AC in Monsoon

বর্ষার ভ্যাপসা গরমে ঘরে আরামের আমেজ! বৃষ্টির দিনে কী ভাবে এসি চালালে বাঁচানো যাবে বিদ্যুতের বিল?

গরমকালের সঙ্গে বর্ষায় এসি চালানোর নিয়মে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। সুনির্দিষ্ট একটি পদ্ধতি অবলম্বন করলে বিদ্যুতের খরচ অনেকটাই বাঁচিয়ে ফেলতে পারবেন ব্যবহারকারী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১৮:৫০
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

জৈষ্ঠ্য শেষ হয়ে আসেনি আষাঢ়। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছে বর্ষা। যদিও কলকাতা-সহ দক্ষিণের জেলাগুলিতে এখনও শুরু হয়নি নাগাড়ে বৃষ্টি। বর্ষায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি (এয়ার কন্ডিশনার) চালানোর কিন্তু আলাদা নিয়ম রয়েছে। ঘর ঠান্ডা রাখতে হলে অটো বা কুল মোডে সেটিকে রাখলে চলবে না। শুধু তা-ই নয়, বিশেষ একটি পদ্ধতি অবলম্বনে বাঁচানো যেতে পারে বিদ্যুতের বিলও।

Advertisement

বিশ্লেষকদের দাবি, কুল মোডের থেকে বর্ষায় এসির ড্রাই মোড বেশি কার্যকরী। এতে ঘরের ভিতরের জলীয় বাষ্পকে জমিয়ে ফেলতে পারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। প্রযুক্তির পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘কনডেনসেশন’। পরে ঠান্ডা হওয়া জলীয় বাষ্পকে সামান্য গরম করে ফের ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ড্রাই মোডে থাকা এসি। ফলে অনেক বেশি আরামদায়ক হয়ে ওঠে ঘরের পরিবেশ।

উল্লেখ্য, ড্রাই মোডে তাপমাত্রার পারদকে যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র অনেকটা টেনে নামাবে, এমনটা নয়। কিন্তু, এটি কমিয়ে দেয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। ফলে ২৬-২৭ ডিগ্রিতে এসি চালিয়ে রাখলে ঘর অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে ওঠে। কেটে যায় অতিরিক্ত ঘাম হওয়ায় অস্বস্তি।

তা ছাড়া এসি ড্রাই মোডে থাকলে অ্যালার্জি, সাইনাস এবং অ্যাজ়মার সমস্যা প্রায় হয় না বললেই চলে। বৃষ্টির দিনে বা ভারী বর্ষার পর অনেক সময়েই একটা ভ্যাপসা গুমোট ভাব থাকে। এই পরিবেশে ঘরে বেশি লোক থাকলে আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত সমস্যা ভাল টের পাওয়া যায়। তখনই সবাইকে স্বস্তি দিতে পারে ড্রাই মোডে চলা এসি, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

বর্ষায় বিদ্যুতের খরচ বাঁচাতে ২৬-২৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় চালাতে হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। ড্রাই মোডে দেওয়ার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে এসির ফ্যানের গতিবেগ। সেটি বেশি হলে চলবে না। তবে এসির ফ্যান মাঝারি গতিতে বা অটো মোডে চলতে পারে। ঘর কিছুটা ঠান্ডা হলে দরজা-জানলা বন্ধ করে কিছুক্ষণের জন্য সিলিং ফ্যান চালাতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তা হলেই প্রতিটা কোণায় ছড়িয়ে পড়বে এসির ঠান্ডা বাতাস। এই যন্ত্রের ফিল্টার কিন্তু প্রতি ৭-১০ দিনে একবার করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। সেটা না হলে ড্রাই মোডেও আরামের আমেজ পাবেন না ব্যবহারকারী।

Advertisement
আরও পড়ুন