bharti fulmali

গায়ের রংয়ের জন্য কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেটারের যন্ত্রণার কথা প্রকাশ্যে

পেশাদার ক্রিকেট খেলতে গিয়ে তাঁকে অনেক যন্ত্রণার সামনে পড়তে হয়েছে। গায়ের রং নিয়ে অনবরত কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই যন্ত্রণার কথা প্রকাশ্যে আনলেন ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটার ভারতী ফুলমালি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৫
cricket

মহিলা দলের ক্রিকেটার ভারতী ফুলমালি। ছবি: সমাজমাধ্যম।

পেশাদার ক্রিকেট খেলতে গিয়ে তাঁকে অনেক যন্ত্রণার সামনে পড়তে হয়েছে। গায়ের রং নিয়ে অনবরত কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই যন্ত্রণার কথা প্রকাশ্যে আনলেন ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটার ভারতী ফুলমালি। জানালেন, নিজের চেহারা নিয়ে অনলাইনে ঘৃণ্য মন্তব্য শুনেছেন তিনি।

Advertisement

এই মুহূর্তে গুজরাত জায়ান্টসের হয়ে মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ খেলতে ব্যস্ত ফুলমালি। তার মাঝেই একটি সাক্ষাৎকারে সমাজমাধ্যমের কটাক্ষ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তিনি। জানিয়েছেন, গত তিন বছর ধরে কটাক্ষ করা হয়েছে তাঁকে। কখনও সখনও ব্যক্তিগত ভাবে প্রভাবও পড়েছে তাঁর মনে। ফুলমালির মতে, ম্যাচ এবং অনুশীলনের সময় সমাজমাধ্যমের থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়। তবে সাধারণ মানুষের মন্তব্যের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখালে নিজেরই ক্ষতি।

ফুলমালি বলেছেন, “যখন কেউ আপনার চেহারা এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তখন খুব খারাপ লাগে। এটা সামলানো খুব কঠিন। গত তিন বছর ধরে এ জিনিস আমি দেখছি। ডব্লিউপিএল খেলা শুরু করার পর থেকেই। অনেকে অনেক মন্তব্য করে। বেশির ভাগই নেতিবাচক। এর অনেক অন্ধকার দিক রয়েছে।”

ফুলমালি আরও বলেছেন, “আমরা ম্যাচ খেলি, অনুশীলন করি। তাই সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতেই হয়। আমিও করি, কখনও সখনও বেশ গভীর ভাবেই। কারণ আমি দেখতে চাই লোকে আমাকে নিয়ে কী বলছে। সেটা ভালই হোক বা খারাপ। এই আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। সকলেরই রয়েছে। কিন্তু লোকের মন্তব্য দেখতে গিয়ে বুঝেছি, অনেকে আমাকে ঘৃণা করে। ভাল মন্তব্যও দেখেছি। তবে সংখ্যায় তা অনেক কম। এতে একটু হলেও প্রভাব পড়ে। কিন্তু এটার সঙ্গে বাঁচতে শিখে গিয়েছি।”

ফুলমালি জানিয়েছেন, সতীর্থেরা এ ব্যাপারে তাঁকে অনেক সাহায্য করেছেন। কারণ সকলকেই এমন পরিস্থিতির সামনে পড়তে হয়েছে। ফুলমালির কথায়, “এখন সকলের কাছেই এটা স্বাভাবিক। অন্যেরা কী ভাবছে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। তবে নিজে কী দেখব সেটা নিয়ন্ত্রণ করাই যায়। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement
আরও পড়ুন