ছবি: সংগৃহীত।
২-৩ ঘণ্টার উড়ান যেমন আরামদায়ক, তেমনই ক্লান্তিকর ১০-১২ ঘণ্টা লম্বা যাত্রা। বিমানে কিছুটা সময় আকাশ দেখে কাটলেও, বাকি সময়টা বড় একঘেয়ে মনে হয়। ট্রেন সফরে লম্বা ট্রেনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত কামরার ভিতর দিয়ে হাঁটা যায়। কিন্তু উড়ানে তেমন সুযোগ মেলে না। ঠায় বসে থাকতে থাকতে কোমরে, কাঁধে ব্যথা হয়ে যায়। তার উপর ভাল করে পা-ও ছড়ানো যায় না। তা ছাড়া, বিমানের ভিতরে বায়ুচাপের তারতম্যেও কিছুটা সমস্যা হয়। লম্বা সফরের ধকল এড়াতে চেষ্টা করতে পারেন বিশেষ আসনটি বেছে নেওয়ার। আগে পছন্দের আসন বেছে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ লাগত।সম্প্রতি অসমারিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকা লাগু হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন যাত্রীরা।
কোন আসনগুলি পেলে বা বাছলে যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে
জানলার দিকে আসন না নিয়ে বিমানে যাতায়াতের সরু অংশটি লাগোয়া অর্থাৎ আইলের আসনটি বেছে নিন। বিশেষত বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে তা সুবিধাজনক। এই আসন পেলে বিমানের স্বল্প পরিসেরই একটু হাঁটাহাটি করে গা-হাত পায়ের জড়তা কাটিয়ে নেওয়া যাবে।
জরুরি প্রস্থানের কাছের আসন: বিমানে জরুরি প্রস্থান বা এমার্জেন্সি এক্সিট গেট থাকে। এখানের আসনগুলিতে বসতে পেলে পা ছড়ানোর জায়গা মিলবে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, এই গেটটি কী ভাবে খুলতে হয় বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করতে হয়, বিমান ওড়ার আগে তা শিখে নিতে হয়।
শেষের দিকের আসন: বিমানের লেজের দিকে শেষের দিকের আসনগুলি খুব একটা আরামপ্রদ নয়। বিশেষত লম্বা উড়ানে এগুলি আরও কষ্টকর মনে হতে পারে। আগাম টিকিট কাটলে এবং আগে থেকে ওয়েব চেকইন করলে, এই ধরনের আসনে বসা এড়ানো যেতে পারে।
সঙ্গে রাখুন নেক পিলো, সফরের সময় ঘুমোতে সাহায্য করবে। আই মাস্ক এবং নয়েজ় ক্যানসেলেশন ইয়ারফোন থাকলে, তা কানে এবং চোখে লাগিয়ে ঘুমোনোর চেষ্টা করুন। কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নিলে ক্লান্তি কমবে। ঘাড়ের বালিশ থাকলে বেকায়দায় ঘাড়ে লেগে যাবে না বা ব্যথা হবে না। মাঝেমধ্যে আসনে বসেই শরীর স্ট্রেচ করে নিন, এতে শরীর ঠিক থাকবে। সঙ্গে জল খাওয়া দরকার পর্যাপ্ত।