অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: এক্স।
৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলার পর বৈভব সূর্যবংশী যে ছোটদের বিশ্বকাপ ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার হবে, তা নিয়ে সংশয় ছিল না। ১৪ বছরের ব্যাটার বিশ্বকাপেরও সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেল। ছোটদের বিশ্বমঞ্চে সেরার পুরস্কার বৈভব উৎসর্গ করল দলের কোচদের। দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর বৈভব জানিয়ে দিল, রান না পেলেও নিজের দক্ষতার উপর আস্থা হারায়নি।
ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার নেওয়ার পর বৈভব বলল, ‘‘এই আনন্দ, অনুভূতি বলে বোঝাতে পারব না। আমরা সকলে গত সাত-আট মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমাদের কোচেরা এই দীর্ঘ সময় আমাদের পাশে ছিলেন। সব সময় আমাদের খেয়াল রেখেছেন। কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, জানতে চেয়েছেন। আমার এই পুরস্কারটা দলের কোচদেরই উৎসর্গ করছি।’’ বিশ্বজয়ের মাঠে দাঁড়িয়েই গুরুদক্ষিণা দিল বৈভব।
১৪ বছরের ব্যাটার জানিয়ে দিল, গোটা প্রতিযোগিতায় চাপ নিতে চায়নি তারা। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি যেমন পদ্ধতির কথা বলেন, সেরকম বৈভবও বলেছে, ‘‘আমরা কখনও চাপ নিতে চাইনি। আমরা শুধু ভেবেছি, কী ভাবে ভাল খেলতে পারি। আমরা একটা পদ্ধতি অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি। নিজেকে দক্ষতার উপর আস্থা রেখেছি।’’ দলের প্রস্তুতি নিয়ে বৈভব বলেছে, ‘‘আমাদের প্রস্তুতি খুব ভাল হয়েছিল। শুধু এশিয়া কাপের সময়ই নয়, টানা আট-ন’মাস ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা। এই দলের ক্রিকেটারেরাই শুধু জানে, কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে।’’
ছোটদের বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা ছিল বৈভবের। তা নিয়ে ১৪ বছরের ক্রিকেটার বলেছে, ‘‘নিজের দক্ষতার উপর আস্থা ছিল। বড় ম্যাচগুলোয় ভাল খেলার লক্ষ্য ছিল। যেমন ফাইনালে খেললাম। দল জিতল। এই আনন্দ বলে বোঝানোর মতো নয়।’’
বিশ্বকাপে ৭টি ইনিংসে ৪৩৯ রান করেছে বৈভব। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছে। সবচেয়ে বেশি রান ইংল্যান্ডের বেন মায়েসের। ৭টি ইনিংসে ৪৪৪ রান তাঁর। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে আফগানিস্তানের ফয়জল শিনোজ়াদা (৬টি ইনিংসে ৪৩৫ রান)।