স্টোকস (বাঁ দিকে) এবং লাবুশেনের ঝগড়ার একটি মুহূর্ত। ছবি: সমাজমাধ্যম।
সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলার শেষ পর্ব উত্তপ্ত হয়েছিল বেন স্টোকস এবং মার্নাস লাবুশেনের জন্য। দুই ক্রিকেটারের বাগ্যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। তবে দিনের শেষে সেই ঘটনাকে পাত্তা দিতে চাইল না অস্ট্রেলিয়া। এ দিকে, ইংল্যান্ডের জো রুট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি অস্ট্রেলিয়ায় আরও একটি অ্যাশেজ় সিরিজ় খেলতে চান।
দ্বিতীয় দিন ব্যাট করার সময় স্টোকসকে বিভিন্ন ভাবে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করছিলেন লাবুশেন। এক সময় থাকতে না পেরে স্টোকসও উত্তর দেন। আম্পায়ার এবং সতীর্থেরা এসে দু’জনকে সরিয়ে নিয়ে যান। শেষে স্টোকসের বলেই আউট হয়ে ৪৮ রানে সাজঘরে ফেরেন লাবুশেন। নিশ্চিত অর্ধশতরান হাতছাড়া হয় তাঁর।
সেই প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বোলার মাইকেল নেসের বলেন, “আমি জানিই না কী হয়েছে। তবে লাবুশেন খুব কঠিন ধরনের ক্রিকেটার। ও আপনাকে চট করে রাগিয়ে দিতে পারে। এটাই মার্নাস।”
বল হাতেও সাফল্য পেয়েছেন লাবুশেন। বিপজ্জনক হয়ে উঠতে থাকা ইংরেজ ব্যাটার জেমি স্মিথকে ফেরান তিনি। নেসের জানিয়েছেন, লাবুশেন বল করতে যথেষ্ট ভালবাসেন। তাঁর কথায়, “ওর উইকেট পাওয়া কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। ও অনেক অনুশীলন করে। স্পিন করলেও যথেষ্ট দ্রুতগতিতে বল করতে পারে ও। হয়তো ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। ওর বল আগে থেকে বোঝা খুবই কঠিন।”
অস্ট্রেলিয়ায় আগে একটিও শতরান ছিল না রুটের। এই সিরিজ়ে দু’টি শতরান করে ফেলেছেন। টেস্টে ৪১টি শতরান হল রুটের। ছুঁয়ে ফেলেছেন রিকি পন্টিংকে। সেই রুট আর এক বার অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ় খেলার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৩৫ বছর বয়সি রুটকে প্রশ্ন করা হয়, আবার অস্ট্রেলিয়ায় আসবেন? রুটের উত্তর, “কে জানে? দেখা যাক। এলে ভাল লাগবে। তবে সময় কোন দিকে এগোচ্ছে সে দিকেও তাকাতে হবে।” এর পরেই হাসতে হাসতে বলেন, “আপনারা বড্ড বেশি দূরের বিষয় ভেবে ফেলেছেন। আসলে এ বারের সিরিজ়ে এতটা সমর্থন পেয়েছি যে ভোলার নয়। হয়তো প্রত্যাশা অনুযায়ী সফল হতে পারিনি। কিন্তু দর্শকদের সমর্থন কখনও কমেনি।”