iPhone 20

অনুভূমিক ক্যামেরা থেকে সিলিকন কার্বন ব্যাটারি, বাজার কাঁপাতে আসা আইফোন-২০তে থাকছে কী কী সুবিধা?

২০তম বর্ষপূর্তিতে আইফোন-২০ বাজারে আনছে অ্যাপ্‌ল, যাতে প্রযুক্তিগত বড় বদল করেছে এই বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট। অন্য দিকে ভারতে ১,১০০ কোটি টাকা লগ্নির করবে লাভা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১৮:০০
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

২০তম বর্ষপূর্তিতে আইফোন-২০ বাজারে আনার কথা ঘোষণা করেছে অ্যাপ্‌ল। মার্কিন টেক জায়ান্ট সূত্রে খবর, নতুন প্রজন্মের মুঠোবন্দি ডিভাইসটিতে থাকছে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের পরিবর্তন। এর মধ্যে অন্যতম হল বাঁকানো বা কোয়াড-কার্ভড ডিসপ্লে। অ্যাপ্‌লের দেখাদেখি এই প্রযুক্তি কি এ বার চালু হবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

কার্ভড ডিসপ্লের পাশাপাশি ওলেট প্যানেলের স্বাদ পাবেন আইফোন-২০র গ্রাহক। অ্যাপ্‌লের ফোনের ডিসপ্লেতে থাকে অ্যান্টি রিফ্লেক্টিং কোটিং। সূত্রের খবর, ২০তম বর্ষপূর্তিতে বাজারে আসা নতুন মুঠোবন্দি ডিভাইসে থাকছে তার উন্নত সংস্করণ। তা ছাড়া, আইফোন-২০তে আন্ডার ডিসপ্লে ফেস আইডির সুবিধাও রেখেছে নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট।

বাজার কাঁপাতে চলা নতুন মুঠোবন্দি ডিভাইসটিতে এ২১ বায়োনিক প্রসেসার ব্যবহার করেছে অ্যাপ্‌ল। পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, আইফোন-২০তে ক্যামেরার অবস্থান পুরোপুরি বদলাচ্ছে এই মার্কিন টেক জায়ান্ট। সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটিতে থাকবে অনুভূমিক (হরাইজ়েন্টাল) ক্যামেরা।

বর্তমানে চৈনিক ব্র্যান্ডগুলি স্মার্টফোনে ঢালাও ব্যবহার করছে সিলিকন কার্বন ব্যাটারি। ফলে ৮,০০০-১০,০০০ মেগাহার্ৎজ়ের ব্যাটারি থাকছে ফোনে। সূত্রের খবর, আইফোন-২০র ব্যাটারিও সিলিকন কার্বনের করতে চলেছে অ্যাপ্‌ল। তবে সেটা চিনা ব্র্যান্ডগুলির মতো না-ও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, নতুন মুঠোবন্দি ডিভাইসে ৬,০০০ মেগা হার্ৎজ়ের সিলিকন কার্বন ব্যাটারি রাখবে অ্যাপ্‌ল। এতে আইফোন-২০র বিক্রি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদী নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট। এতে অ্যাপ্‌লের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়ার বহুজাতিক সংস্থা স্যামসাং কতটা চাপে পড়ে, সেটাই এখন দেখার।

অন্য দিকে স্মার্টফোনের বাজারে ঝড় তুলতে এ বার বিপুল লগ্নি করছে লাভা। ইতিমধ্যেই ১,১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় ব্র্যান্ড। শুধু তা-ই নয়, খুব দ্রুত স্মার্টফোনের ডিসপ্লে, পিসিবি বোর্ড এবং ক্যামেরা মডিউল তৈরি করবে তারা। এর জেরে মুঠোবন্দি ডিভাইসের দুনিয়ায় বড় বদল আসতে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

এ দেশের স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থাগুলি বহু যন্ত্রাংশই চিন থেকে আমদানি করে থাকে। টেক বিশেষজ্ঞদের দাবি, আগামী দিনে সেই বরাত পেতে পারে লাভা। পাশাপাশি, তাদের পরিকল্পনা সফল হলে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে স্মার্টফোন তৈরির রাস্তায় ভারত যে অনেকটাই এগিয়ে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement
আরও পড়ুন