তনয় শাস্ত্রী কি মিমি চক্রবর্তী হেনস্থাকাণ্ডে জামিন পেলেন? ছবি: ফেসবুক।
মঙ্গলবার ফের বনগাঁ আদালতে পেশ করা হল তনয় শাস্ত্রী-সহ তিন অভিযুক্তকে। তনয়ের বিরুদ্ধে মিমি চক্রবর্তীকে ‘হেনস্থা’র অভিযোগ। সেই মামলার তদন্তে বাধা দিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতেও জড়ান তিনি এবং বাকি দু’জন।
এ দিন সওয়াল-জবাবের পর কী নির্দেশ দিল আদালত? খবর, আগের দিনই তনয়দের জামিন চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী। এ দিন কি জামিন পেলেন অভিযুক্তেরা?
খবর, এ দিন আদালতে তোলা হয় তনয়-সহ অভিযুক্ত তিনজনকে। অভিযুক্ত এবং দুই পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনেন নিম্ন আদালতের বিচারক। আরও এক বার তনয়দের হেফাজতে চায় বনগাঁ থানার পুলিশ। তনয়ের বিপক্ষে এ দিনও সরকারি এবং মিমি চক্রবর্তীর আইনজীবীরা টানা সওয়াল চালিয়ে যান। সন্ধ্যায় বিচারক নির্দেশে জানান, অভিযুক্তদের আরও চার দিন জেল হেফাজতে থাকতে হবে। ৭ ফেব্রুয়ারি ফের আদালতে পেশ করতে হবে তনয়দের। তবে এ দিনও অভিযুক্তদের জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। খারিজ হয়ে যায় পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদনও।
প্রসঙ্গত, নিজের বাড়ি থেকেই গত ৩০ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হন অভিযুক্ত তনয়-সহ তিন জন। শুক্রবার আদালতে তোলা হলে তিনজনকেই জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
বনগাঁকান্ডের সূত্রপাত ২৬ জানুয়ারি। ওই দিন গোপালগঞ্জ এলাকায় রাতে মঞ্চানুষ্ঠান করতে যান অভিনেত্রী মিমি। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন ‘অভদ্র ভাবে’ মঞ্চ থেকে তাঁকে নেমে যেতে বলেন তনয়। এই মর্মে তিনি পরে স্থানীয় থানায় ই-মেল মারফত লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, মিমির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তের কাজে তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। সেই সময় তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তনয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।