Karnataka Police

বাধ্য হয়ে পুলিশকে ফোন করার সিদ্ধান্ত! কথা হল দু’মিনিট, ফোন রাখার পরেই চমকে গেল ১৭ বছরের কিশোর, কেন?

রেডিট ব্যবহারকারী ওই কিশোর সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, তার ১৭ বছর বয়স এবং সে একটি বড় শহরে বাস করে। কিশোর জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রথম বারের জন্য পুলিশের ১০০ নম্বরে ফোন করে সে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫৯
17 year old claims he dialled 100 and police took swift action against loud music near his house

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

প্রথম বারের জন্য পুলিশকে ফোন করেছিল ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর। মাত্র ২ মিনিটের কথাতেই কাজ মিটল তার! তেমনই একটি ঘটনার কথা উঠে এসেছে সমাজমাধ্যম রেডিটের পাতায়। উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও। আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ কেবল চরম পরিস্থিতিতেই পুলিশকে ডাকার কথা চিন্তা করেন। কিন্তু ১৭ বছর বয়সি কিশোরের সঙ্গে এমন কী ঘটল যে পুলিশকে ফোন করতে বাধ্য হয়েছিল সে? সে কথা সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে খোদ কিশোরই।

Advertisement

রেডিট ব্যবহারকারী ওই কিশোর সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, তার ১৭ বছর বয়স এবং সে একটি বড় শহরে বাস করে। কিশোর জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রথম বারের জন্য পুলিশের ১০০ নম্বরে ফোন করে সে। এর পর কী ঘটেছিল তা বর্ণনা করতে গিয়ে কিশোর পুলিশকে ফোন করার কারণও ব্যাখ্যা করে।

কিশোর জানিয়েছে, তার বাড়ির কাছে একটি বিয়ের শোভাযাত্রায় প্রচণ্ড শব্দ করে ডিজে গান বাজানো হচ্ছিল। তার মায়ের সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া বা এসভিটি রয়েছে। সে কারণে, তিনি খুব জোরে শব্দ সহ্য করতে পারেন না। এমনকি হঠাৎ কোনও ঝাঁকুনিও তিনি সহ্য করতে পারেন না। এমন সময় বিয়ের শোভাযাত্রা বাড়ির সামনে এলে হঠাৎ তার মায়ের মাথা ঘুরতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে তার বাবা জল নিয়ে তার মায়ের শুশ্রুষা শুরু করেন। কিন্তু কিশোর বুঝতে পারে না সে কী করবে।

রেডিটে কিশোরের করা সেই পোস্ট।

রেডিটে কিশোরের করা সেই পোস্ট। ছবি: সংগৃহীত।

এর পরেই পুলিশে ফোন করার সিদ্ধান্ত নেয় কিশোর। কিশোর লিখেছে, ‘‘আমি গুগ্‌লে অনুসন্ধান করে জানতে পারি আমার রাজ্য কর্নাটকে শব্দের সীমা ৫৫ ডেসিবেল। কিন্তু এই ডিজে সেই মাত্রা অতিক্রম করেছিল। তখন আমি পুলিশকে ফোন করার কথা ভাবি। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল যে পুলিশ পাত্তা দেবে না। তবুও আমি ১০০ নম্বরে ফোন করি সাহস করে। এক জন পুরুষ পুলিশ আধিকারিক ফোনটি ধরেন এবং আমি তাঁকে আমার ঠিকানা এবং সমস্যাটি জানাই। ২ মিনিট ১১ সেকেন্ড কথাবার্তা হয় আমাদের।’’

কিশোরের দাবি, ফোন রাখার ১-২ মিনিটের মধ্যেই বিয়ের ডিজে থামিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশকে এত দ্রুত পদক্ষেপ করতে দেখে অবাক হয়ে যায় সে। পোস্টের শেষে রেডিট ব্যবহারকারী কিশোর কর্নাটক পুলিশকে স্যালুট জানিয়ে ‘রিয়্যালিস্টিক-মেজ়-৪৫২৪’ অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছে, পোস্টটির উদ্দেশ্য ছিল এটি জানানো যে, কেউ যদি এই ধরনের কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন, তা হলে যেন ১০০ নম্বরে ফোন করতে দ্বিধা না করেন!

কিশোরের ওই পোস্ট ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে হইচই ফেলেছে। প্রচুর মানুষ দেখেছেন সেই পোস্ট। কিশোরের সাহসিকতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটাগরিকেরা। অনেকে আবার কর্নাটক পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অভিনন্দন ভাই। তুমি একদম সঠিক কাজ করেছো।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘ভাই, আমি তোমার এবং তোমার মায়ের মঙ্গল কামনা করি। আমার শুভকামনা রইল।’’

Advertisement
আরও পড়ুন