নেমার। —ফাইল চিত্র।
অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার কথা ভেবে ব্রাজ়িলের বিশ্বকাপ দলে নেমারকে রেখেছিলেন কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। কিন্তু চোট থাকায় তাঁকে প্রথম দু’ম্যাচে খেলানো যায়নি। নেমার কবে মাঠে নামতে পারবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি ব্রাজ়িল শিবির। বিশ্বকাপের সময় নেমারকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় হতাশ ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রসিকতায় নেমারকে বিদ্ধ করেছেন তিনি।
দলে থাকলেও খেলতে পারছেন না নেমার। মরসুমের অধিকাংশ সময় চোট-আঘাতে ভোগেন ৩৪ বছরের স্ট্রাইকার। চোট নিয়েই বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নেমারকে নিয়ে হতাশা বাড়ছে ব্রাজ়িলীয়দের মধ্যে। ব্যতিক্রম নন দেশের প্রেসিডেন্টও। নেমারকে নিয়ে তাঁর মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমেও। লুলা বলেছেন, নেমার হল জাতীয় দলের প্রথম ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ফুটবলার।
ব্রাজ়িলের বেলো হরিজ়োন্তেতে একটি অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে লুলা হাসতে হাসতে বলেছেন, ‘‘নেমার তো খেলছেই না। ও হল বিশ্বের প্রথম ফুটবলার যে, ঘর থেকে কাজ করে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম ফুটবলার।’’ দল নির্বাচন নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, ‘‘ইন্টারনেটে দেখছিলাম। যে কোনও দিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দল তৈরি করতে হবে ওদের। হয়তো ১১জন পেলেকে নিয়ে দল হবে।’’ লুলা বলতে চেয়েছেন, চোট থাকা একজন ফুটবলার, যাকে খেলানো যাবে না জানার পরও কেন জাতীয় দলে রাখা হয়েছে। তা-ও আবার বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায়। প্রেসিডেন্টের রসিকতায় মোড়া মন্তব্য বা কটাক্ষকে সমর্থন করছেন ব্রাজ়িলের ফুটবলপ্রেমীদের একাংশও।
নেমার এখনও মূল দলের সঙ্গে অনুশীলনও শুরু করতে পারেননি। আশা করা হচ্ছে, সোমবার অথবা মঙ্গলবার থেকে সম্পূর্ণ অনুশীলন করতে পারবেন। সব ঠিক থাকলে আগামী ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে কিছু ক্ষণের জন্য মাঠে নামতে পারেন। উল্লেখ্য ২০২৩ সালের পর ব্রাজ়িলের হয়ে খেলেননি নেমার।