অজিঙ্ক রাহানে। —ফাইল চিত্র।
আইপিএলের গ্রুপ পর্বের অর্ধেক ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি দলই খেলে ফেলেছে সাতটি করে ম্যাচ। যা পরিস্থিতি তাতে পঞ্জাব কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালস ভাল জায়গায় রয়েছে। অন্য দিকে কলকাতা নাইট রাইডার্স, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের অবস্থা খারাপ। কিন্তু কোনও দল ততটাই ভাল, যতটা ভাল তাদের অধিনায়ক। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কের ভূমিকা খুব বেশি। সেখানে কে এগিয়ে?
ম্যাচের আগে কোচের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করা সহজ। কিন্তু সেই পরিকল্পনা মাঠে নেমে বাস্তবায়িত করা সহজ নয়। বিশেষ করে কুড়ি-বিশের খেলায় অধিনায়কের একটা ভুল ম্যাচের ছবি বদলে দিতে পারে। ফিরে আসার সময় কম থাকায় অধিনায়ককে প্রতি মুহূর্তে ভাবতে হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনায় বদল করতে হয়। মাঠে নেমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কখনও ফাটকা খেলতে হয়। আর তার উপরেই নির্ভর করে অধিনায়কের সাফল্য।
এ বারের আইপিএলেও সেই ছবি দেখা গিয়েছে। কোনও অধিনায়ক সাজঘর থেকে যে পরিকল্পনা করে নামেন, মাঠে সেটাই করতে থাকেন। পরিস্থিতি যা-ই থাকুক পরিকল্পনা বদলান না তাঁরা। আবার কোনও অধিনায়ক মগজাস্ত্র কাজে লাগান। আইপিএলে সেই অধিনায়কই সফল হবেন, যিনি সব সময় এক পা এগিয়ে থাকবেন। ‘রিঅ্যাক্টিভ’ নয়, ‘প্রোঅ্যাক্টিভ’ হবেন।
দলের পারফরম্যান্স নয়, অধিনায়কের পারফরম্যান্স বিচার করলে কে কোথায় রয়েছেন? খতিয়ে দেখল আনন্দবাজার ডট কম।
এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। সাত ম্যাচে একটিও হারেননি। এ বারের একমাত্র অপরাজিত দল পঞ্জাব। পয়েন্ট তালিকায় সকলের উপর রয়েছেন শ্রেয়সেরা। গত বার পঞ্জাবকে ফাইনালে তুলেছিলেন। চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এ বারও অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে তাঁর দলকে।
শ্রেয়স তাঁর অধিনায়কত্ব খুব বেশি জটিল করেননি। সহজ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেটা দল নির্বাচন থেকে শুরু করে ফিল্ডিং সাজানো, বোলিং পরিবর্তন, সবেতে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাট হাতেও নিজের কাজ করেছেন শ্রেয়স। সাত ইনিংসে ২৭২ রান করেছেন। ৬৮ গড় ও ১৮৩.৭৮ স্ট্রাইক রেটে ভরসা দিয়েছেন দলকে। তার মধ্যে চারটি অর্ধশতরান রয়েছে।
আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ৯৩টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন শ্রেয়স। তাঁর জয়ের হার ৫৯.৩০ যা সবচেয়ে ভাল। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট, কতটা ধারাবাহিক তিনি। সেই ধারাবাহিকতা এ বারও দেখাচ্ছেন শ্রেয়স। সাত ম্যাচে ছয় জয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সকলের উপরে পঞ্জাব।
পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার।
দ্বিতীয় স্থানে থাকবেন পাটীদার। ১৮ বছরের খরা কাটিয়ে গত বছর বেঙ্গালুরুকে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি। সে-ও প্রথম বারই অধিনায়ক হয়ে। এ বারও ভাল দেখাচ্ছে তাঁকে। দলে বিরাট কোহলি, ফিল সল্ট, টিম ডেভিড, জশ হেজ়লউডের মতো তারকা। তাঁদের ভাল ভাবে সামলাচ্ছেন পাটীদার।
কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে নামেন না পাটীদার। পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন। সেটা বেঙ্গালুরুর প্রতি ম্যাচে চোখে পড়ে। সেই কারণেই সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি জিতেছে তারা। ব্যাট হাতে ছয় ইনিংসে ২১৩ স্ট্রাইক রেটে ২৩০ রান করেছেন পাটীদার। শুরু থেকে হাত খুলে খেলেন। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, আক্রমণ থামান না। এটাই এ বার বেঙ্গালুরুর পরিকল্পনা। আক্রমণ করে যাও। আর তাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাটীদার। সাত ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বেঙ্গালুরু দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটীদার।
প্যাট কামিন্সের চোট থাকায় আইপিএল শুরু হওয়ার ঠিক আগে ঈশানকে অধিনায়ক করা হয়। শুরুতে একটু সমস্যা হয়েছিল তাঁর। ধাতস্থ হতে সময় নিয়েছিলেন। কিন্তু এক বার বিষয়টা বুঝে যাওয়ার পর ছন্দে তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝাড়খণ্ডের অধিনায়ক ঈশান ভালই টানছেন হায়দরাবাদকে।
শুরুতে হায়দরাবাদের বোলিং আক্রমণ ডোবাচ্ছিল। সিদ্ধান্ত নিতে সময় নষ্ট করেননি ঈশান। প্রফুল্ল হিঙ্গে, সাকিব হুসেন, শিবাঙ্গ কুমারের মতো তরুণদের সুযোগ দিয়ে বাজিমাত করেছেন। অর্থাৎ, একই পরিকল্পনা করে খেলেননি তিনি। তাঁর অধিনায়কত্বে সাত ম্যাচের মধ্যে চারটি জিতেছে হায়দরাবাদ। পয়েন্ট তালিকায় চার নম্বরে তারা।
ব্যাট হাতেও রান করেছেন ঈশান। ১৯০ স্ট্রাইক রেটে ২৩৮ রান করেছেন তিনি। দলকে ভরসা দিয়েছেন। অবশ্য এর পরে হয়তো আর অধিনায়কত্বের রিপোর্ট কার্ডে ঈশান থাকবেন না। কারণ, অষ্টম ম্যাচ থেকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কামিন্স। প্রথম সাত ম্যাচের নিরিখে নম্বর দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ঈশান কিশন।
শুরুটা বেশ ভাল করেছিলেন। পর পর জিতছিলেন। এ বারই প্রথম পাকাপাকি ভাবে রাজস্থানের অধিনায়ক হয়েছেন পরাগ। শুরুতে কয়েকটি ম্যাচে তাঁর অধিনায়কত্বে চমক দেখা গিয়েছে। বোলিং পরিবর্তনে বুদ্ধিমত্তা দেখিয়েছেন। গুজরাত টাইটান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে যে ভাবে রাজস্থান জিতেছে, তাতে পরাগের বড় অবদান রয়েছে।
তবে ব্যাট হাতে ভাল ফর্মে নেই পরাগ। সাত ম্যাচে মাত্র ১৩.৫০ গড়ে ৮১ রান করেছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রবীন্দ্র জাডেজা, নান্দ্রে বার্গারেরা থাকার পরেও ব্রিজেশ শর্মার উপর ভরসা দেখিয়ে ডুবেছেন তিনি। নইলে সেই ম্যাচও জিততে পারতেন। সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি জিতে আপাতত তিন নম্বরে রয়েছে রাজস্থান।
রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক রিয়ান পরাগ।
ব্যাট করার সময় তাঁকে দেখে মনে হয়, তাপ-উত্তাপ নেই। কিন্তু অধিনায়কত্বে তা দেখা যাচ্ছে না। সতীর্থ ভুল করলে মেজাজ হারাচ্ছেন। তিনি নিজেও ভুল করছেন। তার বড় উদাহরণ পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ। জিততে হলে উইকেট দরকার ছিল। কিন্তু দলের সবচেয়ে ধারাবাহিক বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে তিনি বল দেন ১৩তম ওভারে। তার পর প্রসিদ্ধ গুজরাতকে লড়াইয়ে ফেরালেও তত ক্ষণে খেলার ফল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।
চাপের মধ্যে ভুল করছেন শুভমন। তাঁকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, পরিস্থিতি দেখে তার পর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আগে থেকে ভাবছেন না। ব্যাটিং অর্ডারেও ভুল চোখে পড়েছে। তার প্রভাব পড়ছে দলের খেলায়। সাত ম্যাচের মধ্যে তিনটে জিতে পয়েন্ট তালিকায় সাত নম্বরে গুজরাত। তাই বেশি নম্বর পাননি দলের অধিনায়ক।
গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক শুভমন গিল।
গত মরসুমে শুরুটা ভাল করেও শেষ দিকে খেই হারিয়েছিল দিল্লি। প্লে-অফে উঠতে পারেনি। এ বারও শুরুটা ভাল করেছিল তারা। প্রথম দু’ম্যাচ জিতেছিল। কিন্তু তার পরেই খারাপ খেলতে শুরু করেছে তারা। তার দায় অনেকটাই অক্ষরের।
অধিনায়কত্বে সাহসিকতা দেখাতে পারছেন না অক্ষর। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছে, হারের ভয়ে কোচ যা বলে দিয়েছেন, সেটাই করছেন। নিজের মাথা কাজে লাগাচ্ছেন না।
ব্যাট হাতেও রান নেই অক্ষরের। মাত্র ৩৪ রান করেছেন। নিয়েছেন মাত্র ৬ উইকেট। দলকে জেতাতে হলে তাঁকে ফর্মে ফিরতে হবে। ভারতীয় দলে যে জায়গায় অক্ষর ব্যাট করেন, এই দলে তা করছেন না। ব্যাটিং অর্ডারে বার বার বদল করছেন। ফলে সাত ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছ’নম্বরে রয়েছে দিল্লি।
দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর পটেল।
শুরুটা ভাল হয়নি। প্রথম তিন ম্যাচ হারতে হয়েছিল। গত মরসুম থেকে টানা সাত ম্যাচ হারার নজির গড়েছিলেন রুতুরাজ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির না থাকা অবশ্য তাঁকে কিছুটা হলেও সমস্যায় ফেলেছে। মাঠে কঠিন পরিস্থিতিতে পরামর্শ দেওয়ার কেউ নেই। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই তো অধিনায়কের সেরাটা বেরিয়ে আসে। সেই চ্যালেঞ্জ সামলাতে পারেননি চেন্নাইয়ের অধিনায়ক।
ব্যাট হাতেও ভাল ফর্মে নেই রুতুরাজ। ১৪.৮৫ গড়ে মাত্র ১০৪ রান করেছেন। তিনি রানে না থাকায় চাপ বাড়ছে সঞ্জু স্যামসনের উপর। সেই সঞ্জুর ব্যাটে ভর করেই অবশ্য জয়ে ফিরেছে চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে রুতুরাজের অধিনায়কত্ব প্রভাবিত করেছে। ফলে কিছু নম্বর তিনি পেয়েছেন। সাত ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পাঁচ নম্বরে চেন্নাই।
চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়।
এ বারও খারাপ খেলছে লখনউ। কিন্তু দলে ভাল ক্রিকেটার কম নেই। মিচেল মার্শ, এডেন মার্করাম, নিকোলাস পুরানেরা যে কোনও প্রতিপক্ষের ঘুম কাড়তে যথেষ্ট। তার পরেও দল জিততে পারছে না। তার বড় দায় পন্থের। তিনি নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারে উপরে তুলেছেন। পুরান গত বার তিন নম্বরে সফল ছিলেন। এ বার নীচে রান পাচ্ছেন না। ওপেনার মার্করামকে একটি ম্যাচে পাঁচ নম্বরে নামিয়েছেন পন্থ। ফিনিশারের ভূমিকায় খেলা আয়ুষ বদোনিকে দিয়ে ওপেন করিয়েছেন।
প্রায় প্রতি ম্যাচে বদলাচ্ছে লখনউয়ের বোলিং আক্রমণ। শুরুতে আবেশ খান খেলছিলেন। পরে সেখানে আসেন মহসিন খান। মায়াঙ্ক যাদবকে একটি ম্যাচে খেলানো হয়। দেখে বোঝা যাচ্ছে, কোনও পরিকল্পনা নেই। যখন যা মনে হয় করছেন। ব্যাট হাতেও রান নেই পন্থের। সাত ম্যাচে ১৪৭ রান করেছেন। মাত্র একটি অর্ধশতরান। তার জন্যই সাত ম্যাচে দু’টি জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে রয়েছে লখনউ।
লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ।
তাঁর দল কেকেআর সাত ম্যাচে মাত্র একটি জিতেছে। প্রথম ছয় ম্যাচে জিততে পারেনি কলকাতা। তার বড় দায় রাহানের। প্রতি ম্যাচে বড় ভুল করছেন। পিচ বুঝতে পারছেন না। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতে তাঁর ব্যাট করার সিদ্ধান্ত অবাক করেছে সকলকে। স্পিন সহায়ক উইকেটে স্পিনারকেই বল দিচ্ছেন না। অধিনায়কত্বের নতুন নতুন দিক দেখাচ্ছেন রাহানে।
দল নির্বাচনেও ভুল করছেন। রাচিন রবীন্দ্রের মতো ক্রিকেটার বাইরে বসে রয়েছেন। ব্যর্থ বৈভব অরোরাদের খেলিয়েই চলেছেন। কোন পিচে কাদের খেলানো উচিত, সেটাই বুঝতে পারছেন না। নিজেই স্বীকার করেছেন, প্রথমে ব্যাট করুন বা বল, সেই তো হারবেন। তাই বেশি না ভেবে যা মনে হচ্ছে সেটাই করছেন। তার ফল ভুগছে দল।
শুরুতে ব্যাটটা করছিলেন। এখন সেটাও হচ্ছে না। সাত ম্যাচে ২৫ গড়ে মাত্র ১৫২ রান করেছেন। রাহানেকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, কী করবেন, বুঝতে পারছেন না তিনি। সাত ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সকলের শেষে রয়েছে কেকেআর।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে।
সাত ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়ে আট নম্বরে রয়েছে মুম্বই। তাদের নীচে দু’টি দল রয়েছে। কিন্তু অধিনায়ক হার্দিক সকলের নীচে। তার একমাত্র কারণ তাঁর দল। মুম্বইয়ে রোহিত শর্মা, তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব, জসপ্রীত বুমরার মতো ক্রিকেটার খেলেন। ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো দুই অধিনায়ক থাকার পরেও হার্দিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত তিন বছর ধরে তিনি ব্যর্থ।
মুম্বইয়ের যা দল, তাতে হার্দিককে বেশি কষ্ট করারও দরকার নেই। কিন্তু কিছুই করতে পারছেন না তিনি। ম্যাচের মাঝে পকেট থেকে কাগজ বের করে দেখছেন। বোঝা যাচ্ছে, কোচের নির্দেশ। দল নির্বাচন থেকে মাঠে অধিনায়কত্ব, বোঝাই যাচ্ছে না হার্দিক কী করছেন। তাঁর ফিল্ডিং সাজানো নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখিয়েছেন বুমরাহ।
মাঝে দু’টি ম্যাচ মুম্বই জিতেছে বটে, কিন্তু তাতে হার্দিকের কোনও কৃতিত্ব নেই। একটি ম্যাচ রোহিত ও অপর ম্যাচটি তিলক একার কৃতিত্বে জিতিয়েছেন। রাহানে তাঁর কেরিয়ারের শেষ দিকে রয়েছেন। তাঁর দলে তারকাও কম। সেখানে হার্দিকের তো এটাই সোনার সময়। তারকাখচিত দল নিয়েও ম্যাচের পর ম্যাচ হারছেন তিনি। আর তাই অধিনায়ক হিসাবে সবার নীচে রয়েছেন তিনি।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য।