গোলের পর উল্লাস ব্রাজ়িলের ভিনিসিয়াস জুনিয়রের। ছবি: রয়টার্স।
গোলের পর গোল করে ব্রাজ়িলকে নকআউটে তুলেছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে ব্রাজ়িলের সাত গোলের মধ্যে চারটিই করেছেন তিনি। গ্রুপের তিনটি ম্যাচেই গোল করেছেন ভিনিসিয়াস। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে এসেছে জোড়া গোল। ২৪ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁয়েছেন ভিনিসিয়াস। তাঁর খেলায় মুগ্ধ ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি।
শেষ বার ২০০২ সালে ব্রাজ়িলের রোনাল্ডো গ্রুপের তিন ম্যাচেই গোল করেছিলেন। সে বার এই কীর্তি করেছিলেন রিভাল্ডোও। ২৪ বছর পর আবার ব্রাজ়িলের কোনও ফুটবলার গ্রুপের তিনটি ম্যাচেই গোল করলেন। রোনাল্ডোদের ছুঁলেন ভিনিসিয়াস।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে রোনাল্ডো, রিভাল্ডো ও ভিনিসিয়াস ছাড়া এই কীর্তি আরও দু’জনের রয়েছে। ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে জাইরজিনহো ও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে রোমারিয়ো গ্রুপের সব ম্যাচে গোল করেছিলেন। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজ়িল। এ বারও কি সেই কীর্তি করতে পারবে তারা!
ভিনিসিয়াসের খেলায় মুগ্ধ ব্রাজ়িলের কোচ আনচেলোত্তি। খেলা শেষে তিনি বলেন, “ব্রাজ়িলের হয়ে খেলা ওর কাছে গর্বের। ওর খেলায় সেই তাগিদ দেখা যাচ্ছে। খুব ভাল খেলছে। হেডেও গোল করেছে। এটা সাধারণত দেখা যায় না।” ভিনিসিয়াস যে ভাল খেলবেন, সেই বিশ্বাস তাঁর ছিল বলেই জানিয়েছেন আনচেলোত্তি। কোচ বলেন, “আমরা জানি ভিনিসিয়াস কী করে দেখাতে পারে। ও বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে একজন। সেটা এই বিশ্বকাপে ও করে দেখাচ্ছে।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ভিনিসিয়াস নিজে অবশ্য কোনও রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না। তিনি শুধু দলের জয় দেখছেন। খেলা শেষে ভিনিসিয়াস বলেন, “আমি বার বার বলেছি, পরিসংখ্যানের কথা ভাবি না। আমি খুব একটা গোল করতে অভ্যস্ত নই। কিন্তু কোচ আমাকে যে জায়গায় খেলাচ্ছেন, সেখানে গোল করার সুযোগ পাচ্ছি। গোল করে দলকে জেতাতে সাহায্য করেছি। সেটাই আমার কাছে আসল।”