Monsoon Destination

মেঘ-কুয়াশায় ঢাকা সহ্যাদ্রি পর্বত হোক বর্ষার গন্তব্য, কেমন করে সাজাবেন সফরসূচি

এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে মন না টিকলে বুঁচকি-বোঁচকা নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। সহ্যাদ্রির রূপ এই সময় দেখার মতো। বেছে নিন মহারাষ্ট্রের তিন শৈলশহর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ১১:০৯
সবুজের টানে চলুন মাথেরন।

সবুজের টানে চলুন মাথেরন। ছবি:সংগৃহীত।

বর্ষা মানে কি শুধু ঘরে বসে বৃষ্টি উপভোগ?

Advertisement

শহুরে জমা নোংরা জলে পা দিতে যতই বিরক্তি লাগুক, বৃষ্টির পরশে সবুজ হয়ে ওঠা প্রকৃতির আলিঙ্গন বর্ষায় ঠিক ততটাই সুন্দর। এই মরসুম প্রকৃতির শ্যামলিমা উপভোগের। ভাবছেন যাবেন কোথায়? বেছে নিতে পারেন মহারাষ্ট্রের তিন জায়গা, যা সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য হয় জুন থেকে সেপ্টেম্পরে।

লোণাবলা

সবুজের পরশ মন ভুলিয়ে দেবে।

সবুজের পরশ মন ভুলিয়ে দেবে। ছবি:সংগৃহীত।

বৃষ্টির ছোঁয়ায় সহ্যদ্রি পর্বতমালা হয়ে ওঠে শ্যামল-সবুজ। সেই রূপের প্রকাশে কোনও বর্ণণায় যথেষ্ট নয়। মুম্বই বা পুণে থেকে লোণাবলার দূরত্ব মাত্র কয়েক ঘণ্টার।অথচ এই কয়েক ঘণ্টায় আমূল বদলে যেতে পারে দৃশ্যপট।

পাহাড়ি জনপদে একাধিক ভিউপয়েন্ট রয়েছে। আছে লোণাবলা হ্রদ, ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গ। দুর্গে যেতে হয় ট্রেক করে। পাহাড়ের মাথায় দু্র্গ থেকে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়। এখান থেকে ঘুরে নেওয়া যায় কার্লা গুহা, ভূশি ড্যাম। রয়েছে ডিউকস নোস, টাইগার পয়েন্টের মতো ভিউ পয়েন্ট। টাইগার পয়েন্ট থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য ভারি মনোরম দেখায়।

কী ভাবে যাবেন?

ট্রেনে বা বিমানে মুম্বই এবং পুণেতে পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে লোণাবলা। মুম্বই থেকে থেকে দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার।

মাথেরন

মহারাষ্ট্রের শৈলশহর মাথেরন যেন ক্যানভাসে আঁকা ছবি। সবুজ ঢেউখেলানো পাহাড় আর মেঘ-কুয়াশা মাখা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই এখানকার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করে।

মুম্বই থেকে মাত্র ঘণ্টা তিনেকের যাত্রা। দূরত্ব ৮৩ কিলোমিটার। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ টয়ট্রেন। গরম থেকে মুক্তি পেতে ১৮৫০ সালে শৈলশহর মাথেরনকে আস্তানা করেছিল ব্রিটিশেরা। শোনা যায়, মুম্বইয়ের শিল্পপতি আদমজি পিরভয় ব্রিটিশ আধিকারিকদের খুশি করতে, যাত্রাপথ সহজ করতে টয় ট্রেন চালানোর উদ্যোগ নেন। সেই ট্রেনই এখন মাথেরনের গর্ব। বর্ষার মরসুমে আরও সুন্দর এবং শ্যামল হয়ে ওঠে সহ্যাদ্রি পর্বত। মাথেরন শহর জুড়ে অসংখ্য ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। পায়ে হেঁটেও ঘোরা যায় পাহাড়ি পথে। ঘুরে নেওয়া যায় শার্লট লেক, আলেকজ়ান্ডার ভিউ পয়েন্ট, প্যানোরামা ভিউ পয়েন্ট, প্রবাল ফোর্ট, সানসেট পয়েন্ট-সহ অসংখ্য জায়গা।

কী ভাবে যাবেন?

ট্রেনে বা বিমানে মুম্বই এবং পুণেতে পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে মাথেরন। মুম্বই থেকে দূরত্ব প্রায় ৮৩ কিলোমিটার।

Advertisement
আরও পড়ুন