—প্রতীকী চিত্র।
স্মার্টফোন, ট্যাব থেকে শুরু করে কম্পিউটার-ল্যাপটপের ব্লুটুথে আসছে বড় বদল। এ বার থেকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলিতে থাকবে এর ৬.০ ভার্সান। এত দিন ব্লুটুথের ক্ষেত্রে পাঁচ সিরিজ়ের প্রযুক্তির সুবিধা পেতেন গ্রাহক। নতুন ভার্সানে কী কী বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে, আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
২০১৬ সালে বাজারে আসে ব্লুটুথ ৫.০। আগের থেকে যার পাল্লা চার গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। কিছু দিন পর স্মার্টফোন-সহ অন্য ডিভাইসগুলিতে যুক্ত হয় ৫.১ শ্রেণির ব্লুটুথ। এতে অবশ্য পাল্লা সে ভাবে বাড়ানো হয়নি। সেই জায়গায় নিখুঁত ভাবে অন্যান্য ডিভাইস খুঁজে পাওয়ার দিকে বেশি জোর দেন প্রযুক্তিবিদেরা।
তৃতীয় ধাপে বাজারে আসে ৫.২ শ্রেণির ব্লুটুথ। এতে শব্দ ব্যবস্থাকে দুর্দান্ত করা হয়। আগে ব্লুটুথের জন্য ডিভাইসের ব্যাটারি পুড়ত অনেক বেশি। ৫.২তে সেটাকে অনেকটা কমিয়ে আনে সমস্ত টেক জায়ান্ট। এর পর বাজারে আসে ব্লুটুথের ৫.৩ ভার্সান। তাতে স্থিতিশীল হয় ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ।
আজকের দিনের নতুন স্মার্টফোনগুলিতে রয়েছে ৫.৪ ভার্সানের ব্লুটুথ। এর সাহায্যে একসঙ্গে একাধিক ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুবিধা পেয়ে থাকেন গ্রাহক। বর্তমানে শুধুমাত্র স্মার্টফোন বা স্মার্ট ঘড়ির সঙ্গে যুক্ত হতে যে ব্লুটুথ ব্যবহার হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। গাড়ির চাবিতেও থাকছে এই প্রযুক্তি। সেটা ব্যবহার করে গাড়ি লক বা আনলক করতে পারছেন ব্যবহারকারী।
বিশ্লেষকদের দাবি, ব্লুটুথে যে ৬.০ ভার্সানটি আসতে চলেছে, তার সাহায্যে সুনির্দিষ্ট দূরত্বের সঠিক মাপ জানতে পারবেন গ্রাহক। একটা উদাহরণের সাহায্যে ব্যাপারটা বুঝে নেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, ব্লুটুথ-যুক্ত গাড়ির চাবি ব্যবহার করছেন কোনও ব্যক্তি। গাড়ির কতটা কাছাকাছি গেলে সেটা কাজ করবে, এ বার সেটাও বলে দেবে নতুন প্রযুক্তি। কোনও কিছুর সঠিক অবস্থান সেন্টিমিটারে মাপার সুবিধা থাকছে ব্লুটুথ ৬.০-তে।