লিয়োনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স।
ফিফা ও রেফারিদের বদান্যতায় নাকি একের পর এক গোল করে চলেছেন লিয়োনেল মেসি! এমনই অভিযোগ তুলছেন অনেকে। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বরেকর্ড গড়লেও বিতর্কের বাইরে বার হতে পারছেন না মেসি। তাঁর গোল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। আঙুল উঠছে ফিফার দিকেও।
অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি ফস্কালেও প্রথমার্ধেই গোল করেন মেসি। ভেঙে ফেলেন মিরোস্লাভ ক্লোজ়ের সর্বাধিক গোলের রেকর্ড। কিন্তু সেই গোল নাকি এক ফাউলের ফসল, এমনটাই অভিযোগ অনেকের। তাঁদের দাবি, অস্ট্রিয়ার মিডফিল্ডার জ়াভের শ্লাগারকে ফাউল করে তাঁর কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার। তিনি পাস বাড়ান মেসিকে। লিয়ো বল বাড়ান ফাকুন্দো মেদিনাকে। প্রান্ত থেকে বক্সে বল বাড়ান মেদিনা। চলতি বলে গোল করেন মেসি।
অভিযোগ, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারেরা ফাউলের আবেদন করলেও রেফারি তাতে কান দেননি। এমনকি, ভার-ও কিছু জানায়নি। ফলে খেলা বন্ধ হয়নি। এই প্রসঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ও ডেনমার্কের প্রাক্তন গোলরক্ষক পিটার স্কিমিশেল বলেন, “ম্যাকঅ্য়ালিস্টার পরিষ্কার ফাউল করেছিল। মেসি বল পাওয়ার আগেই রেফারির বাঁশি বাজানো উচিত ছিল। কিন্তু চোখ বন্ধ করে থাকছে রেফারি। মেসি ও আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
স্কিমিশেলের এই অভিযোগের পরে অনেকেই তাঁকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এ বারের বিশ্বকাপের শুরু থেকেই মেসির সঙ্গে পক্ষপাত করা হচ্ছে। ফিফা যেন ঠিক করে নিয়েছে, আবার মেসিকে বিশ্বকাপ দেওয়া হবে।
এর আগে আলজেরিয়া ম্যাচে মেসির একটি ফাউল ঘিরে বিতর্ক হয়েছে। আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্ডিকে পিছন থেকে ফাউল করেন মেসি। রেফারি ফাউল দিলেও মেসিকে কোনও কার্ড দেননি। অনেকের দাবি, মেসিকে লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। এই বিষয়ে ফিফায় অভিযোগও করেছে আলজেরিয়া। পরের ম্যাচে আবার একটি ফাউল ঘিরে বিতর্ক হল।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ম্যাচে আরও একটি ফাউল করেছিলেন আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজ়। অস্ট্রিয়ার মিডফিল্ডার কনরাড লাইমারকে পিছন থেকে মারেন তিনি। লাল কার্ডের আবেদন করে অস্ট্রিয়া। কিন্তু রেফারি কোনও কার্ড দেখাননি। সে ক্ষেত্রেও ভার চুপ থাকে। ফলে আবার আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দর্শকদের একাংশ। তবে এই বিষয়ে ফিফা কোনও মন্তব্য় করেনি।