অভিষেক পোড়েল। — ফাইল চিত্র।
কল্যাণীতে পৌঁছে হোটেল নিয়ে সমস্যায় পড়ল অন্ধ্রপ্রদেশ ক্রিকেট দল। মঙ্গলবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছন নীতীশ কুমার রেড্ডিরা। কিন্তু কল্যাণীতে তাঁরা হোটেল পাচ্ছিলেন না। ফলে নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ওঠেন তাঁরা।
নীতীশদের দলের ম্যানেজার জানতেন না কলকাতা থেকে কল্যাণীর দূরত্ব কতটা। ভেবেছিলেন শহরের বুকে থেকেই প্রত্যেক দিন ম্যাচ খেলতে নিয়ে যাবেন দলকে। বুধবার সকালে নিউ টাউন থেকে প্রায় দু’ঘণ্টা লাগে কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে পৌঁছতে। এ ভাবে প্রত্যেক দিন যাতায়াত করা কি সম্ভব?
কল্যাণীতেও একটি হোটেলের খোঁজ পেয়েছিল অন্ধ্র। কিন্তু সেখানে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে ২২ সদস্যের জায়গা হচ্ছিল না। ফলে নিউ টাউনেই হোটেল বুক করতে হয়। কিন্তু প্রথম দিন অনুশীলনে পৌঁছতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন ক্রিকেটারেরা। শেষমেশ কল্যাণীতেই একটি হোটেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে নীতীশদের জন্য। বুধবার যদিও রুম ছিল না। তবে বৃহস্পতিবার অনুশীলন শেষে সেখানেইউঠবেন ক্রিকেটারেরা।
এ দিকে অভিষেক পোড়েল কোয়ার্টার ফাইনালেও ফিরতে পারবেন না। তাঁকে কল্যাণীতে নিয়েই যাওয়া হয়নি। শাকির হাবিব গান্ধীকেই এ দিন বাড়তি অনুশীলন করানো হয়। উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটও করেন। কোয়ার্টার ফাইনালে তিনিই হয়তো থাকবেন প্রথম একাদশে। সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে অল্পের জন্য শতরানে পৌঁছতে পারেননি। নীতীশদের বিরুদ্ধে সুযোগ পেলে তিনি কী করেন সেটাই দেখার।
অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন বাড়তি অনুশীলন করলেন এ দিন। বাংলার প্রস্তুতি শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা পরেও নেটে ব্যাট করছিলেন তিনি। সেই ভিডিয়ো তুলে ধরেন শাহবাজ় আহমেদ। তিনি বলেন, ‘‘দেখুন অভিমন্যুকে। ও থামছেই না। আমাদের অনুশীলন শেষ হয়ে গিয়েছে এক ঘণ্টা আগে। তবুও ও ব্যাট করে চলেছে। ও কিন্তু সন্ধেবেলাতেও ইন্ডোরে ব্যাট করবে। আমাদের অধিনায়ক থামতেই চায় না।’’
অভিমন্যু এই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল কি মাঠে পাবেন? কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর ব্যাটে বড় রানের অপেক্ষায় বাংলা শিবির। বড় রান তাঁর ব্যাটে আসে কি না দেখার।