Santosh Trophy

সন্তোষ থেকে বিদায় গত বারের চ্যাম্পিয়ন বাংলার, কোয়ার্টার ফাইনালে সার্ভিসেসের কাছে টাইব্রেকারে হার সঞ্জয়ের দলের

সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে গেল বাংলার লড়াই। সার্ভিসেসের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল বাংলা। ব্যর্থ হল দুই গোলরক্ষকের চেষ্টা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৫
picture of football

সঞ্জয় সেন। —ফাইল চিত্র।

খেতাব ধরে রাখতে পারল না বাংলা। সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গেল সঞ্জয় সেনের দল। টাইব্রেকারে সার্ভিসেসের কাছে ২-৩ ব্যবধানে হেরে ছিটকে গেল গত বারের চ্যাম্পিয়নেরা। গোল করার ব্যর্থতাতেই ডুবল বাংলা। টাইব্রেকারেও গোল করতে পারলেন না বাংলার একাধিক ফুটবলার।

Advertisement

টাইব্রেকারে বাংলার পরিবর্ত গোলরক্ষক গৌরব শ প্রতিপক্ষের দু’টি শট আটকেও বাংলাকে সেমিফাইনালে তুলতে পারলেন না। সঞ্জয়ের দল ডুবল ফুটবলারদের জঘন্য ফুটবলের জন্য। নির্ধারিত সময়ে গোল করতে পারেনি কোনও দলই। টাইব্রেকারেও গোল করতে ব্যর্থ হন বাংলার একাধিক ফুটবলার। ফলে কাজে এল না গৌরবের চেষ্টা।

সার্ভিসেস প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে কেরলের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছিল। বাংলার কোচ জানতেন কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই সহজ হবে না। ম্যাচের শুরু থেকেই রবি হাঁসদাদের চাপে রেখেছিলেন সার্ভিসেসের ফুটবলারেরা। গোল না পেলেও তাঁরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে যান একটানা। খেলার গতির কিছুটা বিপরীতে ১৯ মিনিটের মাথায় গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বাংলা। কিন্তু লাভ হয়নি। মাঝমাঠের দখল শুরু থেকেই নিয়ে নেন সার্ভিসেসের ফুটবলারেরা। চাপে পড়ে একের পর এক ভুল পাস করতে শুরু করেন বাংলার ফুটবলারেরা। সুবিধা কাজে লাগিয়ে গোল করার জায়গায় চলে যাচ্ছিল সার্ভিসেস। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলও করে ফেলে তারা। অফসাইড হওয়ায় সেই গোল বাতিল করে দেন রেফারি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আকাশ হেমব্রমকে বসিয়ে বিজয় মুর্মুকে নামান সঞ্জয়। তাতে উইং কিছুটা সচল হয়। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙতে পারেননি রবিরা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অন্য দিকে, বাংলার প্রথম গোলরক্ষক সোমনাথ দত্ত বেশ কয়েক বার দলের পতন রোখেন। ফাঁকা পোস্ট পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি।

অতিরিক্ত সময়ও সার্ভিসেসের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে চাপে ছিল বাংলা। একেক সময় বাংলাকে দেখে দিশাহারা, অসহায় মনে হয়েছে। ১০০ মিনিটের মাথায় চাকু মান্ডি গোললাইন সেভ না করলে, ম্যাচ তখনই শেষ হয়ে যেত।

Advertisement
আরও পড়ুন