IPL 2026

আইপিএলের মাঝেই নতুন দায়িত্ব সঙ্গকারার! রাজস্থানের পাশাপাশি সামলাতে হবে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটও

সভাপতি-সহ শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সব পদাধিকারীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট চালাতে ন’সদস্যের কমিটি গড়েছে সে দেশের সরকার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ২০:৪৯
cricket

কুমার সঙ্গকারা। —ফাইল চিত্র।

আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলান কুমার সঙ্গকারা। এ বার শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটেও নতুন দায়িত্বে তিনি। সরকারের হস্তক্ষেপে সভাপতি-সহ শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সব পদাধিকারীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট চালাতে ন’সদস্যের কমিটি গড়েছে সে দেশের সরকার। সেই কমিটিতে রয়েছেন সঙ্গকারা।

Advertisement

সঙ্গকারা ছাড়া কমিটিতে আরও দুই ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁরা হলে রোশন মহানামা ও সিদাথ ওয়েত্তিমুনি। বাকিরা ক্রিকেট বাদে অন্য মহল থেকে এসেছেন। কমিটির নয় সদস্য হলেন— ইরান বিক্রমারত্নে (রাজনীতি), রোশন মহানামা (ক্রিকেট), কুমার সঙ্গকারা (ক্রিকেট), সিদাথ ওয়েত্তিমুনি (ক্রিকেট), প্রকাশ শাফতার (কর্পোরেট), তুষিরা কলম্বাগে (কর্পোরেট), উপুল কুমারপ্পেরুমা (আইন), দীনাল ফিল্পিস (আইন)।

শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন সাংসদ বিক্রমরত্নেকে কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি একটি বিবৃতিতে বলেছেন, “নয় সদস্যের কমিটির দায়িত্ব পেয়ে আমি গর্বিত। আমাদের প্রধান কাজ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করব।”

সরকারের নির্দেশে মেয়াদ শেষের আগেই ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন সভাপতি শাম্মি সিলভা-সহ সব পদাধিকারী। দীর্ঘ দিন ধরে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কর্তাদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল। সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) শাস্তির মুখে পড়তে পারে শ্রীলঙ্কা।

দু’বছরের মেয়াদের ১১ মাস বাকি ছিল শাম্মির। কিন্তু মঙ্গলবার একটি জরুরি সভার পর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তিনি। পরিচালন বোর্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি। ফলে অন্য পদাধিকারীরাও ইস্তফা দিয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের বিরুদ্ধে বেশ কিছু দিন ধরে দুর্নীতি এবং নানা অব্যবস্থার অভিযোগ উঠছিল। দেশের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়া সংস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অসন্তুষ্ট ছিল শ্রীলঙ্কার সরকার।

শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দেশনায়েক গত সপ্তাহের শেষে শাম্মির সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। দেশের ক্রিকেট পরিচালনা এবং বোর্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ওই আলোচনার পরই শাম্মি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পরিচালন বোর্ড ভেঙে দেন। মনে করা হচ্ছে, ওই বৈঠকেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের নির্দেশ দেন কর্তাদের।

২০২৩ সালে সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলঙ্কা সাময়িক ভাবে নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। এ বারও সেই সম্ভাবনা থাকছে। ২০২৪ সালের শুরুতে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শাম্মি সভাপতি হয়ে ফিরে আসেন। তার পর গত বছর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চতুর্থ বারের জন্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সভাপতি হয়েছিলেন শাম্মি।

Advertisement
আরও পড়ুন