ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্নীতি। — প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ক্রিকেট মাঠে গড়াপেটার নতুন ঘটনা প্রকাশ্যে এল। নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করা হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের এক ক্রিকেটারকে। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত দলের কর্ণধার এবং এক কর্তাকেও নিলম্বিত করেছে আইসিসি। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই একাধিক নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের জোরে বোলিং অলরাউন্ডার জেভন সিয়ার্লেসকে সাময়িক ভাবে নিলম্বিত করেছে আইসিসি। পাশাপাশি টাইটান্স দলের মালিক চিত্তরঞ্জন রাঠোর এবং দলের কর্তা ট্রেভন গ্রিফিথকেও সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিলম্বিত করা হয়েছে।
বার্বাডোজ়ের বিম১০ প্রতিযোগিতায় ২০২৩-২৪ সংস্করণে এই দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। গ্রিফিথের বিরুদ্ধে আইসিসি-র আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী একটি আইন ভাঙার অভিযোগও রয়েছে। ১১ মার্চ থেকে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে তিন জনকেই তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে হবে।
৩৯ বছরের সিয়ার্লেস ২০১৮-য় কেকেআরের হয়ে চারটি ম্যাচ খেলেছিলেন। পাশাপাশি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ২০১৪-২০১৯ পর্যন্ত ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স দলের সদস্য ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে খেলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ রয়েছে। গ্রিফিথও চারটি অভিযোগে অভিযুক্ত। রাঠোরের বিরুদ্ধে রয়েছে তিনটি অভিযোগ।
প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ম্যাচ গড়াপেটায় যুক্ত থাকা, মদত দেওয়া, ফলাফলে প্রভাব ফেলার মতো অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাঠোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলের ক্রিকেটারদের গড়াপেটা করতে মদত দিয়েছেন। সিয়ার্লেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গড়াপেটা হচ্ছে জেনেও তা ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ় বা আইসিসি-কে জানাননি। তদন্তে বাধা দেওয়া বা প্রমাণ লোপাটের মতো অভিযোগও রয়েছে।
উল্লেখ্য, বিম১০ প্রতিযোগিতা বরাবরই আইসিসি-র নজরে রয়েছে। গড়াপেটায় যুক্ত থাকার অভিযোগে আমেরিকার অ্যারন জোন্সকে আগেই নির্বাসিত করা হয়েছে। ওই মরসুমের প্রতিযোগিতা নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।