রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র
রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা নিয়ে হঠাৎই বিতর্ক। কাল সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম দাবি করেছে, আইপিএলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা অবৈধ ভাবে তাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছে তারা।
সোমানিদের অভিযোগ, রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা অধিগ্রহণের চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু বিডিং প্রক্রিয়ার অধিকাংশ সময় তারা শীর্ষস্থানে ছিল। গোষ্ঠীটি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে এবং বিডিং পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, এই কারণেই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা তাদের হাতছাড়া হয়ে যায়।
গত ২৪ মার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমানি, ওয়ালমার্ট পরিবারের রব ওয়ালটন এবং হ্যাম্প পরিবার সম্মিলিত ভাবে প্রায় ১.৬৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা) চুক্তিতে রাজস্থান রয়্যালস কেনার ব্যাপারে এগিয়ে ছিল।
কিন্তু গত রবিবার নাটকের শুরু। সে দিন নিশ্চিত করা হয়, লক্ষ্মী এন মিত্তল এবং আদিত্য মিত্তলের নেতৃত্বাধীন মিত্তল পরিবার এবং সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার সিইও আদার পুনাওয়ালা প্রায় ১.৬৫ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ১৫,৬৬০ কোটি টাকা) রাজস্থান রয়্যালস কিনে নিয়েছেন। খবর ছড়ায় যে, সোমানির নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী তাদের বিড প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সেই দাবি অস্বীকার করেছে কনসোর্টিয়ামটি।
কাল সোমানি, রব জর্ডান ওয়ালটন এবং মাইকেল হ্যাম্পের জোট বিবৃতি দিয়ে জানায়, ‘‘দীর্ঘ ছয় মাসের একটি প্রক্রিয়ার পর রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা গ্রুপের অংশ হতে না পেরে আমরা গভীর ভাবে হতাশ। এই পুরো সময় জুড়ে আমরাই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শীর্ষ বিডার হিসেবে ছিলাম।’’
সোমানিদের আরও দাবি, ‘‘আমাদের কনসোর্টিয়াম অক্লান্ত পরিশ্রম করে একদল বিশিষ্ট বিনিয়োগকারীকে একত্রিত করেছিল, যাদের এনএফএল, এমএলবি, ইপিএল, লা লিগা এবং টিজিএল-এ মালিকানার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই গ্রুপে পেশাদার ক্রীড়া জগতের শীর্ষ স্তরের বিশ্বসেরা তারকারাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল আইপিএল-কে এক নতুন আন্তর্জাতিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।’’
‘ক্রিকবাজ়’ ওয়েবসাইটের দাবি, আদালতে যাওয়ার কথাও ভাবছে সোমানির কনসোর্টিয়াম।