ICC T20 World Cup 2026

২৩ বছর আগে বিশ্বকাপে আউট করেছিলেন সচিনকে, সেই ভুরেন এখন নামিবিয়া ক্রিকেটের সভাপতি! ভারত-ম্যাচের আগে স্মৃতিচারণ

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-নামিবিয়া ম্যাচ বৃহস্পতিবার। তার আগে ২৩ বছরের পুরনো একটি ম্যাচের স্মৃতিচারণ করলেন রুডি ফান ভুরেন, যিনি এখন নামিবিয়া ক্রিকেটের সভাপতি। সে দিন সচিনের উইকেট নিয়েছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৯
cricket

রুডি ফান ভুরেন। ছবি: সমাজমাধ্যম।

২০০৩-এর এক দিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গিয়েছিল ভারত। তবে সেই বিশ্বকাপ মনে রেখেছে সচিন তেন্ডুলকরকে, যিনি ৬৭৩ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-নামিবিয়া ম্যাচের আগে ২৩ বছর পুরনো ওই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করলেন রুডি ফান ভুরেন, যিনি সে দিন সচিনের উইকেট নিয়েছিলেন।

Advertisement

ওই ম্যাচে সচিন ১৫২ রান করেছিলেন। ভারত জিতেছিল ১৮১ রানে। শতরান করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। বৃহস্পতিবার আইসিসি-র প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় ভুরেন বলেছেন, “২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আমি সচিনের মূল্যবান উইকেটটা নিয়েছিলাম। আমি রক্ষণশীল মানুষ। আমি চিকিৎসক এবং ক্রিকেট নামিবিয়ার সভাপতি। নামিবিয়ার হয়ে ক্রিকেটের পাশাপাশি রাগবিও খেলেছি। একজন পাইলটের পাশাপাশি আমি একজন বাবাও।”

বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় হিসাবে একই বছরে রাগবি এবং ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ভুরেনের। পাশাপাশি তিনি একজন পেশাদার চিকিৎসকও। এখনও নিয়মিত রোগী দেখেন। মূলত শিশু চিকিৎসক তিনি। ৭০-এরও বেশি শিশুর জন্ম হয়েছে তাঁর অধীনে।

২৩ বছর আগের সেই বিশ্বকাপে ভুরেন ভারতের বীরেন্দ্র সহবাগকে আউট করেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচটি উইকেট নিয়েছিলেন। নামিবিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট তাঁরই ছিল। রাগবি থেকেই ক্রীড়াজীবন শুরু। ক্রিকেট বিশ্বকাপের পরেই আবার রাগবি খেলা শুরু করেন ভুরেন। বিশ্বকাপও খেলে ফেলেন। রাগবির জন্য পাঁচ কিলোগ্রাম ওজন বাড়িয়েছিলেন। পরে তা ঝরিয়েও ফেলেন। ক্রিকেট এবং রাগবি বিশ্বকাপের মাঝে যে সময় পেয়েছিলেন, সে সময় চিকিৎসক হিসাবে পুরোদস্তুর কাজ করেছেন। ২০১১-য় স্ত্রীর সঙ্গে মিলে তিনি নামিবিয়ায় একটি অভয়ারণ্য গড়ে তোলেন। সেখানে আহত এবং অনাথ প্রাণীদের চিকিৎসা করা হয়। ২০১৮ থেকে তিনি ক্রিকেট নামিবিয়ার সভাপতি।

আইসিসি-র ভিডিয়োয় ভুরেন বলেছেন, “আমার এখনও মনে আছে সে দিন কী হয়েছিল। সচিন বোধহয় ১৪০-এর আশেপাশে ব্যাট করছিল। ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। আমিও ক্লান্ত ছিলাম। যে বলে ও আউট হয়েছিল সেটা এতটাই মন্থর গতির ছিল যে হয়তো বেলও পড়ত না। তবে নিঃসন্দেহে ওটাই আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান উইকেট।”

ম্যাচের পর সচিনের সঙ্গে ছবিও তুলেছিলেন ভুরেন। বলেছেন, “একসঙ্গে বসে অনেক কথা হয়েছিল সে দিন। সচিনের ভদ্রতা মুগ্ধ করেছিল আমাকে। কী ভদ্র মানুষ। অসাধারণ ক্রীড়াবিদ। আমার সঙ্গে রাগবি নিয়েও কথা হয়েছিল। খুব ভাল অভিজ্ঞতা সেটা।”

Advertisement
আরও পড়ুন