অনুশীলনে হ্যারি কেন। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপের প্রতিটি দলকে সুবিধা দিতে চায় ফিফা। তার জন্য রয়েছে কিছু নিয়মও। সেই নিয়মের বেড়াজালেই আটকে গিয়েছে ইংল্যান্ড। ফলে আমেরিকায় পৌঁছে নির্দিষ্ট জায়গায় অনুশীলন শুরু করে দেওয়া সত্ত্বেও কয়েকটি মাঠে তারা অনুশীলন করতে পারছে না। ওই মাঠগুলি রেখে দেওয়া হয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালের জন্য। ফলে ইংল্যান্ড ওই মাঠ ব্যবহার করতে পারবে না।
এখন ফ্লোরিডার গার্ডেন্স নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট পার্কে অনুশীলন করছে ইংল্যান্ড। ৮২ একর স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মধ্যে দশটি ফিফা অনুমোদিত মাঠ রয়েছে। বিশ্বকাপে সেখানে থেকেই অনুশীলন করার কথা রয়েছে পর্তুগালেরও।
পর্তুগাল যে মাঠগুলি ঠিক করে রেখেছে ওই মাঠে অনুশীলন করতে পারবে না ইংল্যান্ড। ফিফার নিয়মে ‘পিচ প্রোটেকশন পিরিয়ড’ রয়েছে। ফলে কোনও দল কোনও মাঠ বুক করে রাখলে, সেই দল আসার ২৮ দিন আগে পর্যন্ত অন্য কেউ তা ব্যবহার করতে পারবে না।
পর্তুগাল তার আগেই চলে আসবে। ফলে ইংল্যান্ডকে ওই মাঠ ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে না। কারণ, অন্য কোনও দেশ অনুশীলন করলে ঘাস ক্ষয়ে উঠে যেতে পারে। পর্তুগাল কখনওই সেটা চাইবে না।
তবে ইংল্যান্ডের কাছে বিষয়টি নতুন নয়। তারা আগে থেকেই এ ব্যাপারে জানত। এখন ইংল্যান্ড যে মাঠগুলিতে অনুশীলন করছে সেখানেও ঘাস অত্যন্ত উচ্চমানের। এই মাঠ ভাড়া নেওয়ার জন্য ফিফাকে প্রতিদিন মোটা অর্থ দিতে হচ্ছে মাঠের আসল মালিককে। ইংল্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট পার্কে আসার পর নিজেদের মতো করে একটি জিমন্যাশিয়াম বানিয়েছে। পর্তুগালও সেই জিমন্যাশিয়াম ব্যবহার করবে কি না তা স্পষ্ট নয়।