যুবরাজ সিংহ। —ফাইল চিত্র
অবসর নেওয়ার সাত বছর পরে মুখ খুললেন যুবরাজ সিংহ। ক্রিকেট ছাড়ার কারণ জানালেন। বললেন, সমর্থন এবং সম্মান পাচ্ছিলেন না বলেই সরে গিয়েছিলেন। কার সমর্থন পাননি বা কে তাঁকে অসম্মান করেছিলেন, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানাননি তিনি।
২০১৯ সালের জুনে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন যুবরাজ। সে বছর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার পর এই অলরাউন্ডার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। যুবরাজ জানিয়েছেন, তিনি আর ক্রিকেট খেলে আনন্দ পাচ্ছিলেন না।
৪৪ বছর বয়সি যুবরাজ জানান, তাঁর চারপাশের মানুষের থেকে সম্মান ও সমর্থন না পাওয়ায় তিনি অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রাক্তন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার পডকাস্টে যুবরাজ বলেন, ‘‘আমি ক্রিকেট উপভোগ করছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, যখন আমি মজাই পাচ্ছি না তখন কেন খেলছি? আমি কোনও সমর্থন পাচ্ছিলাম না। নিজেকে সম্মানিত মনে করছিলাম না। আমার মনে হয়েছিল, যখন এগুলোই নেই, তখন কেন খেলা চালিয়ে যাওয়া?’’
যুবরাজ আরও বলেন, ‘‘এমন কিছু কেন আঁকড়ে ধরে থাকব, যা আমি উপভোগই করছি না? আমার আর খেলার প্রয়োজন কী? কী প্রমাণ করার জন্য খেলছি? মানসিক বা শারীরিক ভাবে বাড়তি কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তখন। এটা আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল। যে দিন খেলা ছাড়লাম, সে দিন থেকে আবার নিজেকে ফিরে পেলাম।’’
কার থেকে সম্মান পাননি, তা নিয়ে কিছু না বললেও যুবরাজ অন্য একটি প্রশ্নে নভজ্যোৎ সিংহ সিধুর কথা বলেন। ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার সিধু প্রশ্ন তুলেছিলেন যুবির প্রতিভা নিয়ে।
যুবরাজ বলেন, ‘‘যখন পিছনের দিকে তাকাই, তখন আমার মনে হয়, সেই সময় ওঁর কাছে হয়তো আমাকে ঠিকঠাক ভাবে দেখার জন্য যথেষ্ট সময় ছিল না। উনি শুধু আমার বাবার সঙ্গে ভদ্রতা করেছিলেন। তখন উনি ভারতের হয়ে খেলছিলেন। আর আমার বয়স তখন ১৩-১৪ বছর। আমি তখন শুধু খেলাটা বোঝার চেষ্টা করছি। ওঁর বক্তব্য আমি ব্যক্তিগত ভাবে নিইনি, কিন্তু আমার বাবা নিয়েছিলেন। বাবা বলেছিলেন, ‘চল আমি তোকে শেখাচ্ছি ক্রিকেট কী করে খেলতে হয়।’’’