সদ্য জন্মানো রাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দিতে রাজি হয়নি পৃষ্ঠপোষক আমেরিকাও।

Advertisement
০৮ ২০
Israel And Russia relationship

সেই সময় চেকোস্লোভাকিয়ার মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়ন ইজ়রায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। নতুন দেশটির অস্তিত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সোভিয়েত ইউনিয়ন। তৎকালীন সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন আশা করেছিলেন যে ইজ়রায়েল একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসাবে পশ্চিম এশিয়ায় ব্রিটিশ প্রভাব কমাবে। প্রথম পাঁচ বছর সোভিয়েত ও ইহুদি রাষ্ট্রটির মধ্যে সম্পর্ক বেশ ভাল ছিল। ধীরে ধীরে স্ট্যালিনের ইজ়রায়েলি মোহ খসে পড়তে শুরু করে।

০৯ ২০
Israel And Russia relationship

৫০-এর দশকের শুরু থেকেই সম্পর্কে অবনতি হতে শুরু করে দুই দেশের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইজ়রায়েল ঝুঁকতে শুরু করায় চটে যান স্ট্যালিন। ১৯৫৫ সালের দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন তার কৌশল পরিবর্তন করে এবং মিশর ও সিরিয়ার মতো আরব দেশগুলোকে সমর্থন করতে শুরু করে। সোভিয়েত বুঝতে পেরেছিল যে আরব দেশগুলির সংখ্যা এবং তেলসম্পদ ইজ়রায়েলের মিত্রতার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

১০ ২০
Israel And Russia relationship

১৯৫৩ সালের জানুয়ারি মাসে সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা ঘোষণা করে যে, একদল বিশিষ্ট চিকিৎসক (যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন ইহুদি) সোভিয়েত ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছেন। অভিযোগ করা হয়েছিল যে, তাঁরা চিকিৎসার নামে ভুল ওষুধ এবং ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যক্তিদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। ইতিহাসের পাতায় ‘ডক্টর’স প্লট’ নামে কুখ্যাত ছিল এই ষড়যন্ত্রতত্ত্বটি।

১১ ২০
Israel And Russia relationship

অভিযোগ উঠেছিল যে, এই চিকিৎসকেরা আমেরিকা এবং ব্রিটিশ গোয়েন্দাসংস্থা এবং ইহুদিবাদী (বিশেষত জ়ায়নবাদী) সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত। স্ট্যালিনের দমন-পীড়নে সোভিয়েত ইউনিয়নের বাসিন্দা লক্ষ লক্ষ ইহুদির মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। সোভিয়েত ভূখণ্ডে দীর্ঘ দিন বসবাসকারী ইহুদিদের ইজ়রায়েলে চলে যাওয়ার অধিকার নিয়ে চরম উত্তেজনা ছিল। সোভিয়েত সরকার তাঁদের দেশ ছাড়তে বাধা দিলে সেটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছিল।

১২ ২০
Israel And Russia relationship

‘ডক্টর’স প্লট’ নিয়ে যখন সোভিয়েত তোলপাড়, ঠিক তখনই একটি নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ১৯৫৩ সালের ৫ মার্চ স্ট্যালিন মারা যান। এই ঘটনার ফলে ইজ়রায়েলের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তেল আভিভে সোভিয়েত দূতাবাসে একটি বোমা হামলার ঘটনার পর ইজ়রায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে মস্কো।

১৩ ২০
Israel And Russia relationship

স্ট্যালিনের পর সোভিয়েত রাশিয়ার শাসনক্ষমতার রাশ হাতে তুলে নেন নিকিতা ক্রুশেভ। ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সঙ্কটে তিনি মিশরের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করলে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইজ়রায়েল যৌথ ভাবে মিশর আক্রমণ করে। সামরিক ভাবে তারা সফল হলেও আন্তর্জাতিক চাপে (বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন) পিছু হটতে বাধ্য হয়। ইজ়রায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সরে যাওয়ার বিনিময়ে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের অধিকার পায়।

১৪ ২০
Israel And Russia relationship

এর পর ১৯৬৭ সালের ছ’দিনের যুদ্ধ। ইতিহাসের অন্যতম সংক্ষিপ্ত এবং প্রভাবশালী যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মিশর, সিরিয়া এবং জর্ডনের মিলিত বাহিনীকে হারিয়ে গাজ়ায় অধিকার প্রতিষ্ঠা করে ইজ়রায়েল। হাতছাড়া হওয়া সিনাই উপদ্বীপ-সহ জর্ডনের পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম এবং সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয় তেল আভিভ। এই যুদ্ধের পর ইজ়রায়েলের আয়তন তিন গুণ বেড়ে যায়।

১৫ ২০
Israel And Russia relationship

১৯৬৭ সালে হারানো জমি উদ্ধারের জন্য মিশর ও সিরিয়া হঠাৎ করে ইজ়রায়েলে আক্রমণ করে। দিনটি ছিল ইহুদিদের পবিত্র ‘ইয়োম কিপুর’ উৎসব। শুরুতে আরব দেশগুলি সফল হলেও পরে পাল্টা আঘাত হানে ইহুদি রাষ্ট্রটি। শেষ পর্যন্ত সামরিক ভাবে ইজ়রায়েল সুবিধা পেলেও, এই যুদ্ধ আরব-ইজ়রায়েল শান্তি আলোচনার পথ প্রশস্ত করে দেয়।

১৬ ২০
Israel And Russia relationship

এই সব ক’টি যুদ্ধে আরব দেশগুলি পূর্ণাঙ্গ সামরিক সহযোগিতা পেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের। অস্ত্রের কারবারে ফুলেফেঁপে উঠেছিল সোভিয়েত দেশ। ফলে ইজ়রায়েলের মতো দেশের কাছে আরব দেশগুলির পরাজয় পরোক্ষ ভাবে মস্কোর গালে চপেটাঘাত ছিল বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা।

১৭ ২০
Israel And Russia relationship

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে রাশিয়ার জন্ম হওয়ার পর সেখানে থাকা ১০ লক্ষ ইহুদি ইজ়রায়েলে ফিরে আসেন। ইজ়রায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে রুশভাষী ইহুদিদের প্রভাব অপরিসীম। প্রায় ১৫ লক্ষ রুশভাষী মানুষ ইজ়রায়েলে এবং প্রায় ৮০ হাজার ইজ়রায়েলি মস্কোয় বসবাস করেন। এই বিশাল জনসমষ্টি দুই দেশের মধ্যে একটি অদৃশ্য সুরক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে আসছে ৯০-এর দশক থেকে।

১৮ ২০
Israel And Russia relationship

দীর্ঘ দিন ধরে সিরিয়ার আকাশে ইজ়রায়েলি বিমানবাহিনীকে কার্যক্রম চালাতে রাশিয়া যে নীরব সম্মতি দিয়ে আসছিল, তা এখন অনেকটাই নড়বড়ে। সিরিয়ায় বাশার-আল আসাদ সরকারের পতনের পর (২০২৪ সালের শেষে) রাশিয়া দ্রুত নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করেছে যাতে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলি সুরক্ষিত থাকে। ইজ়রায়েল এখনও চেষ্টা করছে সিরিয়ায় রুশ উপস্থিতিকে ব্যবহার করে ইরানি প্রভাব সীমিত রাখতে। যদিও বর্তমান উত্তেজনায় এই সমন্বয় আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।

১৯ ২০
Israel And Russia relationship

ইউক্রেন যুদ্ধে ইরান রাশিয়াকে সহায়তা করায় ইজ়রায়েল কিছুটা ক্ষুব্ধ। অন্য দিকে, ইউক্রেনকে ইজ়রায়েলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি (যেমন আয়রন ডোম) না দেওয়ার জন্য ক্রেমলিন সব সময়ই তেল আভিভকে সতর্ক করে আসছে। ইজ়রায়েল এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনকে সরাসরি অস্ত্র, গোয়েন্দা সহায়তা না দিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

২০ ২০
Israel And Russia relationship

২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও রাশিয়া ও ইজ়রায়েলের সম্পর্ক এখনও কখনও মিঠে, কখনও কড়া। দু’টি দেশই একে অপরের সম্পর্কে সতর্ক পদক্ষেপ করে চলেছে। দুই দেশই একে অপরের প্রয়োজন অনুভব করে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে রাশিয়ার গভীরতা এবং পশ্চিমি দুনিয়ার সঙ্গে ইজ়রায়েলের গা ঘেঁষাঘেঁষি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সব সময় একটি সরু সুতোর ওপর ঝুলিয়ে রেখেছে বলে মত ভূ-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি