অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (ডান দিকে) আউট হওয়ার পর হায়দরাবাদের ক্রিকেটারদের উল্লাস। ছবি: পিটিআই।
হারের গেরো কাটাতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পর দ্বিতীয় ম্যাচে সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের কাছেও হারল তারা। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রান করে হায়দরাবাদ। কলকাতার ইনিংস ১৬.১ ওভারে ১৬১ রানে শেষ হয়ে যায়। ৬৫ রানে হারে তারা।
এই হারের নেপথ্যে রয়েছে জোড়া রান আউট। কেকেআরের দুই ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিন ও অঙ্গকৃশ রঘুবংশী রান আউট হন। তার মধ্যে রঘুবংশীর রান আউট বড় ধাক্কা দেয় দলকে। অর্ধশতরান করে খেলছিলেন তিনি। তবে শুধু জোড়া রান আউট নয়, কেকেআরের এই হারের নেপথ্যে রয়েছেন তিন ক্রিকেটার।
দলের অধিনায়ক ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ। তাঁর বোলিং পরিবর্তন থেকে ফিল্ডিং সাজানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিজে অন্তত তিনটি বল ধরতে পারেননি। তিনটি বলই বাউন্ডারিতে গিয়েছে। একটি ক্যাচ ছেড়েছেন। আবার ব্যাট করতে নেমে ১০ বলে ৮ রান করেছেন। যেখানে দল ২২৭ রান তাড়া করছে, সেখানে পাওয়ার প্লে-তে ৮০ স্ট্রাইক রেটে রান করা অপরাধ। রাহানের জন্য অন্য ব্যাটারদের চাপে পড়তে হয়েছে। এই হারের বড় দায় অধিনায়কের।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
বরুণের কথা যত কম বলা যায় ততই ভাল। পুরো চার ওভার তাঁকে বল করানো যায়নি। দু’ওভারে ৩১ রান দিয়েছেন তিনি। প্রথম বল থেকে তাঁর বিরুদ্ধে হাত খুলে খেলেছেন হায়দরাবাদের ব্যাটারেরা। বরুণ খারাপ বল করায় উইকেট তুলতে সমস্যা হয়েছে কেকেআরের। রাহানেকে বিকল্প বোলার খুঁজতে হয়েছে। দলের এই হারের নেপথ্যে রয়েছে বরুণের খারাপ বোলিং।
২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় তাঁকে কিনেছে কেকেআর। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে কিছুই করতে পারেননি তিনি। এই ম্যাচেও বল করেননি। ফলে আবার ২০০ রানের বেশি দিয়েছে কেকেআর। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে আর একটু হলে অঙ্গকৃশ রঘুংশীকে রান আউট করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যদিও হাস্যকর ভাবে তিনি নিজেই রান আউঠ হয়েছেন। ভাল শুরু করেও তা ধরে রাখতে পারেনি কেকেআর। দলের হারের নেপথ্যে তিনিও সমান দায়ী।