Hidden gold in Sea

প্রাকৃতিক উপায় নাগাড়ে তৈরি হচ্ছে সোনা! প্রশান্ত মহাসাগরের পেটে এ বার ‘সোনার কারখানা’র খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

নিউ জ়িল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত কারমাডেক আর্ক। এই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের গভীরে বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রাকৃতিক সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০:২৪
০১ ১৭
শুনলে মনে হবে কোনও ‘সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার’। কিন্তু আসলে সামুদ্রিক ভূতত্ত্বের এক আকর্ষণীয় বাস্তব। সমুদ্রের গহীন অতল নীল জলে লুকিয়ে রয়েছে সোনালি ধাতু। এক-দু’টি টুকরো নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে লুকিয়ে রয়েছে প্রাকৃতিক সোনার এক বিশাল কারখানা।

শুনলে মনে হবে কোনও ‘সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার’। কিন্তু আসলে সামুদ্রিক ভূতত্ত্বের এক আকর্ষণীয় বাস্তব। সমুদ্রের গহীন অতল নীল জলে লুকিয়ে রয়েছে সোনালি ধাতু। এক-দু’টি টুকরো নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে লুকিয়ে রয়েছে প্রাকৃতিক সোনার এক বিশাল কারখানা।

০২ ১৭
 অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি বাস্তব। সমুদ্রের গভীরে সত্যিই জমছে হলুদ ধাতু। যুগ-যুগান্ত ধরে সেই প্রাকৃতিক ধাতু জমে কালক্রমে গড়ে উঠেছে ‘গোল্ড ফ্যাক্টরি’ বা সোনার কারখানা। বিজ্ঞানীরা যা আবিষ্কার করেছেন তা আক্ষরিক অর্থে কোনও কারখানা নয়। এটি একটি স্বর্ণ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। মহাসমুদ্রের তলদেশ ঘিরে গড়ে উঠেছে এই সোনা তৈরির কারখানা।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি বাস্তব। সমুদ্রের গভীরে সত্যিই জমছে হলুদ ধাতু। যুগ-যুগান্ত ধরে সেই প্রাকৃতিক ধাতু জমে কালক্রমে গড়ে উঠেছে ‘গোল্ড ফ্যাক্টরি’ বা সোনার কারখানা। বিজ্ঞানীরা যা আবিষ্কার করেছেন তা আক্ষরিক অর্থে কোনও কারখানা নয়। এটি একটি স্বর্ণ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। মহাসমুদ্রের তলদেশ ঘিরে গড়ে উঠেছে এই সোনা তৈরির কারখানা।

০৩ ১৭
একটি নতুন গবেষণা এই প্রাকৃতিক সোনা উৎপাদনের সুস্পষ্ট উত্তর দিয়েছে। গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন যে জলের নীচের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল প্রাকৃতিক ‘সোনার কারখানা’র মতো কাজ করে। সেখানে উপযুক্ত পরিবেশে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সোনা জমতে সাহায্য করে।

একটি নতুন গবেষণা এই প্রাকৃতিক সোনা উৎপাদনের সুস্পষ্ট উত্তর দিয়েছে। গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন যে জলের নীচের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল প্রাকৃতিক ‘সোনার কারখানা’র মতো কাজ করে। সেখানে উপযুক্ত পরিবেশে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সোনা জমতে সাহায্য করে।

Advertisement
০৪ ১৭
নিউ জ়িল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত কারমাডেক আর্ক। এই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের গভীরে বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রাকৃতিক সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। মহাসাগরের বিশাল বিস্তৃতির নীচে, দৃষ্টির আড়ালে সঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ হলুদ ধাতু।

নিউ জ়িল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত কারমাডেক আর্ক। এই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের গভীরে বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রাকৃতিক সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। মহাসাগরের বিশাল বিস্তৃতির নীচে, দৃষ্টির আড়ালে সঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ হলুদ ধাতু।

০৫ ১৭
বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে অসংখ্য হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উষ্ণ প্রস্রবণ খুঁজে পেয়েছেন। এই প্রস্রবণগুলি থেকে বার হওয়া অত্যন্ত উত্তপ্ত খনিজসমৃদ্ধ জল সমুদ্রের শীতল জলের সংস্পর্শে আসে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সোনা, রুপো এবং তামার মতো মূল্যবান ধাতু জমাট বেঁধে আকরিক তৈরি করে।

বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে অসংখ্য হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উষ্ণ প্রস্রবণ খুঁজে পেয়েছেন। এই প্রস্রবণগুলি থেকে বার হওয়া অত্যন্ত উত্তপ্ত খনিজসমৃদ্ধ জল সমুদ্রের শীতল জলের সংস্পর্শে আসে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সোনা, রুপো এবং তামার মতো মূল্যবান ধাতু জমাট বেঁধে আকরিক তৈরি করে।

Advertisement
০৬ ১৭
 সমুদ্রের তলদেশে থাকে হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা সমুদ্রতলের ফাটল। এই ফাটল দিয়ে উত্তপ্ত জল সমুদ্রের জলের সঙ্গে এসে মেশে। সাধারণত টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বা যেখানে প্লেটগুলি আলাদা হয়ে যাচ্ছে, সেই সব অঞ্চলে এই ফাটল দেখা যায়। এই ফাটল দিয়ে প্রবল তাপের কারণে ম্যাগমায় থাকা সোনা-সহ দ্রবীভূত খনিজ পদার্থগুলি তরলের আকারে নির্গত হয়।

সমুদ্রের তলদেশে থাকে হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা সমুদ্রতলের ফাটল। এই ফাটল দিয়ে উত্তপ্ত জল সমুদ্রের জলের সঙ্গে এসে মেশে। সাধারণত টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বা যেখানে প্লেটগুলি আলাদা হয়ে যাচ্ছে, সেই সব অঞ্চলে এই ফাটল দেখা যায়। এই ফাটল দিয়ে প্রবল তাপের কারণে ম্যাগমায় থাকা সোনা-সহ দ্রবীভূত খনিজ পদার্থগুলি তরলের আকারে নির্গত হয়।

০৭ ১৭
গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন জিওমার হেলমহোল্টজ সেন্টার ফর ওশান রিসার্চ কিয়েল-এর ক্রিশ্চিয়ান টিম এবং এটি ‘কমিউনিকেশনস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কী ভাবে অতল জলরাশির নীচে অবস্থিত আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ স্বর্ণসমৃদ্ধ উপাদান তৈরি করতে পারে।

গবেষণাটির নেতৃত্ব দিয়েছেন জিওমার হেলমহোল্টজ সেন্টার ফর ওশান রিসার্চ কিয়েল-এর ক্রিশ্চিয়ান টিম এবং এটি ‘কমিউনিকেশনস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কী ভাবে অতল জলরাশির নীচে অবস্থিত আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ স্বর্ণসমৃদ্ধ উপাদান তৈরি করতে পারে।

Advertisement
০৮ ১৭
লাভা গলনের সময় সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু কী ভাবে আচরণ করে তা বোঝার জন্য, গবেষকেরা নিউ জ়িল্যান্ডের উত্তরে কার্মাডেক দ্বীপপুঞ্জ এবং নিকটবর্তী হ্যাভ্রে ট্রাফের সমুদ্রতল থেকে সংগ্রহ করা আগ্নেয় কাচের ৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করেছেন। জলের সংস্পর্শে আসার পর লাভা দ্রুত ঠান্ডা হলে এই কাচ তৈরি হয়। এতে ম্যাগমার মূল রাসায়নিক গঠন অক্ষুণ্ণ থাকে।

লাভা গলনের সময় সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু কী ভাবে আচরণ করে তা বোঝার জন্য, গবেষকেরা নিউ জ়িল্যান্ডের উত্তরে কার্মাডেক দ্বীপপুঞ্জ এবং নিকটবর্তী হ্যাভ্রে ট্রাফের সমুদ্রতল থেকে সংগ্রহ করা আগ্নেয় কাচের ৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করেছেন। জলের সংস্পর্শে আসার পর লাভা দ্রুত ঠান্ডা হলে এই কাচ তৈরি হয়। এতে ম্যাগমার মূল রাসায়নিক গঠন অক্ষুণ্ণ থাকে।

০৯ ১৭
গবেষকদলের সদস্যেরা এই এলাকার শিলা ও খনিজ নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেন যে, সোনার ঘনত্ব সাধারণ সমুদ্রতলের খনিজ আকরিকের তুলনায় বহু গুণ বেশি। বিশেষ করে সোনা ও তামার অনুপাত অস্বাভাবিক মাত্রায় বেশি পাওয়া গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, নির্দিষ্ট অঞ্চলে সোনা ঘনীভূত হওয়ার জন্য বিশেষ কোনও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কাজ করছে।

গবেষকদলের সদস্যেরা এই এলাকার শিলা ও খনিজ নমুনাগুলো পরীক্ষা করে দেখেন যে, সোনার ঘনত্ব সাধারণ সমুদ্রতলের খনিজ আকরিকের তুলনায় বহু গুণ বেশি। বিশেষ করে সোনা ও তামার অনুপাত অস্বাভাবিক মাত্রায় বেশি পাওয়া গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, নির্দিষ্ট অঞ্চলে সোনা ঘনীভূত হওয়ার জন্য বিশেষ কোনও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কাজ করছে।

১০ ১৭
এই আবিষ্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি ছিল হাইড্রোয়াস মেল্টিং প্রক্রিয়াটি শনাক্ত করা। এটি সাধারণত সাবডাকশন জ়োনে ঘটে। সাবডাকশন জ়োন হল পৃথিবীর টেকটনিক প্লেটের অভিসারী সীমানা, যেখানে একটি ঘন মহাসাগরীয় প্লেট অন্য প্লেটের নীচে তলিয়ে যায়। প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশের ‘রিং অফ ফায়ার’ হল সবচেয়ে বিখ্যাত সাবডাকশন জ়োন।

এই আবিষ্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি ছিল হাইড্রোয়াস মেল্টিং প্রক্রিয়াটি শনাক্ত করা। এটি সাধারণত সাবডাকশন জ়োনে ঘটে। সাবডাকশন জ়োন হল পৃথিবীর টেকটনিক প্লেটের অভিসারী সীমানা, যেখানে একটি ঘন মহাসাগরীয় প্লেট অন্য প্লেটের নীচে তলিয়ে যায়। প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশের ‘রিং অফ ফায়ার’ হল সবচেয়ে বিখ্যাত সাবডাকশন জ়োন।

১১ ১৭
যখন একটি টেকটনিক প্লেট অন্যটির নীচে চলে যায়, তখন সেই প্লেটের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সমুদ্রের জল পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করে। সমুদ্রের নোনা জল পৃথিবীর উত্তপ্ত ম্যান্টল বা আস্তরণের সংস্পর্শে এসে শিলাকে গলতে সাহায্য করে। এই গলিত পদার্থ বা ম্যাগমা তখন সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতুকে বহন করে সমুদ্রের তলদেশের কাছাকাছি নিয়ে আসে।

যখন একটি টেকটনিক প্লেট অন্যটির নীচে চলে যায়, তখন সেই প্লেটের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে সমুদ্রের জল পৃথিবীর গভীরে প্রবেশ করে। সমুদ্রের নোনা জল পৃথিবীর উত্তপ্ত ম্যান্টল বা আস্তরণের সংস্পর্শে এসে শিলাকে গলতে সাহায্য করে। এই গলিত পদার্থ বা ম্যাগমা তখন সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতুকে বহন করে সমুদ্রের তলদেশের কাছাকাছি নিয়ে আসে।

১২ ১৭
গবেষকদলের প্রধান টিম জানিয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক ভাবে ধরে নেন যে সাবডাকশন জ়োন থেকে নির্গত জল সরাসরি সোনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে আরও নিবিড় গবেষণায় তাঁরা বুঝতে পারেন সমুদ্রের জল মূলত ম্যান্টলের গলনে সহায়তা করে।

গবেষকদলের প্রধান টিম জানিয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক ভাবে ধরে নেন যে সাবডাকশন জ়োন থেকে নির্গত জল সরাসরি সোনার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে আরও নিবিড় গবেষণায় তাঁরা বুঝতে পারেন সমুদ্রের জল মূলত ম্যান্টলের গলনে সহায়তা করে।

১৩ ১৭
এই বিক্রিয়ায় সোনার রাসায়নিক রূপও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টিম ব্যাখ্যা করেন, ম্যান্টলে থাকা সোনা সাধারণত সালফাইড খনিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে। উচ্চ মাত্রার গলনের ফলে এই খনিজগুলি ভেঙে যায় এবং সোনাকে সম্পূর্ণ রূপে গলিত মিশ্রণে উন্মুক্ত করে দেয়।

এই বিক্রিয়ায় সোনার রাসায়নিক রূপও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টিম ব্যাখ্যা করেন, ম্যান্টলে থাকা সোনা সাধারণত সালফাইড খনিজের মধ্যে আবদ্ধ থাকে। উচ্চ মাত্রার গলনের ফলে এই খনিজগুলি ভেঙে যায় এবং সোনাকে সম্পূর্ণ রূপে গলিত মিশ্রণে উন্মুক্ত করে দেয়।

১৪ ১৭
দলটি কেবল সোনার ওপর ভিত্তি করে গবেষণাটি করেনি। বরং রুপো, তামা, সেলেনিয়াম এবং প্ল্যাটিনামের মতো উপাদানগুলোকেও পর্যবেক্ষণ করেছে। এই উপাদানগুলোর উপস্থিতি এবং তাদের রাসায়নিক আচরণ বিজ্ঞানীদের বুঝতে সাহায্য করেছে যে কী ভাবে একটি নির্দিষ্ট ভূতাত্ত্বিক চাপে ও তাপে সোনা অন্যান্য খনিজ থেকে আলাদা হয়ে জমাট বাঁধে।

দলটি কেবল সোনার ওপর ভিত্তি করে গবেষণাটি করেনি। বরং রুপো, তামা, সেলেনিয়াম এবং প্ল্যাটিনামের মতো উপাদানগুলোকেও পর্যবেক্ষণ করেছে। এই উপাদানগুলোর উপস্থিতি এবং তাদের রাসায়নিক আচরণ বিজ্ঞানীদের বুঝতে সাহায্য করেছে যে কী ভাবে একটি নির্দিষ্ট ভূতাত্ত্বিক চাপে ও তাপে সোনা অন্যান্য খনিজ থেকে আলাদা হয়ে জমাট বাঁধে।

১৫ ১৭
বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে ভূমধ্যসাগর, আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর— মূলত এই তিনটি অঞ্চলে জমা হয়েছে ‘সোনার আকর’। বর্তমান দাম অনুযায়ী, এক টন সোনার মূল্য আনুমানিক ১০ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার। যদি সমুদ্রে সত্যি ২০ কোটি টন সোনা থাকে, তা হলে এই সোনার মোট মূল্য প্রায় ২১৩০০০০০ কোটি ডলার হতে পারে, যা সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতির তুলনায় অনেক বেশি।

বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে ভূমধ্যসাগর, আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর— মূলত এই তিনটি অঞ্চলে জমা হয়েছে ‘সোনার আকর’। বর্তমান দাম অনুযায়ী, এক টন সোনার মূল্য আনুমানিক ১০ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার। যদি সমুদ্রে সত্যি ২০ কোটি টন সোনা থাকে, তা হলে এই সোনার মোট মূল্য প্রায় ২১৩০০০০০ কোটি ডলার হতে পারে, যা সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতির তুলনায় অনেক বেশি।

১৬ ১৭
এক লিটার সমুদ্রের নোনা জলে মিলবে এক গ্রাম সোনার ১৩০০ কোটি ভাগের এক ভাগ। সমুদ্রের জল থেকে সোনা পাওয়ার খবর কৌতূহলোদ্দীপক হলেও বাস্তবে তা কতখানি সম্ভব তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সমুদ্রবিজ্ঞানীদের মধ্যেই। জল থেকে সোনা আহরণ করা ব্যয়বহুল। তাতেও যে পরিমাণ সোনা পাওয়া যাবে তা দিয়ে ব্যবসায়িক লাভ কতখানি হবে সে নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

এক লিটার সমুদ্রের নোনা জলে মিলবে এক গ্রাম সোনার ১৩০০ কোটি ভাগের এক ভাগ। সমুদ্রের জল থেকে সোনা পাওয়ার খবর কৌতূহলোদ্দীপক হলেও বাস্তবে তা কতখানি সম্ভব তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সমুদ্রবিজ্ঞানীদের মধ্যেই। জল থেকে সোনা আহরণ করা ব্যয়বহুল। তাতেও যে পরিমাণ সোনা পাওয়া যাবে তা দিয়ে ব্যবসায়িক লাভ কতখানি হবে সে নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

১৭ ১৭
কারণ সমুদ্রের তলদেশের হাজার হাজার মিটার গভীরে অত্যন্ত উচ্চ চাপে এবং অন্ধকারে খননকার্য চালানো বর্তমান প্রযুক্তিতে যেমন ব্যয়বহুল, তেমনই ঝুঁকিপূর্ণ। গভীর সমুদ্রের এই অঞ্চলগুলি জীববৈচিত্রের আবাসস্থল। খননকাজ শুরু করলে এই সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

কারণ সমুদ্রের তলদেশের হাজার হাজার মিটার গভীরে অত্যন্ত উচ্চ চাপে এবং অন্ধকারে খননকার্য চালানো বর্তমান প্রযুক্তিতে যেমন ব্যয়বহুল, তেমনই ঝুঁকিপূর্ণ। গভীর সমুদ্রের এই অঞ্চলগুলি জীববৈচিত্রের আবাসস্থল। খননকাজ শুরু করলে এই সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি