বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।
সকলের নজর ছিল একটাই দিকে। টসের পর শ্রেয়স আয়ারের মুখ থেকে বৈভব সূর্যবংশীর নাম শোনা যায় কি না। হতাশ হলেন ভারতীয় সমর্থকেরা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর মুখে শোনা গেল না বৈভবের নাম। বার বার বৈভবকে খেলানোর দাবি করেছিলেন সুনীল গাওস্কর, রবিচন্দ্রন অশ্বিনেরা। কিন্তু ভারতের বড়দের দলে অভিষেকের জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে বৈভবকে।
আয়ারল্যান্ড সিরিজ়েই বৈভবের অভিষেকের জল্পনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেখানে দু’টি ম্যাচেই ডাগআউটে বসে থাকতে দেখা যায় ১৫ বছরের ক্রিকেটারকে। দু’টি ম্যাচই হারে ভারত। তার পর কোচ গৌতম গম্ভীরের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন গাওস্কর ও অশ্বিন। দু’জনেই বৈভবকে খেলানোর দাবি করেন। গাওস্কর তো এই দাবিও করেন যে, ইংল্যান্ড সিরিজ়ে প্রথম ম্যাচ থেকেই বৈভবকে প্রথম একাদশে দেখতে চান তিনি।
কিন্তু সেই চেঁচামেচিই সার। নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরলেন না গম্ভীর। যে ক্রিকেটারেরা ভারতকে কয়েক মাস আগে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, তাঁদের উপরেই ভরসা রেখেছেন। অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিশনদেরই দলে রেখেছেন তিনি। অর্থাৎ, এখনই বৈভবকে মাঠে নামিয়ে দিতে চাইছেন না গম্ভীর। তাকে দলের সঙ্গে রেখে একটু পরিণত করে তার পর খেলাতে চাইছেন।
ডারহামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে দর্শকদের মধ্যেও উন্মাদনা ছিল বৈভবকে নিয়ে। বেশির ভাগই বলছিলেন, বৈভবকে দেখতে এসেছেন। অর্থাৎ, চারিদিক থেকে বৈভবকে খেলানোর চাপ থাকলেও নিজের সিদ্ধান্তের উপরেই ভরসা রেখেছেন গম্ভীর। নিজের পরিকল্পনার বাইরে বার হতে চাইছেন না তিনি।
বৈভব যে এই ম্যাচে খেলবে না, তার ইঙ্গিত ম্যাচের আগেই পাওয়া যাচ্ছিল। অভিষেক, সঞ্জুরা অনুশীলন করছিলেন। বৈভবও সেখানে ছিল। কিন্তু তার হাতে গ্লাভস ছিল না। মাঠের এক ধারে ফিল্ডিং ও ক্যাচিং অনুশীলন করছিল সে। তখনই বোঝা যাচ্ছিল, বৈভবকে আরও এক বার ডাগআউটে দেখা যাবে। সেটাই হল। অভিষেকের জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন তারকাকে।