—প্রতীকী ছবি।
হাঁটা বা দৌড়োনোর সময় মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করবে জুতো। কমাতে বলবে মানসিক চাপ। ভাবছেন তাও আবার হয় নাকি! ২০২৬ সালে সত্যিই এ-হেন অসাধ্যসাধন করেছে বহুজাতিক মার্কিন সংস্থা নাইকি। বাজার কাঁপাতে নতুন যুগের দু’টি জুতোর মডেল প্রকাশ্যে এনেছে তারা। কোম্পানির দাবি, সংশ্লিষ্ট মডেলগুলি ব্যবহারের সময় বার্তা পাবে গ্রাহকের মস্তিষ্ক, যা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বা চাপ কমাতে সাহায্য করবে তাঁদের।
নাইকির বাজারে আনা নতুন দু’টি জুতোর মডেল হল, মাইন্ড-০০১ এবং মাইন্ড-০০২। মস্তিষ্ককে দিকনির্দেশ দেওয়ার লক্ষ্যে এগুলি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মার্কিন সংস্থা। সূত্রের খবর, ওই দুই মডেলের জুতোর সোলের নীচে লাগানো আছে ২২টা সেন্সর। ফলে হাঁটলে বা দৌড়োলে পায়ের স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে বার্তা পাঠাতে পারছে তারা। এ ভাবেই পা দিয়ে মাথা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি খুঁজে বার করেছে নাইকি।
মার্কিন সংস্থাটির দাবি, গ্রাহকের মানসিক চাপ কমাতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা নেবে নাইকি। খেলার সময়ও সংশ্লিষ্ট মডেলগুলি ব্যবহার করা যাবে। বড় টুর্নামেন্টের ক্ষেত্রে অনেক সময় বহু খেলোয়াড়কে লক্ষ্য হারিয়ে ফেলতে দেখা গিয়েছে। তখন প্রতিযোগিতায় ভাল ফল করা তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। মাইন্ড-০০১ এবং মাইন্ড-০০২ সেখানে ম্যাজ়িকের মতো কাজ করবে বলে দাবি করেছে নির্মাণকারী বহুজাতিক মার্কিন সংস্থা।
অভিনব প্রযুক্তির এই জুতোগুলির দাম ১৮০ ডলার থেকে ২৪০ ডলার পর্যন্ত ধার্য করেছে নাইকি। ভারতীয় মুদ্রায় যেটা প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারির একেবারে শেষ সপ্তাহ থেকে সংশ্লিষ্ট জুতোগুলি গ্রাহকেরা কিনতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। তার পরই পারফরম্যান্সের আসল পরীক্ষা দেবে মাইন্ড-০০১ ও মাইন্ড-০০২।
নতুন প্রযুক্তির জুতোগুলিকে জনপ্রিয় করে তুলতে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রচার শুরু করে দিয়েছে নাইকি। তা দেখে আমজনতা থেকে শুরু করে টেক বিশেষজ্ঞ সকলেরই প্রশ্ন, গোটাটাই গিমিক নয়তো? তবে সত্যি সত্যিই মাইন্ড-০০১ ও মাইন্ড-০০২ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলে যাবতীয় মার্কেটিংয়ের হিসাব যে বদলে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।