ICC T20 World Cup 2026

রাদারফোর্ডের ব্যাটিং, মোটির বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়, অস্ট্রেলিয়ার জয়েও চিন্তা অধিনায়ক মার্শের চোট

আবারও ভারতের মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। বুধবার মুম্বইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের তোলা ১৯৬/৬-এর জবাবে ইংল্যান্ড আটকে গেল ১৬৬ রানে। কলম্বোয় অস্ট্রেলিয়া ৬৭ রানে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ডকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৪১
cricket

ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: পিটিআই।

দশ বছর আগে ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার সময় দু’বারই ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। ফাইনালে ইংরেজদের হারিয়েই ট্রফি জিতেছিল তারা। আবারও ভারতের মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারাল তারা। বুধবার মুম্বইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের তোলা ১৯৬/৬-এর জবাবে ইংল্যান্ড আটকে গেল ১৬৬ রানে। কলম্বোয় অস্ট্রেলিয়া ৬৭ রানে হারিয়েছে আয়ারল্যান্ডকে। তবে মিচেল মার্শের চোটে চিন্তিত অস্ট্রেলিয়ার শিবির।

Advertisement

ওয়াংখেড়েতে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি। তিন বলের মধ্যে তারা হারায় দুই ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (১) এবং শাই হোপকে (০)। ফর্মে থাকা শিমরন হেটমায়ার (২৩) শুরুটা ভাল করেও ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। সেখান থেকেই শুরু হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রত্যাবর্তন।

ক্যারিবিয়ানদের ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন শেরফানে রাদারফোর্ড। ৪২ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং পিচেও ১০ ওভারে ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে এক সময় সমস্যায় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। তবে শেষ ১০ ওভারে ওঠে ১১৭ রান। পঞ্চম উইকেটে রভমান পাওয়েলের (১৪) সঙ্গে ৫১ এবং ষষ্ঠ উইকেটে জেসন হোল্ডারের (১৭ বলে ৩৩) ৬১ রানের জুটি গড়েন রাদারফোর্ড। চারে নেমে কার্যকরী ইনিংস খেলে যান রস্টন চেজ়ও (৩৪)।

রাদারফোর্ডের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নজর কেড়েছেন হোল্ডারও। স্যাম কারেনকে এক ওভারে তিনটি ছয় মারেন তিনি। ইংরেজ বোলারদের মধ্যে একমাত্র আদিল রশিদ (২/১৬) বাদে কেউ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে পারেননি।

ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটাও ভাল হয়নি। স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই চালিয়ে খেলতে থাকেন ফিল সল্ট (৩০)। রোমারিয়ো শেফার্ড এসেই তাঁকে তুলে নেন। জস বাটলারকে (১৪) ফেরান চেজ়। ভাল খেলছিলেন জেকব বেথেল। তবে গুডাকেশ মোটি এসে পর পর বেথেল (৩৩) এবং টম ব্যান্টনকে (২) তুলে নেন। হ্যারি ব্রুক (১৭) শুরুটা ভাল করলেও টানতে পারেননি। একটা দিক ধরে রেখেছিলেন স্যাম কারেন। উল্টো দিকে কাউকে পাননি তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডি‌জ়ের স্পিনারেরা ধসিয়ে দেন ইংরেজদের লোয়ার অর্ডার। মোটি ৩৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার জয়

প্যাট কামিন্স এবং জশ হেজ়লউডের চোট থাকায় এমনিতেই চাপে অস্ট্রেলিয়া। আয়ারল্যান্ড ম্যাচের আগে আরও চাপে পড়ে তারা। অনুশীলনে পাওয়া কুঁচকির চোটে প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে যান মিচেল মার্শ। তাঁর অণ্ডকোষ থেকে রক্তপাত হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যেতে পারেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্ব দেন ট্রেভিস হেড। অভিষেক হয় ম্যাট রেনশর। মার্শের বিকল্প হিসাবে স্টিভ স্মিথকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে কলম্বোয়। তিনি গত বছর ফেব্রুয়ারিতে শেষ বার টি২০ ফরম্যাটে খেলেছেন।

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৮২/৬ তোলে অস্ট্রেলিয়া। নেপথ্যে রেনশ এবং মার্কাস স্টোইনিসের ৬১ রানের জুটি। তার আগে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যান জশ ইংলিস এবং ক্যামেরন গ্রিন (২১)। আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ওভারে তুলে নেয় হেডকে (৬)। তবে পরের দিকে ব্যাটারেরা ভাল খেলেন। স্টোইনিস ২৯ বলে ৪৫ করেন।

রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই রান নিতে চোট পান আইরিশ অধিনায়ক পল স্টারলিং। তিনি আর ব্যাট করতে পারেননি। এর পর নেথান এলিসের তিন ধাক্কায় বেসামাল হয়ে পড়ে আয়ারল্যান্ড। রস অ্যাডেয়ার (১২), কার্টিস ক্যামফার (৪) এবং বেঞ্জামিন কালিৎজকে (২) তুলে নেন এলিস। মাঝের ওভারগুলিতে আয়ারল্যান্ডকে ধসিয়ে দেন অ্যাডাম জ়াম্পা। তিনি ২৩ রানে ৪ উইকেট নেন। এলিস পেয়েছেন ১২ রানে ৪ উইকেট।

Advertisement
আরও পড়ুন