FIFA World Cup 2026

বিশ্বকাপে আটকে গেল কানাডা, প্রচুর সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে বসনিয়ার বিরুদ্ধে ড্র আয়োজক দেশের

বিশ্বকাপের প্রথম দিন দুই ম্যাচেই ফলাফল পাওয়া গিয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচ ড্র হল। টরন্টো স্টেডিয়ামে আয়োজক দেশ কানাডা ১-১ ড্র করল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ০২:৩৫
football

গোলের পর উচ্ছ্বাস কানাডার লারিনের। ছবি: রয়টার্স।

কানাডা ১ (লারিন)
বসনিয়া ১ (লুকিচ)

Advertisement

বিশ্বকাপের প্রথম দিন দুই ম্যাচেই ফলাফল পাওয়া গিয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচ ড্র হল। টরন্টো স্টেডিয়ামে আয়োজক দেশ কানাডা ১-১ ড্র করল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে। তবে গোটা ম্যাচে কানাডা যা খেলেছে তাতে এই ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিল তারাই। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়েছে তাদের।

ম্যাচের শুরু থেকে কানাডার দাপট ছিল বেশি। বসনিয়ার তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণ করছিল তারা। কিন্তু সুযোগ নষ্টের পরিমাণও ছিল বেশি। কানাডার আক্রমণ ভাগে খেলছিলেন জোনাথন ডেভিড। বেশির ভাগ বলই পাস দেওয়া হচ্ছিল তাঁকে উদ্দেশ্য করে। তবে ডেভিড একের পর এক সুযোগ নষ্ট করে যাচ্ছিলেন। বসনিয়ার ডিফেন্ডারদের পায়ের জঙ্গলের সামনে গিয়ে আটকে যাচ্ছিলেন। কখনও বা প্রতিহত হচ্ছিল শট।

ম্যাচের প্রথম দিকে ডান দিক থেকে খেলা তৈরি করছিল কানাডা। সে দিকে সুবিধা করতে না পেরে ধীরে ধীরে বাঁ দিকের উইং দিয়ে আক্রমণ শুরু করে তারা। কিন্তু সুযোগ নষ্টের প্রবণতা কমেনি। সম্ভাবনা তৈরি হলেও কখনও কানাডার বেশির ভাগ শট বাইরে যাচ্ছিল। তারা সেট পিসও কাজে লাগাতে পারছিল না।

২১ মিনিটে খেলার বিপরীতে গোল দেয় বসনিয়াই। কর্নার থেকে ফ্লিক করেছিলেন বসনিয়ার এক ফুটবলার। গোলের একদম সামনে ছিলেন জোভো লুকিচ। তিনি সহজেই বল জালে জড়িয়ে দেন। আচমকা গোল খেয়ে কিছুটা হতভম্ব হয়ে যায় কানাডা। গোটা স্টেডিয়াম তখন শান্ত।

গোল হজম করেও কানাডার সুযোগ নষ্টের প্রবণতা কমেনি। বল তাদের পায়েই বেশি ছিল। প্রথমার্ধে তারা ১০টি শটও নিয়েছে। কিন্তু একটিও কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টে বসনিয়ার জমাট রক্ষণ এবং প্রতি আক্রমণ মাঝেমাঝেই বিপদে ফেলে দিচ্ছিল কানাডাকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। কিন্তু বসনিয়ার সিড কোলাসিনাচের সৌজন্যে সে যাত্রায় বেঁচে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে লিয়াম মিলার ঢুকে পড়ে টিয়ান ওলুয়াসেয়িকে পাস দেন। তিনি গোলে শট নিলেও শেষ মুহূর্তে কোলাসিনাচ ক্লিয়ার করতে যান। তাঁর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। অল্পের জন্য আত্মঘাতী গোল হয়নি। বেঁচে যায় বসনিয়াও।

৬১ মিনিটে তিনটি পরিবর্তন করেন কানাডার কোচ জেসে মার্শ। আক্রমণ ভাগ নতুন করে সাজান। তাতে খেলায় বদল আসে। আগের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণ করতে থাকে কানাডা। মাঠে নেমে কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রায় গোল করেই ফেলেছিলেন প্রমিস ডেভিড। অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া হয়। কিছু ক্ষণ পর আবার গোললাইন সেভ করে বসনিয়া।

৭৯ মিনিটে অবশেষে সমতা ফেরায় কানাডা। গোল করেন সাইল লারিন। সতীর্থের সুন্দর ব্যাক ফ্লিক পেয়ে চকিতে ঘুরে গিয়ে গোল করেন তিনি। এর পরেও বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচ ড্র করে আসার কথাই ছিল না।

Advertisement
আরও পড়ুন