Air Fryer

তেল ছাড়া মুচমুচে ভাজাভুজি! কতটা স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করতে পারে হেঁশেলের গ্যাস বাঁচানো এয়ার ফ্রায়ার?

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়তেই এয়ার ফ্রায়ারের মতো বৈদ্যুতিন যন্ত্রগুলির দিকে ঝুঁকেছে আমবাঙালি। এতে তেল ছাড়া স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি কি আদৌ সম্ভব?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৮:২২
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

চলতি বছরের জুনে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে জ্বালানির দাম। ফলে হেঁশেলের ‘গ্যাস বাঁচাও’ অভিযানে নেমেছে আমবাঙালি। এর জেরে ঘরে ঘরে বাড়ছে ইন্ডাকশান অভেন, মাইক্রোঅয়েভ ও এয়ার ফ্রায়ারের মতো যন্ত্রগুলির ব্যবহার। এর মধ্যে শেষেরটিতে খাবার তৈরি করা কি বেশি স্বাস্থ্যকর? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।

Advertisement

তেল ছাড়া এয়ার ফ্রায়ারে করা যায় রান্না। আর তাই অনেকেরই ধারণা এতে খাবার তৈরি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। যদিও বাস্তবে ব্যাপারটা মোটেই সে রকম নয়। কারণ হিসাবে প্রথমেই বলতে হবে যন্ত্রটির সীমাবদ্ধতার কথা। মূলত স্ন্যাকস বা ভাজাভুজি বাদ দিলে নিত্য দিনের প্রায় কোনও খাবারই বানানো যায় না এয়ার ফ্রায়ারে।

স্ন্যাকস জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে খাদ্যরসিক বাঙালি তেলে ডুবিয়ে সেটা ভেজে থাকে, যার পোশাকি নাম ‘ডিপ ফ্রাই’। এয়ার ফ্রায়ারে সেই সুবিধা নেই। আর তাই অনেকেই ভাজার আগে তেল দিয়ে কাঁচা খাবারটা মেখে নেন। পরে সেটাই দেওয়া হয় এয়ার ফ্রায়ারে। বিশ্লেষকদের দাবি, এটা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। বস্তুত, ‘ডিপ ফ্রাই’-এর সঙ্গে এর প্রায় কোনও অমিলই নেই বলা যেতে পারে।

তবে ব্যবহারকারী ইচ্ছে করলে কোনও তেল ছা়ড়াই এয়ার ফ্রায়ারে খাবার ভেজে নিতে খেতে পারেন। সেটা যে খুব সুস্বাদু হবে, এমনটা নয়। তা ছাড়া সাধারণ ভাবে স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কম এবং গুণগত মানের দিক থেকে ভাল তেলে রান্না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করার কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন, এতে সময় নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন ব্যবহারকারী। ফলে যে কোনও রান্না বসিয়ে ভুলে গেলেও পুড়ে যাওয়ার ভয় নেই। নির্ধারিত সময় পরে যন্ত্রটি নিজেই বন্ধ হয়ে যাবে। তবে এক বার কিছু রান্না করার পর এয়ার ফ্রায়ার পরিষ্কারের ঝক্কি কিন্তু সামলাতে হবে গ্রাহককেই।

Advertisement
আরও পড়ুন